০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘হরতালে বাধা দিলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে’ : হেফাজত

  • Update Time : ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: আগামীকাল রোববার ডাকা হরতালে বাধা দিলে সরকার পতনের আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ফজলুল করিম কাসেমী। শনিবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ হুশিয়ারি দেন। ফজলুল করিম কাসেমী বলেন, মোদির সফরকে কেন্দ্র করে ‘শহীদ’দের রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছে। হরতালে বাধা দিলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। সমাবেশে ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হক বলেন, মসজিদে ঢুকে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। হেলমেট বাহিনী মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছে। রাজপথে নেমে এলে হেলমেট বাহিনী পালানোর পথ পাবে না। হেলমেট বাহিনীকে আশ্রয় দিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগরের সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, ‘আগামীকাল মাঠে থাকব। গাড়ির চাকা ঘুরবে না। অফিস–আদালত বন্ধ থাকবে।’ বিক্ষোভ কর্মসূচির সভাপতি হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণ হরতালে বাধা দিলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর পাশের সিঁড়িতে অবস্থান নেন। দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে শুক্রবার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশ, সরকারি দলের ছাত্র-যুব-স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে হাটহাজারীতে চারজন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন নিহত হন। আহত হন দেড় শতাধিক।

হতাহতের প্রতিবাদে আজ সারা দেশে বিক্ষোভ এবং রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

‘হরতালে বাধা দিলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে’ : হেফাজত

Update Time : ০৪:১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মার্চ ২০২১

ডেস্ক রিপোর্ট :: আগামীকাল রোববার ডাকা হরতালে বাধা দিলে সরকার পতনের আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ফজলুল করিম কাসেমী। শনিবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ হুশিয়ারি দেন। ফজলুল করিম কাসেমী বলেন, মোদির সফরকে কেন্দ্র করে ‘শহীদ’দের রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছে। হরতালে বাধা দিলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। সমাবেশে ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হক বলেন, মসজিদে ঢুকে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। হেলমেট বাহিনী মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছে। রাজপথে নেমে এলে হেলমেট বাহিনী পালানোর পথ পাবে না। হেলমেট বাহিনীকে আশ্রয় দিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগরের সভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব বলেন, ‘আগামীকাল মাঠে থাকব। গাড়ির চাকা ঘুরবে না। অফিস–আদালত বন্ধ থাকবে।’ বিক্ষোভ কর্মসূচির সভাপতি হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণ হরতালে বাধা দিলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর পাশের সিঁড়িতে অবস্থান নেন। দুপুর ১২টায় বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে শুক্রবার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশ, সরকারি দলের ছাত্র-যুব-স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে হাটহাজারীতে চারজন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন নিহত হন। আহত হন দেড় শতাধিক।

হতাহতের প্রতিবাদে আজ সারা দেশে বিক্ষোভ এবং রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ