১১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৪ বছর পর ধর্ষক গ্রেফতার: ধর্ষণে জন্ম নেয়া সন্তানের বয়স ১৩বছর

  • Update Time : ০৩:২৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিয়ানীবাজারে ১৪বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে গোলাপগঞ্জ এলাকার আছিরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত ২০০৬সালে গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে এ মামলা দায়ের হয়। মামলার পর থেকে ধর্ষক জিয়াউর রহমান (৩৬) পলাতক ছিল। সে উপজেলার মাথিউরা পশ্চিমপাড় এলাকার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।

 

জানা যায়, আসামী জিয়াউর রহমানের পরিবারে গৃহপরিচারিকার কাজ করতো ধর্ষিতা ভিকটিম। তখন ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করে সে। একসময় ভিকটিম সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়লে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনার পর থানায় মামলা হলে আত্মগোপনে চলে যায় আসামী জিয়াউর। বিয়ানীবাজার থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) রুমেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এইসআই) রতন অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন।

 

সূত্র জানায়, মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বর্তমানে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে ওই মামলা বিচারাধীন
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিল্লোল রায় জানান, মামলা দায়েরের কিছুদিন পর ভিকটিমের ঘরে ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। পরে ওই ছেলেসহ অন্যত্র তার বিয়ে হয়। ধর্ষিতার ছেলের বয়স এখন ১৩ বছর। গ্রেফতার জিয়াউর রহমানকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

১৪ বছর পর ধর্ষক গ্রেফতার: ধর্ষণে জন্ম নেয়া সন্তানের বয়স ১৩বছর

Update Time : ০৩:২৬:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুন ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের বিয়ানীবাজারে ১৪বছর পর ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে গোলাপগঞ্জ এলাকার আছিরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত ২০০৬সালে গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে এ মামলা দায়ের হয়। মামলার পর থেকে ধর্ষক জিয়াউর রহমান (৩৬) পলাতক ছিল। সে উপজেলার মাথিউরা পশ্চিমপাড় এলাকার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।

 

জানা যায়, আসামী জিয়াউর রহমানের পরিবারে গৃহপরিচারিকার কাজ করতো ধর্ষিতা ভিকটিম। তখন ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করে সে। একসময় ভিকটিম সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়লে তাকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনার পর থানায় মামলা হলে আত্মগোপনে চলে যায় আসামী জিয়াউর। বিয়ানীবাজার থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) রুমেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এইসআই) রতন অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন।

 

সূত্র জানায়, মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বর্তমানে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে ওই মামলা বিচারাধীন
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিল্লোল রায় জানান, মামলা দায়েরের কিছুদিন পর ভিকটিমের ঘরে ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। পরে ওই ছেলেসহ অন্যত্র তার বিয়ে হয়। ধর্ষিতার ছেলের বয়স এখন ১৩ বছর। গ্রেফতার জিয়াউর রহমানকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ