১১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জের নদীপথে চাঁদাবাজী ও শ্রমিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

  • Update Time : ০৭:২৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আল হেলাল, সুনামগঞ্জ :: সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীতে বালু-পাথর পরিবহনকারী কাঠবডি,ইঞ্জিন নৌকা ও বাল্কহেড থেকে অতিরিক্ত টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজী, প্রতিবাদকারী শ্রমিকদের উপর শারীরিক নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ কার্গো-ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন সুনামগঞ্জ জেলা শাখা ও জামালগঞ্জ স্টিলবডি নৌ পরিবহন মালিক সমবায় সমিতির যৌথ আয়োজনে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের আবুয়া নদীর পাড়ে ঘণ্টাব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সুনামগঞ্জ জেলা কার্গো-ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি:২১১২) এর সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, আয়োজক সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি নুর আহমদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম,খোকন মিয়া,ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আতাউর রহমান,সাধারণ সম্পাদক শাহিবুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মিয়া,শ্রমিক নেতা সাইফুল ইসলাম, জামালগঞ্জ স্টিলবডি নৌ পরিবহন মালিক সমবায় সমিতির প্রতিনিধি মোঃ সুমন মিয়া,মোঃ মতিউর রহমান,ব্যবসায়ী ফুল মিয়া ও ইলিয়াছ মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নদীপথে পরিবহনকৃত প্রতি ফুট বালি-পাথরে যেখানে সরকার নির্ধারিত ২৫ পয়সা করে টোল আদায় করার কথা সেখানে বিভিন্ন নদীর ইজারাদার ও তাদের প্রতিনিধিরা প্রতি ফুটে ১ টাকা ৫০ পয়সা হারে অতিরিক্ত টোল ট্যাক্স ও রয়েলিটি আদায় করছে। জেলা প্রশাসন.বিআইডবিøউটি, উপজেলা প্রশাসনের এসব ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের ব্যাপারে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও আমরা কোন ন্যায়বিচার পাচ্ছিনা। বরং আন্দোলন কর্মসুচি দিলে উল্টো চাঁদাবাজীর রেইট বাড়িয়ে দেয়া হয়। প্রশাসনকে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে হয়রানী করা হয়। ফাজিলপুরে নির্ধারিত টোল আদায় কেন্দ্র থাকলেও এসব টোল আদায় কেন্দ্রের পাশাপাশি ভাসমান অবস্থায়ও নদীতে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। ৫টি পৃথক পয়েন্টে যারা অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান তাদেরকে যেমন মারধর করা হচ্ছে তেমনি রসিদ ছাড়াই চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজী। মানববন্ধনে অবিলম্বে তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর ফাজিলপুর, পাটানপাড়া, ঘাগড়া, পাটলাই নদীতে জামালগঞ্জের দূর্লভপুর ও বিশ্বম্ভরপুরের ফতেহপুর ঘাটে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়, মিথ্যা মামলায় শ্রমিক হয়রানী ও শারীরিক নির্যাতন বন্ধে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তারা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জের নদীপথে চাঁদাবাজী ও শ্রমিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

Update Time : ০৭:২৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

আল হেলাল, সুনামগঞ্জ :: সুনামগঞ্জের বিভিন্ন নদ-নদীতে বালু-পাথর পরিবহনকারী কাঠবডি,ইঞ্জিন নৌকা ও বাল্কহেড থেকে অতিরিক্ত টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজী, প্রতিবাদকারী শ্রমিকদের উপর শারীরিক নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে হয়রানী করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ কার্গো-ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন সুনামগঞ্জ জেলা শাখা ও জামালগঞ্জ স্টিলবডি নৌ পরিবহন মালিক সমবায় সমিতির যৌথ আয়োজনে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের আবুয়া নদীর পাড়ে ঘণ্টাব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সুনামগঞ্জ জেলা কার্গো-ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি:২১১২) এর সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, আয়োজক সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি নুর আহমদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম,খোকন মিয়া,ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি আতাউর রহমান,সাধারণ সম্পাদক শাহিবুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মিয়া,শ্রমিক নেতা সাইফুল ইসলাম, জামালগঞ্জ স্টিলবডি নৌ পরিবহন মালিক সমবায় সমিতির প্রতিনিধি মোঃ সুমন মিয়া,মোঃ মতিউর রহমান,ব্যবসায়ী ফুল মিয়া ও ইলিয়াছ মিয়া প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নদীপথে পরিবহনকৃত প্রতি ফুট বালি-পাথরে যেখানে সরকার নির্ধারিত ২৫ পয়সা করে টোল আদায় করার কথা সেখানে বিভিন্ন নদীর ইজারাদার ও তাদের প্রতিনিধিরা প্রতি ফুটে ১ টাকা ৫০ পয়সা হারে অতিরিক্ত টোল ট্যাক্স ও রয়েলিটি আদায় করছে। জেলা প্রশাসন.বিআইডবিøউটি, উপজেলা প্রশাসনের এসব ইজারাদারদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়ের ব্যাপারে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও আমরা কোন ন্যায়বিচার পাচ্ছিনা। বরং আন্দোলন কর্মসুচি দিলে উল্টো চাঁদাবাজীর রেইট বাড়িয়ে দেয়া হয়। প্রশাসনকে ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে অন্যায়ভাবে হয়রানী করা হয়। ফাজিলপুরে নির্ধারিত টোল আদায় কেন্দ্র থাকলেও এসব টোল আদায় কেন্দ্রের পাশাপাশি ভাসমান অবস্থায়ও নদীতে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। ৫টি পৃথক পয়েন্টে যারা অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান তাদেরকে যেমন মারধর করা হচ্ছে তেমনি রসিদ ছাড়াই চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজী। মানববন্ধনে অবিলম্বে তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর ফাজিলপুর, পাটানপাড়া, ঘাগড়া, পাটলাই নদীতে জামালগঞ্জের দূর্লভপুর ও বিশ্বম্ভরপুরের ফতেহপুর ঘাটে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়, মিথ্যা মামলায় শ্রমিক হয়রানী ও শারীরিক নির্যাতন বন্ধে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তারা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ