০৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী : শাহ মোঃ সফিনূর

  • Update Time : ০৪:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের বাস্তব রণকৌশলের প্রতিচ্ছবি নিয়ে যদি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করা হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের ৫০ বছর পর এসে যখন স্বাধীনতার হিসাব খুঁজি কি পেলাম আমরা পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে।স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন এই সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিক দল মান অভিমান করে একদল অন্য দলকে যুদ্ধপরাধী বলে গালি দেয়। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কে আমরা মূল্যায়ন করি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যেভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল অন্যদের অবদানও কম ছিলনা। যেমন মাওলানা ভাসানীর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীর প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ নাম। রণাঙ্গনের যুদ্ধক্ষেত্রেই সর্বাধিক ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন যারা।মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে যার নেতৃত্বে স্বাধীনবাংলা বিশ্ববাসী দেখল রণাঙ্গনে কলা-কৌশল এমনভাবে করেছিলেন পাকবাহিনী লেজ গুটিয়ে পালাবার রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধার দল বলে দাবি করি অথচ দেশবাসী কখনো রণাঙ্গনের সর্বাধিনায়ক বাংলাদেশ সরকারের যুদ্ধকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে রাষ্ট্রীয় ভাবে কর্মসূচি দেওয়ায হয়না। টিক চট্টগ্রাম কালুরঘাট থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান কে নিয়ে সর্বদলীয় ভাবে কোনো কর্মসূচি করতে দেখা যায়নি। মুক্তিযুদ্ধের ১১সেক্টর দায়িত্বে যারা ছিলেন তাদের নামে রাজধানীর যদি সাজানো হয়। তাহলে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস দেশবাসী জানবে। সেক্টর কমান্ডারদের বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস দেশবাসীর সামনে তুলে ধরলে যেমন হাস্যকর হবে। বর্তমান সময়ে এবং নতুন প্রজন্মের সামনে যদি সঠিক ইতিহাস তুলে ধরো না হয় তাহলে সোনার বাংলাদেশ দুর্নীতিতে মহামারী আকার ধারণ করবে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে যদি সঠিক ইতিহাস জানতে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়।কখনো স্বাধীনতার সুফল বয়ে আনবে না যদি ইতিহাস বিকৃতি করা হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যদি ধ্বংস করার জন্য কোন ধরনের চেষ্টা করা হয় তাহলে একদিন নতুন প্রজন্ম জেগে উঠবে এবং আবার যুদ্ধ করতে দ্বিধাবোধ করবে না কারণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল এখানে কোন ধরনের হানাহানি হবেনা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হবে মানুষ তার ভাষা নিজের ইচ্ছা মত প্রকাশ করবেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী তখন সফল হবে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঠিকভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে সাধারণ নাগরিকের অধিকার যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি সকল নাগরিক সমান ভাবে ভোগ করবে। সংবিধানে এ অধ্যায়ের শুরুতেই ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না। আর যদি করা হয়, তবে তা বাতিল হয়ে যাবে। স্বাধীনতা সুফল সেই দিন আমরা সফল পাব।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী : শাহ মোঃ সফিনূর

Update Time : ০৪:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মার্চ ২০২১

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের বাস্তব রণকৌশলের প্রতিচ্ছবি নিয়ে যদি স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করা হয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের ৫০ বছর পর এসে যখন স্বাধীনতার হিসাব খুঁজি কি পেলাম আমরা পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে।স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যখন বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন এই সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিক দল মান অভিমান করে একদল অন্য দলকে যুদ্ধপরাধী বলে গালি দেয়। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কে আমরা মূল্যায়ন করি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে যেভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল অন্যদের অবদানও কম ছিলনা। যেমন মাওলানা ভাসানীর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীর প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ নাম। রণাঙ্গনের যুদ্ধক্ষেত্রেই সর্বাধিক ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন যারা।মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে যার নেতৃত্বে স্বাধীনবাংলা বিশ্ববাসী দেখল রণাঙ্গনে কলা-কৌশল এমনভাবে করেছিলেন পাকবাহিনী লেজ গুটিয়ে পালাবার রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধার দল বলে দাবি করি অথচ দেশবাসী কখনো রণাঙ্গনের সর্বাধিনায়ক বাংলাদেশ সরকারের যুদ্ধকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে রাষ্ট্রীয় ভাবে কর্মসূচি দেওয়ায হয়না। টিক চট্টগ্রাম কালুরঘাট থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান কে নিয়ে সর্বদলীয় ভাবে কোনো কর্মসূচি করতে দেখা যায়নি। মুক্তিযুদ্ধের ১১সেক্টর দায়িত্বে যারা ছিলেন তাদের নামে রাজধানীর যদি সাজানো হয়। তাহলে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস দেশবাসী জানবে। সেক্টর কমান্ডারদের বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস দেশবাসীর সামনে তুলে ধরলে যেমন হাস্যকর হবে। বর্তমান সময়ে এবং নতুন প্রজন্মের সামনে যদি সঠিক ইতিহাস তুলে ধরো না হয় তাহলে সোনার বাংলাদেশ দুর্নীতিতে মহামারী আকার ধারণ করবে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে যদি সঠিক ইতিহাস জানতে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়।কখনো স্বাধীনতার সুফল বয়ে আনবে না যদি ইতিহাস বিকৃতি করা হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যদি ধ্বংস করার জন্য কোন ধরনের চেষ্টা করা হয় তাহলে একদিন নতুন প্রজন্ম জেগে উঠবে এবং আবার যুদ্ধ করতে দ্বিধাবোধ করবে না কারণ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল এখানে কোন ধরনের হানাহানি হবেনা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হবে মানুষ তার ভাষা নিজের ইচ্ছা মত প্রকাশ করবেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী তখন সফল হবে যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঠিকভাবে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে সাধারণ নাগরিকের অধিকার যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা প্রভৃতি সকল নাগরিক সমান ভাবে ভোগ করবে। সংবিধানে এ অধ্যায়ের শুরুতেই ২৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না। আর যদি করা হয়, তবে তা বাতিল হয়ে যাবে। স্বাধীনতা সুফল সেই দিন আমরা সফল পাব।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ