০২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে শিক্ষার্থীকে চেয়ারের নিচে মাথা ঢুকিয়ে নির্যাতন

  • Update Time : ১০:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে মাত্র ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ‘সবক’ না পারায় শিশুটির মাথা চেয়ারের নিচে ঢুকিয়ে জালি বেত দিয়ে পেটান শিক্ষক হাফিজ হুজায়েল আহমদ। নির্যাতনের একপর্যায়ে শিশুটির বুকের ওপর পা দিয়ে চাপও দেন তিনি। নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটেছে গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকরঘাট এলাকার ইলিয়াস (রহ.) মাদ্রাসায়। ভুক্তভোগী শিশু আবু তালহা উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের জাঙ্গাইল গ্রামের বাসিন্দা নাজিম উদ্দিনের ছেলে। আবু তালহার ভাষ্যমতে, “পড়াশোনা সঠিকভাবে না পারায় হুজুর কয়েকটি বেত একসাথে করে আমার মাথা চেয়ারের নিচে ঢুকিয়ে পেটান। পরে আমাকে শুইয়ে বুকের ওপর পা দেন। আমি কোন রকমে পালিয়ে গিয়ে পাশের বালুরটেকে অজ্ঞান হয়ে পড়ি।”।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসার দুই শিক্ষক তালহার খোঁজ নিতে বাড়িতে আসেন। তারা জানান, মাগরিবের নামাজের পর থেকে তালহা নিখোঁজ। পরে স্থানীয়রা তালহার সন্ধানে বের হন এবং সালুটিকরঘাট এলাকার একটি বালুরটেকে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় খুঁজে পান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর জ্ঞান ফিরলে আবু তালহাকে সিলেট এম এ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজ হুজায়েল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “তালহা দুষ্টামি করছিল। মুহতামীম সাহেবের নির্দেশে আমি তাকে কয়েকটি বেত্রাঘাত করেছি।” ঘটনাটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

 

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সিলেটে শিক্ষার্থীকে চেয়ারের নিচে মাথা ঢুকিয়ে নির্যাতন

Update Time : ১০:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে মাত্র ৯ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ‘সবক’ না পারায় শিশুটির মাথা চেয়ারের নিচে ঢুকিয়ে জালি বেত দিয়ে পেটান শিক্ষক হাফিজ হুজায়েল আহমদ। নির্যাতনের একপর্যায়ে শিশুটির বুকের ওপর পা দিয়ে চাপও দেন তিনি। নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটেছে গোয়াইনঘাট উপজেলার সালুটিকরঘাট এলাকার ইলিয়াস (রহ.) মাদ্রাসায়। ভুক্তভোগী শিশু আবু তালহা উপজেলার তোয়াকুল ইউনিয়নের জাঙ্গাইল গ্রামের বাসিন্দা নাজিম উদ্দিনের ছেলে। আবু তালহার ভাষ্যমতে, “পড়াশোনা সঠিকভাবে না পারায় হুজুর কয়েকটি বেত একসাথে করে আমার মাথা চেয়ারের নিচে ঢুকিয়ে পেটান। পরে আমাকে শুইয়ে বুকের ওপর পা দেন। আমি কোন রকমে পালিয়ে গিয়ে পাশের বালুরটেকে অজ্ঞান হয়ে পড়ি।”।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসার দুই শিক্ষক তালহার খোঁজ নিতে বাড়িতে আসেন। তারা জানান, মাগরিবের নামাজের পর থেকে তালহা নিখোঁজ। পরে স্থানীয়রা তালহার সন্ধানে বের হন এবং সালুটিকরঘাট এলাকার একটি বালুরটেকে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় খুঁজে পান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর জ্ঞান ফিরলে আবু তালহাকে সিলেট এম এ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফিজ হুজায়েল আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “তালহা দুষ্টামি করছিল। মুহতামীম সাহেবের নির্দেশে আমি তাকে কয়েকটি বেত্রাঘাত করেছি।” ঘটনাটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

 

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ