সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি ২১ রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর
- Update Time : ০১:৪২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন দেশের ২১ জন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের দ্বিমেরুকৃত রাজনৈতিক বিভাজন সাংঘর্ষিক রূপ ধারণ করতে পারে। এটি কাম্য নয়। বরং নিবন্ধিত সব দলের অংশগ্রহণে ব্যালটের মাধ্যমে জনগণের রায় বাধাহীনভাবে প্রকাশ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায় দেশবাসী। গত বুধবার (২৫ অক্টোবর) ‘বাংলাদেশ পলিটিক্যাল সায়েন্স নেটওয়ার্কের’ (বিপিএসএন) কেন্দ্রীয় কমিটির প্যাডে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা এই লিখিত বিবৃতি দেন। বিপিএসএন বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের সংগঠন। বিবৃতিতে বলা হয়—গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ছাড়া অন্য কোনো পদ্ধতিতে সরকার গঠন গ্রহণযোগ্য হবে না। অনির্বাচিত ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা যেকোনো গণতান্ত্রিক সংবিধানের মূলস্তম্ভ বা কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং অসাংবিধানিক। সংবিধান কাগজের কোনো পিণ্ড নয়, যা কথায় কথায় কাটাছেঁড়া করা যায়। সংবিধানে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, জনগণই সব ক্ষমতার মালিক, তারাই হতে হবে সব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। রাজনীতিতে বিদেশমুখিনতা দেশের জন্য কল্যাণকর হয় না। বর্তমানে উচ্চ দ্রব্যমূল্য জনজীবন বিপর্যস্ত করে ফেলেছে। এ অবস্থায় সাংঘর্ষিক রাজনীতি হবে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেন, সরকার, বিরোধী দল, প্রশাসন, গণমাধ্যম, পর্যবেক্ষক ও জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা পেলে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পক্ষে একটি গ্রহণযোগ্য সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠান দুঃসাধ্য নয়। নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে সহযোগিতামূলক পরিবেশ ভোটাদের নির্ভীকভাবে ভোটদানে উৎসাহিত করবে। নির্বাচনকালীন দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান যে সম্ভব, তা প্রমাণ করা সরকার ও সরকারি দলের জন্য অপরিহার্য।’ বিবৃতিদাতাদের মধ্যে আছেন বিপিএসএনের সভাপতি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য হারুন অর রশিদ, চট্টগ্রাম ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য মাহফুজুল হক চৌধুরী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মু. আনসার উদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আল মাসুদ হাসানুজ্জামান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূঁইয়া মনোয়ার কবীর, সেন্টার ফর পার্লামেন্ট স্টাডিজের পরিচালক জালাল ফিরোজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাব্বীর আহমেদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসান জাকিরুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আসমা বিনতে ইকবাল, নিবেদিতা রায়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের হাসান ফেরদৌস জামান ও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মু. শরিফুল ইসলাম।



















