১১ স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে খুঁজছে পুলিশ
- Update Time : ০২:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের বেতনসহ বিভিন্ন ফি মওকুফ ও পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাইয়ে দেয়ার কথা বলে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন নওরোজ হীরা সিকদার। পরে অন্তরঙ্গ ভিডিওচিত্র ফোনে ধারণ করে সেটি দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেন। এমনকি সেটাও গোপনে ভিডিও করেন। ইন্টারনেটে গোপন ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীদের অনৈতিক সম্পর্ক রাখতে বাধ্য করতেন তিনি।
সম্প্রতি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দা নওরোজ হীরার সঙ্গে জমি নিয়ে এক প্রতিবেশীর ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তারা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় নওরোজ হীরার পকেট থেকে তার মুঠোফোন পড়ে যায়। পরে গ্রামের এক ব্যক্তি ওই মুঠোফোন কুড়িয়ে পান।
নওরোজ হীরার কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসী। তারা বলেন, নওরোজ হীরা এমন চরিত্রহীন, ভয়ংকর মানুষ সেটা আমাদের জানা ছিল না। সে একাধিক ছাত্রীকে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেছে। সে একজন সিরিয়াল ধর্ষক। অপকর্মের কারণে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।
নওরোজ হীরা বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউপির পশ্চিম ফরিদপুর গ্রামের আব্দুল খালেক সিকদারের ছেলে। হীরা দুই সন্তানের জনক। তবে একাধিক মেয়ের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কারণে কয়েক বছর আগে তার স্ত্রী তাকে তালাক দিয়েছেন।
পশ্চিম ফরিদপুর গ্রামের একাধিক বাসিন্দা জানান, নওরোজ হীরা নিজেকে উচ্চ শিক্ষিত এবং সাংবাদিক বলে পরিচয় দিতেন। শুধু তাই নয় নিজেকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা হিসেবেও পরিচয় দিতেন।
ওই সময় হাসপাতালের এক নার্সের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের প্রলোভনে মেলামেশা করেন। পরবর্তীতে ওই নার্সের স্বজনদের চাপে পড়ে তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হন নওরোজ হীরা। কয়েক বছর পর বিয়ের কথা গোপন করে এক তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন।
একপর্যায়ে ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী তাকে ধরে মাথা ন্যাড়া করে দেন। অপকর্মের কারণে স্ত্রীও তাকে তালাক দেন। এরপর গ্রামে ফিরে আসেন নওরোজ হীরা। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে ১১ ছাত্রীকে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেছেন নওরোজ হীরা। সম্প্রতি তার ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে পড়লে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি।





























