০৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে সংঘর্ষে নিহত জামালের দাফন সম্পন্ন, অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না- ওসি

  • Update Time : ০৪:৪২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের সৈয়দপুরে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সৈয়দ জামাল মিয়া নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।নিহত সিএনজি চালক জামাল মিয়া (৪০) সৈয়দপুর (ইশানকোনা) গ্রামের সৈয়দ আনাই মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ সহ আহত হয়েছেন প্রায় ১০ জন। আহতরা হলেন সৈয়দ সেলু মিয়া (৫৫), (জখমী আশংকাজনক) সৈয়দ আনহাই মিয়া(৬০), সৈয়দ সিপু মিয়া(৩০), সৈয়দ হুসাইন মিয়া (৩৪), আনকার মিয়া ও আমিন মিয়া (৫২), শিপু মিয়া (৩০), নাহিদ আহমদ (২০)। আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল শুক্রবার উপজেলার সৈয়দপুর (ইশানকোনা) গ্রামে রাত ১০ টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) শুভাশীষ ধর, জগনাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানসহ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ২৯ এপ্রিল শনিবার সৈয়দ জামাল মিয়ার জানাযার নামাজ শেষ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। দাফন শেষে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান নিহত জামালের বাড়িতে যান এবং নিহত জামালের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান। অপরাধী যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য যে গত শুক্রবার গুলিবিদ্ধ জামালকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সিএনজি চালক জামাল মিয়া (৪০) সৈয়দপুর (ইশানকোনা) গ্রামের সৈয়দ আনহাই মিয়ার ছেলে। জানা যায় সিএনজি চালক জামালের স্ত্রী সহ দুই শিশু সন্তান রয়েছে। চার বছরের শিশু কন্যা আফসানা বেগমকে পিতা জামালের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে- (আব্বা বাজারে গেছোইন, আমার লাগি মজা আনবা)। শোকে কাতর নিহত জামালের মা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, দুইনালা বন্দুক দিয়ে আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই এবং খুনিদের ফাঁসি চাই। নিহত জামালের চাচা সৈয়দ গৌছ মিয়া জানান, আমার ভাতিজা হোসাইনকে একা পেয়ে প্রথমে মারধর করে পরে হোসাইনকে বাঁচাতে নিহত সৈয়দ জামাল ও সৈয়দ সেলু মিয়া, সৈয়দ সিপু মিয়া, আনকার মিয়া ও আমিন মিয়া এগিয়ে গেলে তাদের উপর গুলি করলে তারা পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (জগন্নাথপুর সার্কেল) শুভাশিষ ধর বলেন, এ বিষয় বিশেষ অভিযোগ এখনও পাইনি তবে আসামী গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখনও কেহ গ্রেফতার হয়নি, কোনো অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি! পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে সংঘর্ষে নিহত জামালের দাফন সম্পন্ন, অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না- ওসি

Update Time : ০৪:৪২:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের সৈয়দপুরে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সৈয়দ জামাল মিয়া নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।নিহত সিএনজি চালক জামাল মিয়া (৪০) সৈয়দপুর (ইশানকোনা) গ্রামের সৈয়দ আনাই মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ সহ আহত হয়েছেন প্রায় ১০ জন। আহতরা হলেন সৈয়দ সেলু মিয়া (৫৫), (জখমী আশংকাজনক) সৈয়দ আনহাই মিয়া(৬০), সৈয়দ সিপু মিয়া(৩০), সৈয়দ হুসাইন মিয়া (৩৪), আনকার মিয়া ও আমিন মিয়া (৫২), শিপু মিয়া (৩০), নাহিদ আহমদ (২০)। আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল শুক্রবার উপজেলার সৈয়দপুর (ইশানকোনা) গ্রামে রাত ১০ টার দিকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) শুভাশীষ ধর, জগনাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানসহ থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ২৯ এপ্রিল শনিবার সৈয়দ জামাল মিয়ার জানাযার নামাজ শেষ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। দাফন শেষে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান নিহত জামালের বাড়িতে যান এবং নিহত জামালের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি জানান। অপরাধী যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। উল্লেখ্য যে গত শুক্রবার গুলিবিদ্ধ জামালকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সিএনজি চালক জামাল মিয়া (৪০) সৈয়দপুর (ইশানকোনা) গ্রামের সৈয়দ আনহাই মিয়ার ছেলে। জানা যায় সিএনজি চালক জামালের স্ত্রী সহ দুই শিশু সন্তান রয়েছে। চার বছরের শিশু কন্যা আফসানা বেগমকে পিতা জামালের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে- (আব্বা বাজারে গেছোইন, আমার লাগি মজা আনবা)। শোকে কাতর নিহত জামালের মা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, দুইনালা বন্দুক দিয়ে আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই এবং খুনিদের ফাঁসি চাই। নিহত জামালের চাচা সৈয়দ গৌছ মিয়া জানান, আমার ভাতিজা হোসাইনকে একা পেয়ে প্রথমে মারধর করে পরে হোসাইনকে বাঁচাতে নিহত সৈয়দ জামাল ও সৈয়দ সেলু মিয়া, সৈয়দ সিপু মিয়া, আনকার মিয়া ও আমিন মিয়া এগিয়ে গেলে তাদের উপর গুলি করলে তারা পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (জগন্নাথপুর সার্কেল) শুভাশিষ ধর বলেন, এ বিষয় বিশেষ অভিযোগ এখনও পাইনি তবে আসামী গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখনও কেহ গ্রেফতার হয়নি, কোনো অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি! পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ