হাদিস অনুযায়ী ৭০ টি রোগের উপকার
- Update Time : ১১:১৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
“খালি পেটে জল, ভরা পেটে ফল” স্বাস্থের জন্য বড়ই উপকারী। এ টা রাসুল ( সা:) এর সুন্নাহ ও বটে। আপনি সুন্নাহ হিসেবে মানুন এতে সওয়াব ও হবে, স্বাস্হ্যের ও উপকার হবে। আর রাসুল (সা:) আরেক টি সুন্নাহ হল – “খাওয়ার আগে ও পরে মুখে একটু কাঁচা লবন দেয়া” এতে করে খাওয়ার রুচি বাড়ে। হাদিস অনুযায়ী ৭০ টি রোগের উপকার হয়।
তবে যাদের হাই ব্লাড পেশার তারা কাঁচা লবন না খাওয়াই ভাল। আর যদি খেতে চান ৩/৪ টুকরো লবন খাওয়ার শুরুতে মুখে দেবেন । পরিমান যাতে বেশী না হয়। রাতে খাওয়ার পর হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। যারা রাতে খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়েন তাদের পেটে মেদ জমে বেশী। রাসুল (সা) ইশার নামাজের পর ঘুমিয়ে যেতেন। ইশার নামাজের পর কারো সাথে কথাবলা পছন্দ করতেন না, বরং ঘুমিয়ে পড়তেন। প্রশ্ন হলো রাসুল সা: যদি ইশার নামাজ পডে ঘুমিয়ে পড়েন তাহলে ওনি রাতের খাবার কখন খেতেন? সাহাবীরা ও একি আমল করতেন। হাঁ রাসুল (সা:) ও সাবাহায়ে কেরাম মাগরিবের নামাজ পড়ে রাতের খাবার খেয়ে ফেলতেন। এরপর একটু বিশ্রাম নিয়ে হাঁটতে হাঁতে ইশার নামাজ পড়তে মসজিদে যেতেন। এতে করে রাতে খাবারের পর হাঁটার কারনে সাহাবীদের ব্যায়াম হয়ে যেত, নামাজের মাধ্যমে ব্যায়াম হত। তিব্বে হাবিবি বইতে একটি হাদীস টা হলো এ রকম ” রাসুল সা: সাহাবীদের কমপক্ষে ৪০ কদম না হেটে রাতে বিছানার যেতে নিষেধ করেন” বর্তমান মেডিকেল সাইন্স ও রাতে খাওয়ার পর হাঁটতে বলেন। এতে করে ক্যালরি বার্ন হয়, খাবার হজম হয়। রাতে খাওয়ার পর ২০ মিনিট হাঁটা অন্য
সময় ১ ঘন্টা হাঁটার সমান।
রাতে ঘুমানোর পূর্বে পানি খাওয়া, পানির পাতিল ডেকে রাখা রাসুলুল্লাহ (সা:) এর সুন্নাহ. ঘুমানোর পূর্বে পানি খেলে কোষ্ট পরিষ্কার থাকে। রাসুল (সা:) ও সাবাহায়ে কেরাম ফজরের নামাজ পড়ার জন্য হেঁটে হেটে মসজিদে যেতেন। এ সময় পবিত্র বাতাস গায়ে লাগতে। সকাল বেলার বাতাস টা স্বাস্থের জন্যখুব উপকারী । এ সময় বাতাস বেশি বিশুদ্ধ থাকে। ফজর এর নামাজ পড়ো ওনারা বসে থাকতেন সুর্য উঠা পর্যন্ত। সুর্য উঠার পর ৪ রাকাত ইশরাক নামাজ পড়ে হাঁটতে বের হতেন, মানুষের খোঁজ খবর নিতেন। আর আপনারা জানেন সকাল বেলার সুর্য তাপ বা আলো শরীরের জন্য খুব উপকারী। এনসময় সুর্যের তাপে ভিটামিন ডি বেশী থাকে। যে সকল রোগীর ভিটামিন ডি এর অভার ডা: তাদের কে সকালে সুর্যের আলোতে হাঁটতে বলেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে হাঁটলে মন ফুরফুরে থাকে। একটা বিষয় খেয়াল করলে দেখতে পাবেন – যারা ফজরের নামাজ মসজিদে গিয়ে পড়ে তাদের ডায়েবেটিক কম, শরীরে রোগ ব্যাধি কম। কারন নামাজের কারনে তাদের ব্যায়াম ও হাঁটা হয়। আজ মানুষ নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যেতে চায় না বিশেষত ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠতে চায় না, তাই আল্লাহ ডায়াবেটিস রোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষ নামাজ পড়তে না উঠলেও রোগের কারনে হাঁটার জন্য উঠতে বাধ্য হন। আরেকটি জিনিস খেয়াল করবেন – আগে সানুষ কষ্টকরে দাডিয়ে নামাজ পড়তেন , রুকু সিজদা সঠিক ভাবে করতেন তাই কোমর ও হাঁটুর ব্যাথার রোগী কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে মানুষ কষ্ট করতে চায়না । নামাজ পডতে চান না। পডলে ও চেয়ারে বসে নামাজ পডে, এজন্য
কোমর ও হাঁটুর ব্যাথার রোগী দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।কারন নামাজের কারনে হাঁটুর ও কোমরের ব্যায়াম হতো।
বর্তমানে মানুষ অলসতা ও নামাজ না পড়ার কারনে রোগ বেড়ে যাচ্ছে। “একবার রাসুল (সা:) এক জন চিকিৎসক পাঠালেন কোন একস্থানে । চিকিৎসক
কিছু দিন থেকে কোন রোগী পেলেন না, তিনি রাসুল (সা) এর কাছে আবেদন করলেন ইয়ারাসুলুল্লাহ্ আপনি আমাকে ফেরত নিয়ে আসুন, আপনি আমাকে এমন এক স্থানে পাঠালেন যেখানে কোন
রোগীই নেই। তখন রাসুল (সা:) বললেন – নিশ্চয় ঐ স্থানের লোক জন পেট কে তিন ভাগ করে খায়। ১ ভাগ খাদ্য দ্বারা, ১ ভাগ পানি দ্বারা, ১ ভাগ খালি
রাখেন। এ জন্যই তাদের চিকিৎসার দরকার হচ্ছে না”। আসুন আমরা নাবীর সুন্নাহ মেনে চলি, সুস্থতার সাথে জীবন কাটাই।



















