০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে প্রতিনিধি সভায় আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা করা হচ্ছে- হানিফ

  • Update Time : ০১:৩৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিনিধি সভায় কয়েকজন প্রতিনিধি নিজেদের সাংগঠনিক ইউনিটের সমালোচনা ও স্থানীয় এমপিরা দলে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করলেও বেশিরভাগ বক্তাই গঠনমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। স্থানীয় শীর্ষ নেতারা বলেছেন, অন্য সময়ের তুলনায় সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী। তবে প্রতিনিধি সভায় প্রধান আকর্ষণ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্থানীয় এমপিদেরও সংগঠনকে বিতর্কিত করে ভিন্নদল থেকে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে গ্রুপ ভারী না করার আহ্বান জানান। মঙ্গলবার বিকেলে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি প্রায় ২৭ মিনিট বক্তব্য দেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল ইসলাম নাহিদ।

 

 

মাহবুল উল আলম হানিফ তৃণমূল নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী শুধু ঢাকার ক্যাসিনোতে নয়, উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত চলে এসেছে। এমপিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারি না আপনারা যারা ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য হয়েছেন, আপনাদের আবার অন্যদলের লোকজনকে দলের মধ্যে আনার কেন দরকার পড়লো। বিএনপি জামায়াত থেকে লোক নিতে হবে কেন। কারো ব্যক্তিগত দল ভারি করার জন্য আওয়ামী লীগে বহিরাগতদের আনবেন না। আমরা বসে নেই গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে বহিরাগতদের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ১০ বছরের মধ্যে কারা কারা অন্য দল থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন, সেই তালিকা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই কেন্দ্র থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আপনার নিজ উদ্যোগে নিজ থানা থেকে এই অনুপ্রবেশকারীদের ঝেটিয়ে বিদায় করে দেন। আমরা এই সমস্ত আপদ রেখে আওয়ামী লীগে কলঙ্ক রাখতে চাই না।

 

 

সুনামগঞ্জ তৃণমূল আওয়ামী লীগের কোন্দলের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আমি সুনামগঞ্জের তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ঐক্য খোঁজে পাইনি। আমি ক্ষোভ দেখেছি। কেন তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। আমরাতো সবাই একদল করি। নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের নেতা, এমপি বানিয়েছেন তৃণমূলের এই কর্মীরা। তাহলে এমপি আর বড় নেতা হয়ে তৃণমূল নেতাদের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করবেন না।

 

 

গত উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের উপজেলা নির্বাচনে ও স্থানীয় নির্বাচনে বেশ দ্বন্দ্ব রয়েছে। এখানে কেউ নৌকায় ভোট দিয়েছেন কেউ নৌকার বিরুদ্ধে। কেউ কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, যা দুঃখজনক। যেহেতু বিএনপি সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেয়নি সেখানে আমাদের দলের লোকেরাই প্রার্থী হয়েছেন। দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে আপনারা কিভাবে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যান? প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে অমান্য করেন? আগামীতে এধরনের কাজ পরিহার করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, অতীতে যা ভুল হয়েছে এই ভুলগুলোকে শুধরে নেত্রীর সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করবেন।

 

 

সুনামগঞ্জের উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি সম্পর্কে বিষয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যতগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন কমিটি, থানা কমিটি সবগুলো নতুন করে করতে হবে। আমরা চাই সকল ইউনিয়নের কাউন্সিল শেষ করে নভেম্বরের মধ্যে সকল থানা উপজেলা কাউন্সিল শেষ করবেন।

 

 

উপজেলা কমিটিগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের গঠনতন্ত্রে আছে একমাত্র কমিটি ভাঙার এখতিয়ার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি অথবা সভানেত্রীর একক সিদ্ধান্তে ভাঙা যাবে। তবে যে সমস্ত উপজেলায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতে ঐক্য নেই বা বিরোধ রয়েছে সেখানে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি করে দিয়ে পরবর্তীতে সম্মেলন করে নিবেন।

 

 

সাম্প্রতিক ক্যাসিনো জুয়া সম্পর্কে মাহবুল উল আলম হানিফ বলেন, ক্যাসিনোতে তাস খেলা অনেক আগে থেকে চলে আসছে। এখন নতুন করে জুয়া খেলার জন্য নতুন করে ক্যাসিনো তৈরি করা হয়েছে। ক্যাসিনো ক্লাবের সম্পর্ক রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। এটার সাথে আওয়ামী লীগ যুবলীগের সম্পর্ক থাকতে পারে না। এখন ক্লাব খেলায় যদি আওয়ামী লীগ বিএনপি যুবলীগের কেউ জড়িত হয় তাহলে সে অপরাধী, রাজনৈতিক দল নয়। ক্যাসিনোতে বিএনপির কাণ্ডারী লোকমান বিদেশে ৪১ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে বলে জানান তিনি।

 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে আমাদের জেলা সম্মেলন শেষ করতে হবে। তাই আমাদের সামনে অনেক বড় কর্তব্য। একটি কথা মনে রাখতে হবে দেশ স্বাধীন হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। স্বাধীন বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশে এক বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। কোনো দেশের পক্ষে এতো অল্প সময়ের মধ্যে এতো বড় পরিবর্তন সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, আমাদের বিস্ময়কর উন্নয়নে দুনিয়ার মানুষ এখন আমাদের কাছে বুদ্ধি নিতে চায়। বাংলাদেশ হচ্ছে আধুনিক যুগের দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে রোল মডেল।

 

 

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবীরের পরিচালনায় প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, অ্যাড. মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা, সংসদ সদস্য অ্যাড. শামীমা শাহরিয়ার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরুল হুদা মুকুট, সাবেক সংসদ সদস্য পিপি অ্যাড. শামছুন নাহার বেগম শাহানা রব্বানী। প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক, হাজী আবুল কালাম, শামীম আহমেদ মুরাদ, দিলীপ বর্মণ, শামীম আহমদ প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জে প্রতিনিধি সভায় আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা করা হচ্ছে- হানিফ

Update Time : ০১:৩৫:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ অক্টোবর ২০১৯

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিনিধি সভায় কয়েকজন প্রতিনিধি নিজেদের সাংগঠনিক ইউনিটের সমালোচনা ও স্থানীয় এমপিরা দলে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করলেও বেশিরভাগ বক্তাই গঠনমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। স্থানীয় শীর্ষ নেতারা বলেছেন, অন্য সময়ের তুলনায় সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ এখন ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী। তবে প্রতিনিধি সভায় প্রধান আকর্ষণ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ জাতীয় ও স্থানীয় রাজনীতির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি স্থানীয় এমপিদেরও সংগঠনকে বিতর্কিত করে ভিন্নদল থেকে অনুপ্রবেশকারী নিয়ে গ্রুপ ভারী না করার আহ্বান জানান। মঙ্গলবার বিকেলে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি প্রায় ২৭ মিনিট বক্তব্য দেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল ইসলাম নাহিদ।

 

 

মাহবুল উল আলম হানিফ তৃণমূল নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী শুধু ঢাকার ক্যাসিনোতে নয়, উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত চলে এসেছে। এমপিদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি বুঝতে পারি না আপনারা যারা ২০০৮ সালে সংসদ সদস্য হয়েছেন, আপনাদের আবার অন্যদলের লোকজনকে দলের মধ্যে আনার কেন দরকার পড়লো। বিএনপি জামায়াত থেকে লোক নিতে হবে কেন। কারো ব্যক্তিগত দল ভারি করার জন্য আওয়ামী লীগে বহিরাগতদের আনবেন না। আমরা বসে নেই গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে বহিরাগতদের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ১০ বছরের মধ্যে কারা কারা অন্য দল থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন, সেই তালিকা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই কেন্দ্র থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আপনার নিজ উদ্যোগে নিজ থানা থেকে এই অনুপ্রবেশকারীদের ঝেটিয়ে বিদায় করে দেন। আমরা এই সমস্ত আপদ রেখে আওয়ামী লীগে কলঙ্ক রাখতে চাই না।

 

 

সুনামগঞ্জ তৃণমূল আওয়ামী লীগের কোন্দলের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আমি সুনামগঞ্জের তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ঐক্য খোঁজে পাইনি। আমি ক্ষোভ দেখেছি। কেন তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। আমরাতো সবাই একদল করি। নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের নেতা, এমপি বানিয়েছেন তৃণমূলের এই কর্মীরা। তাহলে এমপি আর বড় নেতা হয়ে তৃণমূল নেতাদের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করবেন না।

 

 

গত উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের উপজেলা নির্বাচনে ও স্থানীয় নির্বাচনে বেশ দ্বন্দ্ব রয়েছে। এখানে কেউ নৌকায় ভোট দিয়েছেন কেউ নৌকার বিরুদ্ধে। কেউ কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, যা দুঃখজনক। যেহেতু বিএনপি সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেয়নি সেখানে আমাদের দলের লোকেরাই প্রার্থী হয়েছেন। দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে আপনারা কিভাবে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যান? প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে অমান্য করেন? আগামীতে এধরনের কাজ পরিহার করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, অতীতে যা ভুল হয়েছে এই ভুলগুলোকে শুধরে নেত্রীর সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করবেন।

 

 

সুনামগঞ্জের উপজেলা ও ইউনিয়ন কমিটি সম্পর্কে বিষয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যতগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন কমিটি, থানা কমিটি সবগুলো নতুন করে করতে হবে। আমরা চাই সকল ইউনিয়নের কাউন্সিল শেষ করে নভেম্বরের মধ্যে সকল থানা উপজেলা কাউন্সিল শেষ করবেন।

 

 

উপজেলা কমিটিগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের গঠনতন্ত্রে আছে একমাত্র কমিটি ভাঙার এখতিয়ার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি অথবা সভানেত্রীর একক সিদ্ধান্তে ভাঙা যাবে। তবে যে সমস্ত উপজেলায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতে ঐক্য নেই বা বিরোধ রয়েছে সেখানে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি করে দিয়ে পরবর্তীতে সম্মেলন করে নিবেন।

 

 

সাম্প্রতিক ক্যাসিনো জুয়া সম্পর্কে মাহবুল উল আলম হানিফ বলেন, ক্যাসিনোতে তাস খেলা অনেক আগে থেকে চলে আসছে। এখন নতুন করে জুয়া খেলার জন্য নতুন করে ক্যাসিনো তৈরি করা হয়েছে। ক্যাসিনো ক্লাবের সম্পর্ক রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। এটার সাথে আওয়ামী লীগ যুবলীগের সম্পর্ক থাকতে পারে না। এখন ক্লাব খেলায় যদি আওয়ামী লীগ বিএনপি যুবলীগের কেউ জড়িত হয় তাহলে সে অপরাধী, রাজনৈতিক দল নয়। ক্যাসিনোতে বিএনপির কাণ্ডারী লোকমান বিদেশে ৪১ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে বলে জানান তিনি।

 

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে আমাদের জেলা সম্মেলন শেষ করতে হবে। তাই আমাদের সামনে অনেক বড় কর্তব্য। একটি কথা মনে রাখতে হবে দেশ স্বাধীন হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। স্বাধীন বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশে এক বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। কোনো দেশের পক্ষে এতো অল্প সময়ের মধ্যে এতো বড় পরিবর্তন সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, আমাদের বিস্ময়কর উন্নয়নে দুনিয়ার মানুষ এখন আমাদের কাছে বুদ্ধি নিতে চায়। বাংলাদেশ হচ্ছে আধুনিক যুগের দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে রোল মডেল।

 

 

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবীরের পরিচালনায় প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, অ্যাড. মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. জয়া সেনগুপ্তা, সংসদ সদস্য অ্যাড. শামীমা শাহরিয়ার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নূরুল হুদা মুকুট, সাবেক সংসদ সদস্য পিপি অ্যাড. শামছুন নাহার বেগম শাহানা রব্বানী। প্রতিনিধিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক, হাজী আবুল কালাম, শামীম আহমেদ মুরাদ, দিলীপ বর্মণ, শামীম আহমদ প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ