দোয়ারাবাজারে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪০
- Update Time : ০২:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারায় জমি সংক্রান্ত পুর্ব সত্রুুতার জেরে দু পক্ষের সংঘর্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে। এসময় একটি ভাসমান ঘরও ভাঙচুর করা হয়। বুধবার (৩১ মার্চ সকালে দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। আহতদের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন আব্দুল খালিকের গ্রুপের রহিমা বেগম(৪৫), সৈয়দুন নেছা (৩৫), সোনারা বেগম(২৭), ইউসুফ আলী(৬৫), ফরিদ মিয়া(২৬), হান্নান(৪০), সমসু মিয়া (২৭), মামুনা বেগম(৭), জাহাঙ্গীর(২০), অযুত মিয়া(৪০), সহিদ মিয়া(৩২), সিরাজ মিয়া(৩৮), আমিরুন নেছা(২৫), মিনার (১৮), মতিন(২৮), কামাল(২২) সুজন (২১)।
মাওলানা সফিক ও আইনুদ্দিন গ্রুপের আহতরা হলেন, নুরুল ইসলাম (৬৫), আশ্রাফ আলী(৫৫), মাহমদ আলী (৫০), হুছন আলী(৪৫), কেরামত আলী (৫০), আছমত আলী(৬৫), আনছর আলী (৩৫), সামছুল(২৩), সফিকুল ইসলাম (৪৩)।
আইনুদ্দিন(৩৫), জরিনা(৩০), আজিমা (৩০), জিকরা আক্তার(১৫), সুহেনা(১২), জাহানারা(৪০), রাবিয়া(৪৫), মনোয়ারা বেগম(২৮), পারভিনা বেগম (২৫),
ঘটনা ও থানা সুত্রে জানা যায় আব্দুল খালিক গ্রুপ ও মাওলানা সফিক আইনুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে খাসও রেকডিয় জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত মারামারিও মামলা মকর্দমা চলে আসছে। কেউ কাউকে আপোষ করতে রাজী নয়। গত ডিসেম্বর মাসে জমিতে ধান কাটা ও জমিতে ঘর উঠানুকে কেন্দ্র করে থানায় অভিযোগ হলে বিষয়টি আপোষ নিস্পত্তির স্বার্থে ভুমি জরিপের মাধ্যমে খাসজমি সরকারের আইনি লড়াইয়ে যারা আনতে পারবে তারা ভোগদখল করতে পারবে এমন বলা হলেও বুধবার সকালে জমিতে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে মারামারিও ভাসমান ঘরের মালামাল লোট করা হয়। উভয়য় পক্ষ মামলা করার প্রস্তূতি নিচ্ছে।
সংঘর্ষের ব্যপারে আব্দুল খালিক বলেন, আমার রেকডিয় জমিতে ঘর বেধে বসবাস করছে আমার বাতিজা। সেই ঘরটি মাওলানা সফিকও আইনুদ্দিনের বাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মান্নার গাও ইউপির জলাল পুর গ্রামের কলমদর আলীর ছেলে রেজা সহ তার ৩ তিন ভাই ও তাদের আত্বীয় স্বজন সবাই মিলে লোটপাট করে। নগদ টাকা সহ প্রায় লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। আমরা বাঁধা দিলে আমাদের মহিলা সহ ১৮ জনকে মেরে আহত করে।
মাওলানা সফিকুল ইসলাম বলেন,আমি একজন নিরিহ মানুষ বসন্ত পুর মসজিদে ইমামতি করায় বিভিন্ন সময় খালিকের লোকজন আমার বাড়ি ঘরে হামলা করে আমাকে হুমকি দেয়, এবং তার বাবা আমাদের কাছে ১ বিঘা জমি বিক্রি করলেও দীর্ঘদিন জাবত আমাদের রেকডিয় ভুমিতে দখল না দিয়ে আসছে। ঐ ভূমিতে ঘর বাঁধার জন্য মাটি কাটায় আমরা বাঁধা দিলে আমাদের উপর আক্রমণ করে আমার পরিবারের ১৮ জনকে গুরুতর আহত করে। এবং বাড়িঘর লোটপাট করে। এছাড়াও গত ৯ মার্চ আমার বাড়ি ঘরে হামলা করেও খালিকের পক্ষ আমাদের উপর মামলা করে এই বিরোধ পুর্ণ জমিতে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি করেও তারা জোর পুর্বক জমিতে মাটি কাটে।





























