সুনামগঞ্জে বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রিছীনের জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
- Update Time : ১০:২২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারি ২০২০
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :: বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিনের সুনামগনঞ্জ জেলা শাখার সম্মেলন বুধবার দুপুরে শহরের কাজির পয়েন্ট লতিফা কমিউনিটি সেন্টার হলরুমে জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল আহাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মঈনুল ইসলাম পারভেজের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা অধক্ষ্য শাব্বির আহমদ মোমতাজী।
সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মাওলানা এ কে এম মনোয়ার আলী, অধ্যক্ষ মাওলানা নোমান আহমদ, অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ারে জাহান, উপাধ্যক্ষ মাওলানা আবু সালেহ মোহাম্মদ কুতবুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা আলী নূর, অধ্যক্ষ আবু নছর ইব্রাহিম, অধ্যক্ষ মাওলানা নুর উদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বক্কর সুপার মাওলানা ফারুক আহমদ, প্রভাষক কাজী আমিন আত তাফহিম, সুপার ছাাদিকুর রহমান, সুপার আব্দুল মান্নান, সুপার ছিদ্দিকুর রহমান, সহকারি শিক্ষক ওলিউর রহমান, সুপার নাজমুল হুদা, প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্য ইসলামি আরবি বিশ্ব বিদ্যালয় ঢাকা’র উপাচার্য ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, ভালো শিক্ষক হতে হলে বেশি করে পড়াশোনা করতে হবে, মাদ্রাসা শিক্ষকরা ও মুসলিম জাতি শিক্ষা ক্ষেত্রে জ্ঞান বিজ্ঞানে সব সময় এগিয়ে। তাই শিক্ষক সমাজ কে হতাশ হলে চলবে না। প্রতিযোগিতায় নিজেকে সাজিয়ে নিতে হবে। মনে রাখবেন একজন ভালো শিক্ষক হতে হলে সব সময় বই পড়তে হবে। আপনি যেই বিষয়ে শিক্ষক হোন পড়াশোনার বিকল্প নেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কে এগিয়ে নিতে ভালো ও দক্ষ শিক্ষকের বিকল্প নেই। তিনি আরো বলেন, সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে অভুতপূর্ব উন্নয়ন করেছে। মাদ্রাসা শিক্ষা আর পিছিয়ে নেই।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজি বলেন, বর্তমান সরকার মাদ্রাসা শিক্ষকদেও ন্যায্য দাবী দাওয়া অনেককাংশে পূর্ণ করেছেন। স্কুল কলেজের প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষদের সাথে মাদ্রাসার সুপার ও অধক্ষদের যে বেতন বৈষম্য ছিল তা দূর করেছে। ২০১৮ সালে জনবল কাঠামো বর্তমান সরকার বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছিনের দাবীর প্রেক্ষিতে বর্তমান অর্থ বছর থেকে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। বর্তমান সরকার আলেম উলামাদের শত বর্ষের দাবী ইসলামী আরবী বিশ^ বিদ্যারয় প্রতিষ্ঠা করে বর্তমানে ৯১টি মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স ও মাষ্টার্স কোর্স চালু করেছে। প্রধানমন্ত্রী স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী শিক্ষকদের বেতন ভাতাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমপর্যায়ের করে দিয়েছেন। এখন বেসরকারি মাদ্রাসা স্কুল ও কলেজের শিক্ষকদেও প্রাণের দাবি হচ্ছে তাদের চাকুরি জাতীয় করণ করা। আমরা আজকের সম্মেলন থেকে আশা পোষন করছি প্রধানমন্ত্রী অচিরেই মাদ্রাসা শিক্ষকদের চাকুরি জাতীয়করণ করবেন।
অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-অধ্যক্ষ মাওলানা ছমির উদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা ময়নুল হক, অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম আলফাজ, অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ সৈয়দ হোসেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাদি, অধ্যক্ষ মাওলানা শহিদুল ইসলাম নিজামি, অধ্যক্ষ মাওলানা আনোয়ার হোসেন আব্দুল্লা, অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মতিন, সুপার মাওলানা মাহবুবুর রহমান তাজুল, সুপার মাওলানা আব্দুল জলিল, সুপার মাওলানা মাখসুসুল করিম চৌধুরী, সুপার মাওলানা আব্দুল গফ্ফার আজাদ, সুপার মাওলানা শহিদুল ইসলাম, সুপার মাওলানা মোস্তাক আহমদ, সুপার মাওলানা সালেহ আহমদ, সুপার মাওলানা নুরুল হক, সুপার মাওলানা নুরুল হক, সহকারি অধ্যাপক মাওলানা আবু তাহির মোহাম্মদ খালিদ, সুপার মাওলানা কামরুজ্জামান, সুপার মাওলানা মোশাহিদ আরী, সুপার মাওলানা শায়খুল ইসলাম, সুপার মাওলানা বদরুল ইসলাম, সুপার মাওলানা আবু তায়্যিব মোহাম্মদ আব্দুন নুর, সুপার মাওলানা আব্দুল কায়ুম,সুপার মাওলানা মতিউর রহমান, সুপার জমির উদ্দিন মাসুক, সুপার মাওলানা আবুল কাসেম, সুপার মাওলানা সোহরাব হোসেন চৌধুরী, সুপার মাওলানা আব্দুস সালাম, সুপার মাওলানা মোস্তাক আহমদ, সুপার সৈয়দ আহমদ, সহকারি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, সহকারি অধ্যাপক আব্দুল মালেক, সহকারি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, সুপার জাহাঙ্গীর আলম, সুপার মাওলানা সিরাজ উদ্দিন, সুপার মাওলানা ফজলুল হক, সুপার মাওলানা জমির উদ্দিন, সুপার মাওলানা শমসের আলী, সুপার মাওলানা আবু তাহের, সুপার মাওলানা আব্দুল ওয়াহিদ প্রমুখ।





























