সুনামগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, উদ্ধার হওয়া যাত্রীদেরকে হাসপাতালে ভর্তি
- Update Time : ০৫:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জে ভয়াবহ দুর্ঘটনার দুই ঘন্টার মধ্যেই খাদে পড়া যাত্রাবাহী বাসের সব যাত্রীকেই অক্ষত জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের মধ্যে তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা সুস্থ আছেন। উদ্ধার অভিযান শেষ করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও ডুবুরি দল জানিয়েছেন কোনো মৃত দেহ পাওয়া যায় নি।
এর আগে সকাল ৯টায় সিলেট থেকে সুনামগঞ্জগামী যাত্রীবাহী একটি বিরতীহীন বাস (সিলেট জ-১১ ০৪৮৬) সুনামগঞ্জ-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের লক্ষণ শ্রী ইউনিয়নের জানিগাঁও এলাকায় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। বন্যার পানি থাকার কারণে বাসটি অর্ধেক ডুবে যায়। এসময় চালক-হেলপার ছাড়াও বাসটিতে ৯জন যাত্রী ছিলেন। এদের দুর্ঘটনার পর পরই ৭জন যাত্রী নিজেরাই খাদে পড়া বাস থেকে বেরিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন সুনামগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বিপিএম, সিভিল সার্জন ডা. শামস উদ্দিন আহমেদ, পৌর মেয়র নাদের বখত, এডিএম মো. সোহেল মাহমুদ, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার রুমা, লক্ষনশ্রী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল অদুদ, ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম ভূূঁইয়া, সুনামগঞ্জ বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোজামমেল হক।
বাস থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া যাত্রী সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষনশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা জমশেদ মিয়ার ছেলে ফাগুন (২২) বলেন, কোনো কিছু বোঝার আগেই বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে খাদে পদে। অর্ধ ডুবন্ত বাস থেকে আমরা কয়েকজন খুব কষ্টে বের হয়ে আসি।
সুনামগঞ্জ বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. মোজামমেল হক জানান, সকাল ৯টায় বাসটি ১৭জন যাত্রী নিয়ে সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে পাগলা ও শান্তিগঞ্জে ৫জন যাত্রী এবং দিরাই রাস্তায় আরো ৫জন যাত্রী নেমে যান। দুর্ঘটনার সময় চালক, হেলপার ছাড়াও ৯জন যাত্রী ছিলেন। তাদের সবাই দুর্ঘটনার পর পরই বাস থেকে বের হয়ে আসেন।
সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রায় দুই ঘণ্টার তৎপরতায় বাসের ভিতরে কাউকে না পেয়ে বেলা দেড়টায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করি।





























