০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জের ৪টি আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে

  • Update Time : ০২:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মাঠে নেমেছেন দলের বিদ্রোহীরা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এঁরা। ইতোমধ্যে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রিটার্ণিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেবার অফিসিয়েল কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। দলের বিদ্রোহী এই চার প্রার্থী হলেন- সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-তাহিরপুর ও মধ্যনগর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ (সদর- বিশ^ম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ট সহসভাপতি, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা ও পৌরসভার চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক- দোয়ারা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী।

এই আসগুলোতে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে- যথাক্রমে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি কৃষক দলের আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনিসুল হক, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমদ, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক, সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে।

এসব নির্বাচনী এলাকায় দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বহুদিনের। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর বিবদমান দুই গ্রুপের এক গ্রুপের নেতা-কর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে জোরে- শোরে প্রচারণায় নেমেছেন। অপর গ্রুপের নেতা-কর্মীরা নেমেছেন বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়ে। বিএনপির বিদ্রোহীদের এমন অবস্থানে জামায়েত বা আটদলীয় জোটের প্রার্থীরা ভোটে যেমন-তেমন, প্রচারণায় সুবিধা পাবে বলে মনে করছেন অনেকে।

জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. শেরেনুর আলী বললেন,‘ভোটাররা শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ধানের শীষে ভোট দেবার প্রস্তুতি নিয়েছে, দলের নেতা যারা মনোনয়ন পান নি- তারা বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে ভোটে তেমন প্রভাব পড়বে বলে মনে করছি না। তবে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বি অন্য প্রার্থীদের প্রচারণায় কিছুটা সুবিধা হবে। বিএনপির কেউ এমন সুযোগ করে দেবেন না বলেই আশাকরছি।

বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার পরদিনই সুনামগঞ্জ-৪ আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা করে বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনেই তিনি এই আসনে দলের প্রার্থী ছিলেন। সেবার বয়োজ্যেষ্ট নেতা প্রয়াত ফজলুল হক আছপিয়াকে তিনি ছাড় দিয়েছিলেন। এবার তাঁকে মনোনয়ন না দিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণ একজন দলীয় নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় তাঁর (জাকেরীনের) কর্মী সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান জাকেরীন।

দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন জানালেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর তাঁর আর কোন সুযোগ নেই। কর্মী-সমর্থক-শুভানুধ্যায়ীদের আগ্রহ এতো বেশি, এটা অবজ্ঞা করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনও বিএনপির দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পরদিন থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে প্রচারণায় নামেন। ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন বললেন, আমি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ কোন দায়িত্বে নেই। আমি সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা ছাড়া আর কেউ আমাকে ভোটের মাঠ থেকে সরাতে পারবেন না।

সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-তাহিরপুর ও মধ্যনগর) আসনের দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত কামরুজ্জামান কামরুলের সমর্থকরা ওই আসনে দলের নেতা আনিসুল হককে প্রার্থী ঘোষণার পর প্রার্থীতা বদলের জন্য সভা সমাবেশ বিক্ষোভ করেন। কামরুল জানান, কর্মী-সমর্থকদের চাপ রয়েছে প্রার্থী হবার জন্য। সকলের মতামত নিয়ে ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেবেন আশা করছেন তিনি।

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক- দোয়ারা) আসনে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে দলের মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার পর প্রার্থীতা পরিবর্তনের জন্য সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন মিজানের সমর্থকরা। এই বিক্ষোভে মিজান নিজেও উপস্থিত ছিলেন। মিজানুর রহমান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আবির দেব জানান, মিজান চৌধুরী নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন করছেন, এটি চূড়ান্ত। তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বললেন, আমরা আশা করবো সবাই দলের সিদ্ধান্ত মানবেন। তাঁরা আশাবাদী বলেও মন্তব্য করলেন মিলন।
প্রসঙ্গত. সুনামগঞ্জের অপর নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত সাবেক সংসদ সদস্য অব. বিপারপতি মিফতাহ্ উদ্দিন চৌধুরী রুমির পক্ষে মনোনয়ন ফরম নেওয়া হলেও শনিবার বিকেলে অব. বিচারপতি রুমি জানিয়েছেন, তিনি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু করতে চান না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জের ৪টি আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে

Update Time : ০২:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মাঠে নেমেছেন দলের বিদ্রোহীরা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এঁরা। ইতোমধ্যে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রিটার্ণিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেবার অফিসিয়েল কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। দলের বিদ্রোহী এই চার প্রার্থী হলেন- সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-তাহিরপুর ও মধ্যনগর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ (সদর- বিশ^ম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ট সহসভাপতি, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা ও পৌরসভার চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক- দোয়ারা) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী।

এই আসগুলোতে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে- যথাক্রমে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি কৃষক দলের আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনিসুল হক, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমদ, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. নুরুল ইসলাম নুরুল এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক, সাবেক সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে।

এসব নির্বাচনী এলাকায় দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বহুদিনের। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর বিবদমান দুই গ্রুপের এক গ্রুপের নেতা-কর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে জোরে- শোরে প্রচারণায় নেমেছেন। অপর গ্রুপের নেতা-কর্মীরা নেমেছেন বিদ্রোহী প্রার্থীকে নিয়ে। বিএনপির বিদ্রোহীদের এমন অবস্থানে জামায়েত বা আটদলীয় জোটের প্রার্থীরা ভোটে যেমন-তেমন, প্রচারণায় সুবিধা পাবে বলে মনে করছেন অনেকে।

জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. শেরেনুর আলী বললেন,‘ভোটাররা শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ধানের শীষে ভোট দেবার প্রস্তুতি নিয়েছে, দলের নেতা যারা মনোনয়ন পান নি- তারা বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে ভোটে তেমন প্রভাব পড়বে বলে মনে করছি না। তবে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বি অন্য প্রার্থীদের প্রচারণায় কিছুটা সুবিধা হবে। বিএনপির কেউ এমন সুযোগ করে দেবেন না বলেই আশাকরছি।

বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার পরদিনই সুনামগঞ্জ-৪ আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা করে বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনেই তিনি এই আসনে দলের প্রার্থী ছিলেন। সেবার বয়োজ্যেষ্ট নেতা প্রয়াত ফজলুল হক আছপিয়াকে তিনি ছাড় দিয়েছিলেন। এবার তাঁকে মনোনয়ন না দিয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণ একজন দলীয় নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ায় তাঁর (জাকেরীনের) কর্মী সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান জাকেরীন।

দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন জানালেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর তাঁর আর কোন সুযোগ নেই। কর্মী-সমর্থক-শুভানুধ্যায়ীদের আগ্রহ এতো বেশি, এটা অবজ্ঞা করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনও বিএনপির দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পরদিন থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে প্রচারণায় নামেন। ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন বললেন, আমি বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ কোন দায়িত্বে নেই। আমি সাধারণ মানুষের প্রার্থী। ভোটাররা ছাড়া আর কেউ আমাকে ভোটের মাঠ থেকে সরাতে পারবেন না।

সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-ধর্মপাশা-তাহিরপুর ও মধ্যনগর) আসনের দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত কামরুজ্জামান কামরুলের সমর্থকরা ওই আসনে দলের নেতা আনিসুল হককে প্রার্থী ঘোষণার পর প্রার্থীতা বদলের জন্য সভা সমাবেশ বিক্ষোভ করেন। কামরুল জানান, কর্মী-সমর্থকদের চাপ রয়েছে প্রার্থী হবার জন্য। সকলের মতামত নিয়ে ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেবেন আশা করছেন তিনি।

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক- দোয়ারা) আসনে কলিম উদ্দিন আহমদ মিলনকে দলের মনোনীত প্রার্থী ঘোষণার পর প্রার্থীতা পরিবর্তনের জন্য সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন মিজানের সমর্থকরা। এই বিক্ষোভে মিজান নিজেও উপস্থিত ছিলেন। মিজানুর রহমান চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী আবির দেব জানান, মিজান চৌধুরী নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন করছেন, এটি চূড়ান্ত। তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বললেন, আমরা আশা করবো সবাই দলের সিদ্ধান্ত মানবেন। তাঁরা আশাবাদী বলেও মন্তব্য করলেন মিলন।
প্রসঙ্গত. সুনামগঞ্জের অপর নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত সাবেক সংসদ সদস্য অব. বিপারপতি মিফতাহ্ উদ্দিন চৌধুরী রুমির পক্ষে মনোনয়ন ফরম নেওয়া হলেও শনিবার বিকেলে অব. বিচারপতি রুমি জানিয়েছেন, তিনি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু করতে চান না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ