০১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে রানীগঞ্জ ইউপি আ.লীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী শাহীন তালুকদার’র সম্মেলন পরবর্তী ভাবনা

  • Update Time : ০৯:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

শাহীন তালুকদার

 

আমি ১৯৯৩ সালে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছি। আহবায়ক ছিলেন প্রয়াত বড় ভাই ইজাজুল ইসলাম। যদিও এর আগে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের কোন কমিটি ছিলনা।শুধু মাত্র মৌখিক ভাবে আওয়ামীলীগের একজন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রচার করে কাজ চালানো হতো। আমরাই গুটি কয়েকজন উদ্যােগে নিয়ে সফল হয়েছিলাম। ঐ সম্মেলনে আমি সর্বসম্মতিক্রমে রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম।

 

১৯৯৮ সালে জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের কমিটিতে সহ-সভাপতি এবং ২০০২ (অথবা ২০০৩) সালের কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলাম।

 

এর পর জাতীয় নেতা আব্দুস সামাদ আজাদের মৃত্যুর পর থেকে দীর্ঘ ১৬ বছর দলীয় পদ পদবীবিহীন পথ চলেছি, তাও আবার নদীর উল্টো শ্রুতে নৌকা বেয়েছি। চলার পথে অনেক আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি ও অনেক লোভনীয় অপারও পেয়েছি।

 

রাজনীতির যাত্রা পথের অনেক না বলা কথা মনের গহীনে জমা রয়ে গেছে। হয়তো একদিন বলে যেতে পারবো। বিগত রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম। তিন দিক থেকে পরিকল্পিত প্রার্থী দাড় করিয়ে বেরিকেড দিয়ে আমাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল।

 

বিগত উপজেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে জায়গা পাওয়ার কথা ছিল। কলমের খোচায় আমার নাম একজন দায়িত্বশীল ব্যাক্তি কেটে দিয়ে আরেকটি নাম যোগ করে ১০ জনের তালিকা জমা দিয়েছিলেন। ওপর প্রান্ত থেকে আসা প্রস্তাব নীতিগত কারণে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।

 

এবার সর্বশেষ রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হয়েছি। এবার আমি দেখতে চাই যে, দলের একজন সক্রিয় কর্মী হয়ে জীবনের ৩৬ টি বছর নিঃস্বার্থ ভাবে নিবেদিত প্রান হয়ে কাজ করেছি। সেই দল আমাকে সম্মানজনক স্বীকৃতি দেয় কি- না? দল যদি আমাকে স্বীকৃতি না দেয় বা মূল্যায়ন না করে। তাহলে ধরে নিতে হবে আমি অযোগ্য। যোগ্যতার ক্রাইটেরিয়ায় হয়তো আমি সবকিছুতেই আনফিট। আর তখন হয়তো এটাই হতে পারে আমার শান্তনা। অপরদিকে সবাই সবসময়ই যার যার অধিকার, হিস্যা, সুযোগ, সুবিধা, মূল্যায়ন, ও স্বীকৃতি পেয়ে এসেছেন, পাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তাহা অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এর ব্যাতিক্রম হয়তো শুধু মাত্র আমি।

 

লেখক: শাহীন তালুকদার: সাধারণ সম্পাদক, আব্দুস সামাদ আজাদ স্মৃতি সংসদ রানীগঞ্জ, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ, মোবাইল- ০১৭১২-৫১৬০৫১

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে রানীগঞ্জ ইউপি আ.লীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী শাহীন তালুকদার’র সম্মেলন পরবর্তী ভাবনা

Update Time : ০৯:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

শাহীন তালুকদার

 

আমি ১৯৯৩ সালে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছি। আহবায়ক ছিলেন প্রয়াত বড় ভাই ইজাজুল ইসলাম। যদিও এর আগে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের কোন কমিটি ছিলনা।শুধু মাত্র মৌখিক ভাবে আওয়ামীলীগের একজন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রচার করে কাজ চালানো হতো। আমরাই গুটি কয়েকজন উদ্যােগে নিয়ে সফল হয়েছিলাম। ঐ সম্মেলনে আমি সর্বসম্মতিক্রমে রানীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের প্রতিষ্টাতা সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম।

 

১৯৯৮ সালে জগন্নাথপুর উপজেলা যুবলীগের কমিটিতে সহ-সভাপতি এবং ২০০২ (অথবা ২০০৩) সালের কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলাম।

 

এর পর জাতীয় নেতা আব্দুস সামাদ আজাদের মৃত্যুর পর থেকে দীর্ঘ ১৬ বছর দলীয় পদ পদবীবিহীন পথ চলেছি, তাও আবার নদীর উল্টো শ্রুতে নৌকা বেয়েছি। চলার পথে অনেক আশ্বাস, প্রতিশ্রুতি ও অনেক লোভনীয় অপারও পেয়েছি।

 

রাজনীতির যাত্রা পথের অনেক না বলা কথা মনের গহীনে জমা রয়ে গেছে। হয়তো একদিন বলে যেতে পারবো। বিগত রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম। তিন দিক থেকে পরিকল্পিত প্রার্থী দাড় করিয়ে বেরিকেড দিয়ে আমাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল।

 

বিগত উপজেলা আওয়ামীলীগের কমিটিতে জায়গা পাওয়ার কথা ছিল। কলমের খোচায় আমার নাম একজন দায়িত্বশীল ব্যাক্তি কেটে দিয়ে আরেকটি নাম যোগ করে ১০ জনের তালিকা জমা দিয়েছিলেন। ওপর প্রান্ত থেকে আসা প্রস্তাব নীতিগত কারণে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।

 

এবার সর্বশেষ রানীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হয়েছি। এবার আমি দেখতে চাই যে, দলের একজন সক্রিয় কর্মী হয়ে জীবনের ৩৬ টি বছর নিঃস্বার্থ ভাবে নিবেদিত প্রান হয়ে কাজ করেছি। সেই দল আমাকে সম্মানজনক স্বীকৃতি দেয় কি- না? দল যদি আমাকে স্বীকৃতি না দেয় বা মূল্যায়ন না করে। তাহলে ধরে নিতে হবে আমি অযোগ্য। যোগ্যতার ক্রাইটেরিয়ায় হয়তো আমি সবকিছুতেই আনফিট। আর তখন হয়তো এটাই হতে পারে আমার শান্তনা। অপরদিকে সবাই সবসময়ই যার যার অধিকার, হিস্যা, সুযোগ, সুবিধা, মূল্যায়ন, ও স্বীকৃতি পেয়ে এসেছেন, পাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তাহা অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এর ব্যাতিক্রম হয়তো শুধু মাত্র আমি।

 

লেখক: শাহীন তালুকদার: সাধারণ সম্পাদক, আব্দুস সামাদ আজাদ স্মৃতি সংসদ রানীগঞ্জ, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ, মোবাইল- ০১৭১২-৫১৬০৫১

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ