০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে ঘরেঘরে লন্ডনীর গ্রাম সৈয়য়দপুরের এক এলাকায় রাস্তার অভাবে বর্ষার মৌসুমে চলাচলের ব্যবস্থা নৌকা!

  • Update Time : ০৭:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত উপজেলা জগন্নাথপুর। উপজেলার ঘরেঘরে লন্ডনীর গ্রাম হিসেবে দেশে-বিদেশে পরিচিত সৈয়য়দপুর। গ্রামের একটি পাড়ার মানুষ বর্ষার মৌসুমে রাস্তা-সড়ক সংস্কারের অভাবে তাদের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা নৌকা।

 

 

জানাগেছে, সৈয়দপুর পুর্ব নোয়াপাড়ার রাস্তা হল সৈয়দপুর বাজারের দক্ষিণ দিক দিয়ে তেঘরি পর্যন্ত গেছে। প্রায় দুই যুগপূর্বে সৈয়দপুর বাজারের দক্ষিণ দিক থেকে নদীর পাড় হয়ে তেঘরি পর্যন্ত সড়ক- সংযোগ- রাস্তার কাজ হয়। বর্তমানে এই রাস্তাটি পরিপূর্ণ না হওয়ায় সংস্কারের অভাবে এলাকাবাসী রয়েছেন দুর্ভোগে। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন এলাকার ও অাশপাশের মানুষ যাতায়াত করেন। এবং এলাকাবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তা হয়েছে এই রাস্তা। এতে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয় এলাকার মানুষ ও বিশেষ করে স্কুল-কলেজে-মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের। সড়ক- সংযোগ পরিপূর্ণ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি নিয়ে এলাকার মানুষ চলাচল করে আসছেন। এবং বর্ষা মৌসুম (পানির দিনে) এ এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা নৌকা।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায়, সৈয়দপুর বাজারের দক্ষিণ দিক থেকে নদীর পাড় হয়ে তেঘরি পর্যন্ত সড়ক- সংযোগ- রাস্তার কাজ একালাবাসী দেশী- বিদেশীদের কাছ থেকে টাকা তুলে বেশ কিছু জায়গায় মাটি কাটিয়ে সংস্কার করেছেন। কিন্তু রাস্তাটি এখনও পাঁকাকরণ হয়নি। রাস্তাটি পরিপূর্ণ সংস্কার না থাকায় স্থানীয় এলাকাবাসীদের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণী পেশার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তা-সড়ক-সংযোগ পরিপূর্ণ না থাকায় প্রতিনিয়তই তারা পড়ছেন মহা বিপদে। বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীরা।

 

সৈয়দপুর পূর্ব নোয়াপাড়ার বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য সৈয়দ ছালিক মেম্বার জানান, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে এলাকার মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তা-সড়ক-সংযোগ পরিপূর্ণ না থাকায় আমাদের পুহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন ঝুঁকি নিয়ে। এ সড়ক- সংযোগ পরিপূর্ণ নির্মাণের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি দাবি জানান।

 

কয়েকজন শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে স্কুল-কলেজ- মাদ্রাসায় যেতে হয়। কিন্তু বর্ষা মৌসুম (পানির দিনে) ভয় লাগে। রাস্তা-সড়ক- সংযোগ না থাকায় আমাদের কষ্ঠ করে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতে হয়। আমাদের দাবি আমরা যাতে সুন্দর ভাবে পড়াশোনার জন্য বিদ্যালয়ে যেতে পারি সেজন্য যাতে সড়ক- সংযোগ পরিপূর্ণ নির্মান করা হয়।

 

 

পূর্ব নোয়াপাড়া গ্রামের কয়েকজন জানান, এ রাস্তা-সড়ক সংস্কারে তাদের পাড়ার সাবেক ইউপি সদস্য হাজি সৈয়দ ছালিক মিয়া মেম্বারকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সৈয়দপুর গ্রামের দেশি- বিদেশীদেরকে অনুরোধ করে তারা বলেন অামাদের রাস্তা-সড়ক সংস্কারে সকলের সহযোগীতা চাই।

 

বিশেষ করে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধিদের কাছে তাদের এ সড়ক সংস্কারে এগিয়ে আসার জোর দাবি জানান।

 

সৈয়দপুর পুর্ব নোয়াপাড়ার রাস্তা-সড়ক সংস্কারের উন্নয়ন কমিটির প্রধান হাজি সৈয়দ ছালিক মিয়া মেম্বারের সাথে যোগাযোগ- করার জন্য পর্ব নোয়াপাড়া রাস্তা-সড়ক-সংস্কার উন্নয়ন কমিটির পক্ষথেকে সকলকে জানানো হয়। হাজি সৈয়দ ছালিক মিয়া মেম্বারের মোবাইলঃ 01718- 183077

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে ঘরেঘরে লন্ডনীর গ্রাম সৈয়য়দপুরের এক এলাকায় রাস্তার অভাবে বর্ষার মৌসুমে চলাচলের ব্যবস্থা নৌকা!

Update Time : ০৭:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২০

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত উপজেলা জগন্নাথপুর। উপজেলার ঘরেঘরে লন্ডনীর গ্রাম হিসেবে দেশে-বিদেশে পরিচিত সৈয়য়দপুর। গ্রামের একটি পাড়ার মানুষ বর্ষার মৌসুমে রাস্তা-সড়ক সংস্কারের অভাবে তাদের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা নৌকা।

 

 

জানাগেছে, সৈয়দপুর পুর্ব নোয়াপাড়ার রাস্তা হল সৈয়দপুর বাজারের দক্ষিণ দিক দিয়ে তেঘরি পর্যন্ত গেছে। প্রায় দুই যুগপূর্বে সৈয়দপুর বাজারের দক্ষিণ দিক থেকে নদীর পাড় হয়ে তেঘরি পর্যন্ত সড়ক- সংযোগ- রাস্তার কাজ হয়। বর্তমানে এই রাস্তাটি পরিপূর্ণ না হওয়ায় সংস্কারের অভাবে এলাকাবাসী রয়েছেন দুর্ভোগে। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন এলাকার ও অাশপাশের মানুষ যাতায়াত করেন। এবং এলাকাবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তা হয়েছে এই রাস্তা। এতে বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয় এলাকার মানুষ ও বিশেষ করে স্কুল-কলেজে-মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের। সড়ক- সংযোগ পরিপূর্ণ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ঝুঁকি নিয়ে এলাকার মানুষ চলাচল করে আসছেন। এবং বর্ষা মৌসুম (পানির দিনে) এ এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র ব্যবস্থা নৌকা।

 

সরেজমিন গিয়ে দেখাযায়, সৈয়দপুর বাজারের দক্ষিণ দিক থেকে নদীর পাড় হয়ে তেঘরি পর্যন্ত সড়ক- সংযোগ- রাস্তার কাজ একালাবাসী দেশী- বিদেশীদের কাছ থেকে টাকা তুলে বেশ কিছু জায়গায় মাটি কাটিয়ে সংস্কার করেছেন। কিন্তু রাস্তাটি এখনও পাঁকাকরণ হয়নি। রাস্তাটি পরিপূর্ণ সংস্কার না থাকায় স্থানীয় এলাকাবাসীদের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণী পেশার মানুষ এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তা-সড়ক-সংযোগ পরিপূর্ণ না থাকায় প্রতিনিয়তই তারা পড়ছেন মহা বিপদে। বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীরা।

 

সৈয়দপুর পূর্ব নোয়াপাড়ার বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য সৈয়দ ছালিক মেম্বার জানান, প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে এলাকার মানুষ যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তা-সড়ক-সংযোগ পরিপূর্ণ না থাকায় আমাদের পুহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন ঝুঁকি নিয়ে। এ সড়ক- সংযোগ পরিপূর্ণ নির্মাণের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি দাবি জানান।

 

কয়েকজন শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে স্কুল-কলেজ- মাদ্রাসায় যেতে হয়। কিন্তু বর্ষা মৌসুম (পানির দিনে) ভয় লাগে। রাস্তা-সড়ক- সংযোগ না থাকায় আমাদের কষ্ঠ করে বিদ্যালয়ে যাওয়া আসা করতে হয়। আমাদের দাবি আমরা যাতে সুন্দর ভাবে পড়াশোনার জন্য বিদ্যালয়ে যেতে পারি সেজন্য যাতে সড়ক- সংযোগ পরিপূর্ণ নির্মান করা হয়।

 

 

পূর্ব নোয়াপাড়া গ্রামের কয়েকজন জানান, এ রাস্তা-সড়ক সংস্কারে তাদের পাড়ার সাবেক ইউপি সদস্য হাজি সৈয়দ ছালিক মিয়া মেম্বারকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সৈয়দপুর গ্রামের দেশি- বিদেশীদেরকে অনুরোধ করে তারা বলেন অামাদের রাস্তা-সড়ক সংস্কারে সকলের সহযোগীতা চাই।

 

বিশেষ করে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধিদের কাছে তাদের এ সড়ক সংস্কারে এগিয়ে আসার জোর দাবি জানান।

 

সৈয়দপুর পুর্ব নোয়াপাড়ার রাস্তা-সড়ক সংস্কারের উন্নয়ন কমিটির প্রধান হাজি সৈয়দ ছালিক মিয়া মেম্বারের সাথে যোগাযোগ- করার জন্য পর্ব নোয়াপাড়া রাস্তা-সড়ক-সংস্কার উন্নয়ন কমিটির পক্ষথেকে সকলকে জানানো হয়। হাজি সৈয়দ ছালিক মিয়া মেম্বারের মোবাইলঃ 01718- 183077

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ