০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের প্রচারণা

  • Update Time : ০৩:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: নিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের ঘিলাছড়া ইউনিয়নসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন সিলেট-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পিপি মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। বুধবার রাতে তিনি ঘিলাছড়া ইউনিয়নের বিশিষ্ট মুরব্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাজেদ আলী  ও সালিশী ব্যক্তিত্ব আব্দুল মজিদের বাড়িতে যান। এসময় তাদের সঙ্গে কূশল বিনিময় করেন। তারা মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে অভ্যর্থনা জানান। এসময় মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে ছাত্ররাজনীতি থেকে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে লিপ্ত রয়েছে। পচাত্তর পরবর্তী সময়ে বিশ্বাসঘাতক মুশতাককে মঞ্চে জুতাপেটা করে জেল খেটেছি। টানা ১৭ মাস জেলে রেখে আমাকে অমানুসিক নির্যাতন করা হয়েছে। ২০০৪ সালে চার দলীয় জোট সরকারের সময় গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছি। এখনো প্লিন্টার শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছি। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক মামলায় কারা নির্যাতিত হয়েছি। এরপর আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে বিচ্যুত হইনি। দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ থাকায় নেত্রীও বিগত দিনে আমাকে মূল্যায়ন স্বরূপ কেন্দ্র পর্যন্ত টেনে নিয়েছেন। এখনো নেত্রীর উপর পূর্ণ আস্থা রেখে কাজ করে যাচ্ছি। দলের মনোনয়ন পাই বা না পাই আজীবন দলের হয়ে কাজ করে যাবো। আমি আশাবাদি নেত্রী আমাকে মূল্যায়ন করবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আশির্বাদ ও আপনারা পাশে থাকলে জনপ্রতিনিধি হয়ে আপনাদের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। এ জন্য জাতির শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা পাশে পেতে চান।
এসময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে মুক্তিযোদ্ধা সাজেদ আলী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে দেশ স্বাধীন করতে আমরা ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক নৌকার পক্ষে আমরা আপোষহীন। পিতার ন্যায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী যার হাতে নৌকা তুলে দেবেন, তাকে বিজয়ী করতে আমরা সর্বাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাবো। প্রয়ান সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করাই আমার প্রথম লক্ষ্য উদ্দেশ্য। এরআগে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আরফান আলীর বাড়িতে যান এবং কবর জিয়ারত করেন। এসময় মরহুম আরফান আলীর ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি অসুস্থ ফখরুল ইসলামের শয্যা পাশে কিছু সময় কাটান।

 

 

এরপর স্থানীয় পরগনা বাজারে পথসভা করেন। পথসভা পরিচালনা করেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আফিকুল হক রিমন। এছাড়াও ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরশেদ আলম মান্না, সাবেক চার বারের ইউপি সদস্য শফিকুর রহমানের বাড়িতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মাশার আহমদ শাহ, যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জানু আহমদসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। একই দিনে ঘিলাছড়া ইউনিয়নের মুরার বাজার পথসভায় মিলিত হন। যুবলীগের আহ্বায়ক সদস্য আফিকুল হক রিমনের পরিচালনায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, সিসিক কাউন্সিলর তারেক উদ্দিন তাজ, জেলা পরিষদ সদস্য লোকন আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের সাবেক জিএস ওয়াইজ উদ্দিন আহমেদ, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রব, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য কয়ছর আহমেদ, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আর এম রাজু, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আফিকুল হক রিমন, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের উপ সম্পাদক বদরুল আলম বুলবুল, উপজেলা যুবলীগের সদস্য রানা আহমদ জিপু, ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরশেদ আলম মান্না, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি সাইদ আহমদ, সাবেক সহ সভাপতি সাবুল আহমদ, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দানিয়ল আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারহান সাদিক, যুবলীগ নেতা ইমন মজুমদার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিউল আলম মুন্না, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নিরব আহমদ। এলাকার মুরব্বী আব্দুল বাছিত, ফারুল মিয়া, যুবলীগ নেতা দুয়েল আহমদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমদ, শকুব, ফয়ছল ইসলাম লিটন, ওয়াসিম নাহিদ ও দুলাল আহমদ প্রিন্স প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে বিভিন্ন স্থানে এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের প্রচারণা

Update Time : ০৩:৫৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মে ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :: নিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের ঘিলাছড়া ইউনিয়নসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন সিলেট-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পিপি মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। বুধবার রাতে তিনি ঘিলাছড়া ইউনিয়নের বিশিষ্ট মুরব্বী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাজেদ আলী  ও সালিশী ব্যক্তিত্ব আব্দুল মজিদের বাড়িতে যান। এসময় তাদের সঙ্গে কূশল বিনিময় করেন। তারা মিসবাহ উদ্দিন সিরাজকে অভ্যর্থনা জানান। এসময় মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবে ছাত্ররাজনীতি থেকে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে লিপ্ত রয়েছে। পচাত্তর পরবর্তী সময়ে বিশ্বাসঘাতক মুশতাককে মঞ্চে জুতাপেটা করে জেল খেটেছি। টানা ১৭ মাস জেলে রেখে আমাকে অমানুসিক নির্যাতন করা হয়েছে। ২০০৪ সালে চার দলীয় জোট সরকারের সময় গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছি। এখনো প্লিন্টার শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছি। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক মামলায় কারা নির্যাতিত হয়েছি। এরপর আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে বিচ্যুত হইনি। দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ থাকায় নেত্রীও বিগত দিনে আমাকে মূল্যায়ন স্বরূপ কেন্দ্র পর্যন্ত টেনে নিয়েছেন। এখনো নেত্রীর উপর পূর্ণ আস্থা রেখে কাজ করে যাচ্ছি। দলের মনোনয়ন পাই বা না পাই আজীবন দলের হয়ে কাজ করে যাবো। আমি আশাবাদি নেত্রী আমাকে মূল্যায়ন করবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আশির্বাদ ও আপনারা পাশে থাকলে জনপ্রতিনিধি হয়ে আপনাদের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। এ জন্য জাতির শ্রেষ্ট সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা পাশে পেতে চান।
এসময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে মুক্তিযোদ্ধা সাজেদ আলী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে দেশ স্বাধীন করতে আমরা ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অস্ত্রহাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক নৌকার পক্ষে আমরা আপোষহীন। পিতার ন্যায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিত করে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী যার হাতে নৌকা তুলে দেবেন, তাকে বিজয়ী করতে আমরা সর্বাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাবো। প্রয়ান সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করাই আমার প্রথম লক্ষ্য উদ্দেশ্য। এরআগে তিনি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আরফান আলীর বাড়িতে যান এবং কবর জিয়ারত করেন। এসময় মরহুম আরফান আলীর ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি অসুস্থ ফখরুল ইসলামের শয্যা পাশে কিছু সময় কাটান।

 

 

এরপর স্থানীয় পরগনা বাজারে পথসভা করেন। পথসভা পরিচালনা করেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আফিকুল হক রিমন। এছাড়াও ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরশেদ আলম মান্না, সাবেক চার বারের ইউপি সদস্য শফিকুর রহমানের বাড়িতে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মাশার আহমদ শাহ, যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জানু আহমদসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। একই দিনে ঘিলাছড়া ইউনিয়নের মুরার বাজার পথসভায় মিলিত হন। যুবলীগের আহ্বায়ক সদস্য আফিকুল হক রিমনের পরিচালনায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, সিসিক কাউন্সিলর তারেক উদ্দিন তাজ, জেলা পরিষদ সদস্য লোকন আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের সাবেক জিএস ওয়াইজ উদ্দিন আহমেদ, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রব, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য কয়ছর আহমেদ, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আর এম রাজু, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আফিকুল হক রিমন, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের উপ সম্পাদক বদরুল আলম বুলবুল, উপজেলা যুবলীগের সদস্য রানা আহমদ জিপু, ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরশেদ আলম মান্না, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি সাইদ আহমদ, সাবেক সহ সভাপতি সাবুল আহমদ, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দানিয়ল আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারহান সাদিক, যুবলীগ নেতা ইমন মজুমদার, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিউল আলম মুন্না, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নিরব আহমদ। এলাকার মুরব্বী আব্দুল বাছিত, ফারুল মিয়া, যুবলীগ নেতা দুয়েল আহমদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমদ, শকুব, ফয়ছল ইসলাম লিটন, ওয়াসিম নাহিদ ও দুলাল আহমদ প্রিন্স প্রমুখ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ