০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সড়ক সংস্কারের ১০ দিনেই আবারও উঠে পড়ল কার্পেটিং

  • Update Time : ০২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: নতুন সড়ক পুনরায় সংস্কার করার ১০ দিনের মাথায় আবারও উঠে পড়েছে কার্পেটিং। বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে কিশোরগঞ্জ থেকে ভিন্নজগত সড়কের। এর আগে এই সড়ক সংস্কারের সাত দিন পরই বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিংয়ে ফাটল ধরা পড়ে। সড়কে কাজ করার পর সপ্তাহ না যেতেই কার্পেটিংয়ে ফাটল দেখা দেওয়ার ঘটনায় যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঠিকাদার পুনরায় সড়কটি মেরামত করে দেয়। এর ১০ দিন না যেতেই আবারও কার্পেটিং ওঠা শুরু করে সড়কে। নিম্নমানের উপকরণের ব্যবহার ও তদারকি কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে এমনটি হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সরেজমিন জানা যায়, চলতি অর্থবছরে ভিন্নজগত সড়কের রাজিব ক্যানেলের ব্রিজ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের টেন্ডার হয়। ৯৯ লাখ ৩ হাজার টাকা চুক্তিমূলে নীলফামারীর তাসিন কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। তদারকি কর্মকতার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যেনতেনভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। ফলে মুশা কমিউনিটি ক্লিনিক মোড়সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে সড়কের কার্পেটিং ফাটল ধরে উঠে যায়। কয়েক সপ্তাহ পর ঠিকাদার ওই মোড়ের দুই পাশে উঁচু বিট দিয়ে সড়কটি পুনরায় মেরামত করে দিলে আবারও পূর্বের অবস্থার সৃষ্টি হয়। ওই সড়কসংলগ্ন মুশা গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কাজ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর সড়কের কার্পেটিং উঠে পড়েছিল। পুনরায় যেনতেন করে সংস্কার করে দেওয়ায় এখন আগের চেয়ে বেশি ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকাদার ও তদারকি কর্মকর্তার গাফিলতির কারণেই এমনটি হয়েছে। ওই সড়ক সংস্কারকাজের তদারকি কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জ এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী জগোবন্ধু রায় সংস্কারকাজে গাফিলতির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ওই স্থানে সড়কটি একাধিকবার মেরামতের পরও কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এটিতে কারিগরি বিদ্যা শেষ, এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে কাজ করা হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে ঠিকাদার মোজাফ্ফার হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মিটিংয়ে আছি, এ বিষয়ে পরে কথা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সড়ক সংস্কারের ১০ দিনেই আবারও উঠে পড়ল কার্পেটিং

Update Time : ০২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: নতুন সড়ক পুনরায় সংস্কার করার ১০ দিনের মাথায় আবারও উঠে পড়েছে কার্পেটিং। বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে কিশোরগঞ্জ থেকে ভিন্নজগত সড়কের। এর আগে এই সড়ক সংস্কারের সাত দিন পরই বিভিন্ন স্থানের কার্পেটিংয়ে ফাটল ধরা পড়ে। সড়কে কাজ করার পর সপ্তাহ না যেতেই কার্পেটিংয়ে ফাটল দেখা দেওয়ার ঘটনায় যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ঠিকাদার পুনরায় সড়কটি মেরামত করে দেয়। এর ১০ দিন না যেতেই আবারও কার্পেটিং ওঠা শুরু করে সড়কে। নিম্নমানের উপকরণের ব্যবহার ও তদারকি কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে এমনটি হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সরেজমিন জানা যায়, চলতি অর্থবছরে ভিন্নজগত সড়কের রাজিব ক্যানেলের ব্রিজ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের টেন্ডার হয়। ৯৯ লাখ ৩ হাজার টাকা চুক্তিমূলে নীলফামারীর তাসিন কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পায়। তদারকি কর্মকতার যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যেনতেনভাবে কাজ সম্পন্ন করেন। ফলে মুশা কমিউনিটি ক্লিনিক মোড়সংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে সড়কের কার্পেটিং ফাটল ধরে উঠে যায়। কয়েক সপ্তাহ পর ঠিকাদার ওই মোড়ের দুই পাশে উঁচু বিট দিয়ে সড়কটি পুনরায় মেরামত করে দিলে আবারও পূর্বের অবস্থার সৃষ্টি হয়। ওই সড়কসংলগ্ন মুশা গ্রামের বাসিন্দারা জানান, কাজ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর সড়কের কার্পেটিং উঠে পড়েছিল। পুনরায় যেনতেন করে সংস্কার করে দেওয়ায় এখন আগের চেয়ে বেশি ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। ঠিকাদার ও তদারকি কর্মকর্তার গাফিলতির কারণেই এমনটি হয়েছে। ওই সড়ক সংস্কারকাজের তদারকি কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জ এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী জগোবন্ধু রায় সংস্কারকাজে গাফিলতির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ওই স্থানে সড়কটি একাধিকবার মেরামতের পরও কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এটিতে কারিগরি বিদ্যা শেষ, এখন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে কাজ করা হবে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে ঠিকাদার মোজাফ্ফার হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মিটিংয়ে আছি, এ বিষয়ে পরে কথা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ