১২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেই তরুণীকে স্ত্রীর মার্যাদা দিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন রিপন

  • Update Time : ০৩:১২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ আগস্ট ২০২৫
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: অবশেষে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের সেই তরুণীকে স্ত্রীর মার্যাদা দিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন রিপন। শুক্রবার রাতে আনুষ্ঠানিক বিয়ে শেষে ছেলেসহ ওই প্রতিবন্ধী তরুণীকে নিয়ে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নিজ গ্রামে ফিরে যান রিপন। ঘটনার শুরু ২০২৪ সালের মে মাসে। ১ মে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার প্রতিবন্ধী এক তরুণী ফোন করেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯- এ। তিনি জানান, তাকে আটকে রাখা হয়েছে। ৯৯৯ থেকে সংযোগ করা হয় ফেঞ্চুগঞ্জ থানা কে। ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফেঞ্চুগঞ্জের থানাপুলিশসহ ইউপি চেয়ারম্যান আবজাল হোসাইন। তারা তার বাড়িতে গেলে তিনি জানান, তিনি ধর্ষিত এবং অন্তঃস্বত্ত্বা। তাকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন তারা। পরে তরুণী নিজে বাদী হয়ে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা (নং ২৬৮) দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয় তরুণীর চাচা নুরুল ইসলাম মেম্বার, তার ফুফা রাজনগর উপজেলার খলাগাঁও গ্রামের নুর মোহাম্মদ ও তার ফুফাতো ভাই কুলাউড়া রিপন মিয়াকে। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এর মধ্যেই একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন ওই তরুণী। পিবিআই’র তত্ত্বাবধানে তিন আসামীর সবার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। তবে মিলে যায় রিপন মিয়ার ডিএনএর সাথে। এমন প্রেক্ষাপটে শুক্রবার রাতে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীনের উদ্যোগে তার বাড়িতে ওই তরুণী ও রিপন মিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। স্থানীয় সুত্র জানায়, দেড় লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং রিপন মিয়া তরুণী ও তার শিশু সন্তানকে নিয়ে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নিজের বাড়িতে তোলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীন। তিনি বলেন, শুক্রবার রাতেই বিয়ে হয়েছে এবং তিনি নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবজাল হোসাইন বলেন, আমি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিলাম না বা কেউ আমাকে কিছু জানায়নি। তবে শুনেছি শুক্রবার রাতে বিয়ে হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সেই তরুণীকে স্ত্রীর মার্যাদা দিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন রিপন

Update Time : ০৩:১২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ আগস্ট ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: অবশেষে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের সেই তরুণীকে স্ত্রীর মার্যাদা দিয়ে ঘরে তুলে নিয়েছেন রিপন। শুক্রবার রাতে আনুষ্ঠানিক বিয়ে শেষে ছেলেসহ ওই প্রতিবন্ধী তরুণীকে নিয়ে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নিজ গ্রামে ফিরে যান রিপন। ঘটনার শুরু ২০২৪ সালের মে মাসে। ১ মে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার প্রতিবন্ধী এক তরুণী ফোন করেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯- এ। তিনি জানান, তাকে আটকে রাখা হয়েছে। ৯৯৯ থেকে সংযোগ করা হয় ফেঞ্চুগঞ্জ থানা কে। ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফেঞ্চুগঞ্জের থানাপুলিশসহ ইউপি চেয়ারম্যান আবজাল হোসাইন। তারা তার বাড়িতে গেলে তিনি জানান, তিনি ধর্ষিত এবং অন্তঃস্বত্ত্বা। তাকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন তারা। পরে তরুণী নিজে বাদী হয়ে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা (নং ২৬৮) দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয় তরুণীর চাচা নুরুল ইসলাম মেম্বার, তার ফুফা রাজনগর উপজেলার খলাগাঁও গ্রামের নুর মোহাম্মদ ও তার ফুফাতো ভাই কুলাউড়া রিপন মিয়াকে। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। এর মধ্যেই একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন ওই তরুণী। পিবিআই’র তত্ত্বাবধানে তিন আসামীর সবার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। তবে মিলে যায় রিপন মিয়ার ডিএনএর সাথে। এমন প্রেক্ষাপটে শুক্রবার রাতে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীনের উদ্যোগে তার বাড়িতে ওই তরুণী ও রিপন মিয়ার বিয়ে সম্পন্ন হয়। স্থানীয় সুত্র জানায়, দেড় লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং রিপন মিয়া তরুণী ও তার শিশু সন্তানকে নিয়ে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় নিজের বাড়িতে তোলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দীন। তিনি বলেন, শুক্রবার রাতেই বিয়ে হয়েছে এবং তিনি নিজে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবজাল হোসাইন বলেন, আমি বিয়ের অনুষ্ঠান ছিলাম না বা কেউ আমাকে কিছু জানায়নি। তবে শুনেছি শুক্রবার রাতে বিয়ে হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ