০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‌পৃথিবী বয়স আর ১০০ বছর : স্টিফেন হকিং

  • Update Time : ০২:৫০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: পৃথিবীর দিন শেষ হয়ে এসেছে। অপেক্ষা আর ১০০ বছরের। স্পম্প্রতি বিবিসি–তে একটি তথ্যচিত্রে এমনই ভয়ংকর বাণী শোনালেন পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং।

তার দাবি, যেভাবে আবহাওয়ার বদল ঘটছে তাতে বেশিদিন আর মানুষের বসবাসের যোগ্য থাকবে না পৃথিবী। নতুন পৃথিবীর সন্ধান করতে হবে তাড়াতাড়ি। আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন, বায়ুমণ্ডলে দূষণ, মহামারী, জনসংখ্যার বিস্ফোরণ-এ সবই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি নতুন পৃথিবীর সন্ধান না পেলে মানুষের অস্তিত্ব আর সৌরমণ্ডলে থাকবে না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

বিবিসিতে দেখানো এই তথ্যচিত্রে স্টিফেন দেখিয়েছেন, কীভাবে মানুষের নিজেই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যদিও ইতিমধ্যে মঙ্গল গ্রহে প্রাণের সন্ধানে খোঁজ শুরু করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। সেখানে পাঠানো উপগ্রহ মারফত ছবিতে নদীখাতের ছবি ধরা পড়েছে।

আর এই থেকেই বিজ্ঞানীদের অনুমান, সেখানে এক সময় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। সেই অনুমান পোক্ত করতে গবেষণা জোর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যেই সেখানে বসবাসের জন্য পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে কি পৃথিবী ছেড়ে এবার মঙ্গলই হবে মানুষের নতুন ঠিকানা। সুত্র বাংলাদেশ প্রতিদিন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

‌পৃথিবী বয়স আর ১০০ বছর : স্টিফেন হকিং

Update Time : ০২:৫০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: পৃথিবীর দিন শেষ হয়ে এসেছে। অপেক্ষা আর ১০০ বছরের। স্পম্প্রতি বিবিসি–তে একটি তথ্যচিত্রে এমনই ভয়ংকর বাণী শোনালেন পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং।

তার দাবি, যেভাবে আবহাওয়ার বদল ঘটছে তাতে বেশিদিন আর মানুষের বসবাসের যোগ্য থাকবে না পৃথিবী। নতুন পৃথিবীর সন্ধান করতে হবে তাড়াতাড়ি। আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন, বায়ুমণ্ডলে দূষণ, মহামারী, জনসংখ্যার বিস্ফোরণ-এ সবই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি নতুন পৃথিবীর সন্ধান না পেলে মানুষের অস্তিত্ব আর সৌরমণ্ডলে থাকবে না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

বিবিসিতে দেখানো এই তথ্যচিত্রে স্টিফেন দেখিয়েছেন, কীভাবে মানুষের নিজেই পৃথিবীকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। যদিও ইতিমধ্যে মঙ্গল গ্রহে প্রাণের সন্ধানে খোঁজ শুরু করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। সেখানে পাঠানো উপগ্রহ মারফত ছবিতে নদীখাতের ছবি ধরা পড়েছে।

আর এই থেকেই বিজ্ঞানীদের অনুমান, সেখানে এক সময় প্রাণের অস্তিত্ব ছিল। সেই অনুমান পোক্ত করতে গবেষণা জোর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যেই সেখানে বসবাসের জন্য পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে কি পৃথিবী ছেড়ে এবার মঙ্গলই হবে মানুষের নতুন ঠিকানা। সুত্র বাংলাদেশ প্রতিদিন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ