০৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাফিজ মাওলানা সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

  • Update Time : ১২:২৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: হযরত মাওলানা হাফিজ শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী।

 
হাফেজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রহঃ

 

 

জন্ম ও বংশ: তিনি ০১-০৯-১৯৬৩ ইং সনে বরকতময় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি ঐতিহাসিক সৈয়দপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী আলেমপরিবারের ইলমী উজ্জ্বল বংশের কৃতিসন্তান। তিনি হযরত শাহজালাল রহ. এর অন্যতম সফর সঙ্গী আওলাদে রাসুল হযরত শাহ উমর সমরকন্দী রহ. এর বংশধর যার মাকবারা সিলেটের মানীক পীরের টিলায় অবস্থিত। সৈয়দপুর আলিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা সৈয়দ এমদাদ আলী রহ. তাহার পইরদাদা। শাইখুল আরব ওয়াল আজম শায়খুল ইসলাম হযরত হুসাইন আহমদ মদনী রহ. এর শীর্ষ খলিফা ও আল্লামা গহরপুরি রহ.এর শশুর এবং সৈয়দপুর দারুল হাদিস মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খ সৈয়দ আব্দুল খালিক রহ. এর পৌত্র’ সুযোগ্য নাতি।

 

 
ওলিয়ে যামান আল্লামা লুতফুর রহমান শায়খে বর্ণভী রহ. এর খলিফা এবং সৈয়দপুর দারুল হাদিস মাদ্রাসার সাবেক মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ আবু সাইদ রহ. এর পুত্র (সাহেবজাদা)।

 

 

 

হাফেজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ (রহ.) এর শিক্ষাজীবন:

 

 
হযরতের শিক্ষা জীবন শুরু হয় পারিবারিক ইলমী পরিবেশ সৃষ্ট থাকায় ছোট বেলা থেকেই নিজ দাদার প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর টাইটেল মাদরাসায়
শুরু থেকে সেখানে মখতছরুল মায়ানী পর্যন্ত লেখা পড়া করেন। অতপর আপন ফুফা আল্লামা গহরপুরী হুজুরের ফয়েজ ও বারাকাতের আশায় চলেযান গহরপুর মাদ্রাসায় সেখানেই তাকমীল ফিল হাদিস শেষ করেন।

 

 
পরবর্তিতে বিভিন্ন ফনোনাতের উপর উচ্চতর ডিগ্রি হাসিল করেন দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারীতে।

 

 

 

কর্মময়জীবন:

 
লেখাপড়া যখন শেষ করলেন তখন তাহার হুসনে আখলাক এবং ইলমের ফখরতা দেখে তাহার নীজগ্রাম ও নিজ দাদার প্রতিষ্ঠিত সৈয়দপুর টাইটেল মাদ্রাসায় সাধারন শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

 
অল্পদিনে তাহার দক্ষতা ও ইলমী হাইসিয়ত বিবেচনা করে মুহাদ্দিস হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়, পরবর্তিতে নাজিমে তালীমাতের দায়িত্ব, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেইসব দায়িত্ব ণিষ্ঠার সাথে আন্জাম দিয়েগেছেন। হযরত দীর্ঘদিন সৈয়দপুর মাদরাসা মসজিদ সৈয়দপুর শাহ শামসদ্দিন রহ. দরগাহ মসজিদ ও সৈয়দপুর উপশহর মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতীব ছিলেন।

 

 
হাফিজ মাওলানা সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রহ. ৫৫ বছরের সল্প হায়াতে জিন্দেগিতে দীর্ঘ ২৮ বছর মাদরাসায় দ্বীনি খেদমত করেছেন, যার সুবাদেই হাজার হাজার ছাত্র ইলমী ফায়দা লাভ করেছেন,
উস্তাদ হিসাবে তিনি একজন আদর্শ উস্তাদ ছিলেন।
এলাকায় দীর্ঘ ২০ বছর বিভিন্ন মসজিদে ইমামতী করেন, ইমাম হিসাবে তিনি একজন আদর্শ ইমাম ছিলেন।

 

 
তিনি একজন দক্ষ হাফিজে কুরআন ছিলেন ৪০ বছরের উর্ধে তিনি খতমে তারাবী পড়িয়েছেন, একজীবন তিনি একাকি তারাবী পড়ান, দুই যুগেরও বেশি ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ করেছেন, এলাকায় তিনি একজন সুষ্ঠ ও সার্থক খতিব ছিলেন, ১০ বার পবিত্র হজ্ব পালন করেছেন। অনেক ব্যক্তিত্ব থাকার পরেও নিজেকে নিয়ে অহংকার করতেন না, সাদাসিধে জিন্দেগানি কাটিয়েছেন।

 

 

 

হাফেজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রঃ ছিলেন, পীরে যমান মুরর্শিদে কামীল শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা শায়খ খলিলুর রহমান বর্ণভী (দাঃবাঃ) সাহেবের অত্যান্ত প্রিয়ভাজন খলিফা। তার আদরের ছোটভাই (রচডেল লন্ডন প্রবাসী) হাফিজ মাওলানা সৈয়দ জুনায়েদ আহমেদ সাহেব ও হযরতের প্রিয়ভাজন।

 

 
শায়খ ফুজায়েল আহমদ রহ. শুধু গুমনাম সখছিয়ত ছিলেননা যখন দেখতেন ঈমান ও ইসলামের উপর আঘাত আসছে তখন থাকতেন বীর বেশে রাজপথে সবার আগে প্রতিবাদ জানাতে, রাজনৈতিক ভাবে আকাবির ও আসলাফের সংগঠন জমিয়তের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। আন্দোলন সংগ্রামে একজন অভিভাবক ছিলেন, ১৯৯৪ সালে তাসলীমা নাছরীন বিরোধী আন্দোলনে জগন্নাথপুরে হরতালে অংশ গ্রহণ করে নেতৃত্ব দেন, ২০১৩ সালে হেফাজতের ঐতিহাসিক অবরোধে হযরতের নেতৃত্বে সৈয়দপুর থেকে বিশাল কাফেলা ঢাকায় অংশ গ্রহণ করেন, ২০১৪ সালে লতিফ কাজ্জাবীর হজ্ব নিয়ে বিরোধিতা করায় সৈয়দপুরে তাৎক্ষণিক আন্দোলন তারাই নেতৃত্বে হয়েছিল। সমাজে ইসলামী পরিবেশ নববী আদর্শ বিস্তার করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন, এছাড়াও অনেক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

 

 

 

মৃত্যের কিছুদিন আগে অসুস্থ হয়ে পরলে,
জীবনের শেষ রমজানে এসে সুস্থ হয়ে যান,
রমজানে ভালভাবে রোজা তারাবী তাহাজ্জুদ সহ বিভিন্ন আমলে অন্যন্য বছরের চেয়ে ভাল সময় ব্যায় করেন, জীবনের শেষ দিন ফজরের নামাজ আদায় করেন ঐদিন ১ জুলাই শনিবার সকাল ৯ টায় মাওলার ডাকে সারাদিয়ে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে আদরের একভাই তিনবোন, স্ত্রী ও ৫ ছেলে ৫ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী একজন দক্ষ হাফিজ, বিজ্ঞ আলেম, আদর্শিক পুরুষ, নিরলস খাদেম, আল্লাহ ওয়ালা বুযোর্গ হারিয়েছে।

 

 

মৃত্যুর দিন শনিবার বাদ আসর সৈয়দপুর মাদরাসা ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার আলেম হাফিজ ভক্ত শিষ্যদের উপস্থিতিতে মরহুমের বড় ছেলে হাফিজ মাওলানা সৈয়দ সুহাইল আহমদ জানাজার ইমামতী করেন, পরে দাদা বাবা মা’র পাশে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

 

 

এক কথায় বলতে গেলে হযরতের উর্ধতন পুর্ব পুরুষের কারনে অত্র এলাকায় আলেম উলামা-পীর মাশায়েখ। মসজিদ-মাদ্রাসা। সৈয়দপুর আলিয়া ও টাইটেল মাদ্রাসাসহ দ্বীনের বহুবীদ প্রচার এবং
প্রসার ঘটে।

 

 

 

আল্লাহ পাক যেন হযরতকে জান্নাতের মেহমান বানিয়ে নেন এবং তাহার পরিবার পরিজনকে নিমাল বদল ও ছবরে জামিল দান করেন। হযরতের আদরের ছোট ভাই হাফিজ মাওলানা সৈয়দ জুনায়েদ আহমদ সাহেবকে তাহার রেখে যাওয়া কাজ আন্জাম দেওয়ার তাউফিক দান করেন অামীন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

হাফিজ মাওলানা সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

Update Time : ১২:২৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুলাই ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা :: হযরত মাওলানা হাফিজ শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রঃ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী।

 
হাফেজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রহঃ

 

 

জন্ম ও বংশ: তিনি ০১-০৯-১৯৬৩ ইং সনে বরকতময় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, তিনি ঐতিহাসিক সৈয়দপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী আলেমপরিবারের ইলমী উজ্জ্বল বংশের কৃতিসন্তান। তিনি হযরত শাহজালাল রহ. এর অন্যতম সফর সঙ্গী আওলাদে রাসুল হযরত শাহ উমর সমরকন্দী রহ. এর বংশধর যার মাকবারা সিলেটের মানীক পীরের টিলায় অবস্থিত। সৈয়দপুর আলিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা সৈয়দ এমদাদ আলী রহ. তাহার পইরদাদা। শাইখুল আরব ওয়াল আজম শায়খুল ইসলাম হযরত হুসাইন আহমদ মদনী রহ. এর শীর্ষ খলিফা ও আল্লামা গহরপুরি রহ.এর শশুর এবং সৈয়দপুর দারুল হাদিস মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শায়খ সৈয়দ আব্দুল খালিক রহ. এর পৌত্র’ সুযোগ্য নাতি।

 

 
ওলিয়ে যামান আল্লামা লুতফুর রহমান শায়খে বর্ণভী রহ. এর খলিফা এবং সৈয়দপুর দারুল হাদিস মাদ্রাসার সাবেক মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ আবু সাইদ রহ. এর পুত্র (সাহেবজাদা)।

 

 

 

হাফেজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ (রহ.) এর শিক্ষাজীবন:

 

 
হযরতের শিক্ষা জীবন শুরু হয় পারিবারিক ইলমী পরিবেশ সৃষ্ট থাকায় ছোট বেলা থেকেই নিজ দাদার প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর টাইটেল মাদরাসায়
শুরু থেকে সেখানে মখতছরুল মায়ানী পর্যন্ত লেখা পড়া করেন। অতপর আপন ফুফা আল্লামা গহরপুরী হুজুরের ফয়েজ ও বারাকাতের আশায় চলেযান গহরপুর মাদ্রাসায় সেখানেই তাকমীল ফিল হাদিস শেষ করেন।

 

 
পরবর্তিতে বিভিন্ন ফনোনাতের উপর উচ্চতর ডিগ্রি হাসিল করেন দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারীতে।

 

 

 

কর্মময়জীবন:

 
লেখাপড়া যখন শেষ করলেন তখন তাহার হুসনে আখলাক এবং ইলমের ফখরতা দেখে তাহার নীজগ্রাম ও নিজ দাদার প্রতিষ্ঠিত সৈয়দপুর টাইটেল মাদ্রাসায় সাধারন শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

 
অল্পদিনে তাহার দক্ষতা ও ইলমী হাইসিয়ত বিবেচনা করে মুহাদ্দিস হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়, পরবর্তিতে নাজিমে তালীমাতের দায়িত্ব, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেইসব দায়িত্ব ণিষ্ঠার সাথে আন্জাম দিয়েগেছেন। হযরত দীর্ঘদিন সৈয়দপুর মাদরাসা মসজিদ সৈয়দপুর শাহ শামসদ্দিন রহ. দরগাহ মসজিদ ও সৈয়দপুর উপশহর মসজিদের সাবেক ইমাম ও খতীব ছিলেন।

 

 
হাফিজ মাওলানা সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রহ. ৫৫ বছরের সল্প হায়াতে জিন্দেগিতে দীর্ঘ ২৮ বছর মাদরাসায় দ্বীনি খেদমত করেছেন, যার সুবাদেই হাজার হাজার ছাত্র ইলমী ফায়দা লাভ করেছেন,
উস্তাদ হিসাবে তিনি একজন আদর্শ উস্তাদ ছিলেন।
এলাকায় দীর্ঘ ২০ বছর বিভিন্ন মসজিদে ইমামতী করেন, ইমাম হিসাবে তিনি একজন আদর্শ ইমাম ছিলেন।

 

 
তিনি একজন দক্ষ হাফিজে কুরআন ছিলেন ৪০ বছরের উর্ধে তিনি খতমে তারাবী পড়িয়েছেন, একজীবন তিনি একাকি তারাবী পড়ান, দুই যুগেরও বেশি ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ করেছেন, এলাকায় তিনি একজন সুষ্ঠ ও সার্থক খতিব ছিলেন, ১০ বার পবিত্র হজ্ব পালন করেছেন। অনেক ব্যক্তিত্ব থাকার পরেও নিজেকে নিয়ে অহংকার করতেন না, সাদাসিধে জিন্দেগানি কাটিয়েছেন।

 

 

 

হাফেজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ রঃ ছিলেন, পীরে যমান মুরর্শিদে কামীল শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা শায়খ খলিলুর রহমান বর্ণভী (দাঃবাঃ) সাহেবের অত্যান্ত প্রিয়ভাজন খলিফা। তার আদরের ছোটভাই (রচডেল লন্ডন প্রবাসী) হাফিজ মাওলানা সৈয়দ জুনায়েদ আহমেদ সাহেব ও হযরতের প্রিয়ভাজন।

 

 
শায়খ ফুজায়েল আহমদ রহ. শুধু গুমনাম সখছিয়ত ছিলেননা যখন দেখতেন ঈমান ও ইসলামের উপর আঘাত আসছে তখন থাকতেন বীর বেশে রাজপথে সবার আগে প্রতিবাদ জানাতে, রাজনৈতিক ভাবে আকাবির ও আসলাফের সংগঠন জমিয়তের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। আন্দোলন সংগ্রামে একজন অভিভাবক ছিলেন, ১৯৯৪ সালে তাসলীমা নাছরীন বিরোধী আন্দোলনে জগন্নাথপুরে হরতালে অংশ গ্রহণ করে নেতৃত্ব দেন, ২০১৩ সালে হেফাজতের ঐতিহাসিক অবরোধে হযরতের নেতৃত্বে সৈয়দপুর থেকে বিশাল কাফেলা ঢাকায় অংশ গ্রহণ করেন, ২০১৪ সালে লতিফ কাজ্জাবীর হজ্ব নিয়ে বিরোধিতা করায় সৈয়দপুরে তাৎক্ষণিক আন্দোলন তারাই নেতৃত্বে হয়েছিল। সমাজে ইসলামী পরিবেশ নববী আদর্শ বিস্তার করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন, এছাড়াও অনেক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

 

 

 

মৃত্যের কিছুদিন আগে অসুস্থ হয়ে পরলে,
জীবনের শেষ রমজানে এসে সুস্থ হয়ে যান,
রমজানে ভালভাবে রোজা তারাবী তাহাজ্জুদ সহ বিভিন্ন আমলে অন্যন্য বছরের চেয়ে ভাল সময় ব্যায় করেন, জীবনের শেষ দিন ফজরের নামাজ আদায় করেন ঐদিন ১ জুলাই শনিবার সকাল ৯ টায় মাওলার ডাকে সারাদিয়ে পরলোক গমন করেন। মৃত্যুকালে আদরের একভাই তিনবোন, স্ত্রী ও ৫ ছেলে ৫ মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান। তার মৃত্যুতে এলাকাবাসী একজন দক্ষ হাফিজ, বিজ্ঞ আলেম, আদর্শিক পুরুষ, নিরলস খাদেম, আল্লাহ ওয়ালা বুযোর্গ হারিয়েছে।

 

 

মৃত্যুর দিন শনিবার বাদ আসর সৈয়দপুর মাদরাসা ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার আলেম হাফিজ ভক্ত শিষ্যদের উপস্থিতিতে মরহুমের বড় ছেলে হাফিজ মাওলানা সৈয়দ সুহাইল আহমদ জানাজার ইমামতী করেন, পরে দাদা বাবা মা’র পাশে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

 

 

এক কথায় বলতে গেলে হযরতের উর্ধতন পুর্ব পুরুষের কারনে অত্র এলাকায় আলেম উলামা-পীর মাশায়েখ। মসজিদ-মাদ্রাসা। সৈয়দপুর আলিয়া ও টাইটেল মাদ্রাসাসহ দ্বীনের বহুবীদ প্রচার এবং
প্রসার ঘটে।

 

 

 

আল্লাহ পাক যেন হযরতকে জান্নাতের মেহমান বানিয়ে নেন এবং তাহার পরিবার পরিজনকে নিমাল বদল ও ছবরে জামিল দান করেন। হযরতের আদরের ছোট ভাই হাফিজ মাওলানা সৈয়দ জুনায়েদ আহমদ সাহেবকে তাহার রেখে যাওয়া কাজ আন্জাম দেওয়ার তাউফিক দান করেন অামীন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ