সিলেটে মণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার চেষ্টায় পুলিশ বাদী মামলায় আসামি ১৬০০
- Update Time : ০৩:৪১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরীফ ‘রেখে অবমাননার’ জের ধরে সিলেটেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সিলেটের বিভিন্ন স্থানে মণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। কোনো কোনো স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় সিলেটে পুলিশ বাদী হয়ে ৮টি মামলা দায়ের করেছে। অন্তত ১৬শ’ ব্যক্তিকে এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে। জানা গেছে, কুমিল্লার ঘটনার প্রতিবাদে গত বুধবার রাতে সিলেটের জকিগঞ্জে মিছিল বের করা হয়। মিছিল থেকে ভাঙচুর করা হয় উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার গাড়ি। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত ১৫ জন। পরে জকিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিরুল শিকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এ মামলায় ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। সিলেট নগরীর আখালিয়া হালদারপাড়া এলাকায় একটি মণ্ডপে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে কতিপয় ব্যক্তি। গত শুক্রবার দুপুরের এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৪২ জনের নামোল্লেখ ও ২৫০ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা দায়ের করেন জালালাবাদ থানার এসআই কাজী জামাল আহমদ। মামলায় ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে, সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় উপজেলার কর্মদা ইউনিয়নে তিনটি মন্দিরে গত বুধবার রাতে হামলা হয়। পুলিশ ২২ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০০ জনকে আসামি রেখে মামলা করেছে। জেলার কমলগঞ্জের মুন্সীবাজার ইউনিয়নের মঈডাইল ও কামারছড়া চা বাগানের পূজামণ্ডপে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বুধবার রাতে। এছাড়া মুন্সীবাজার ইউনিয়নের বাসুদেবপুর পূজামণ্ডপের ফটক, পতনউষার ইউনিয়নের বৃন্দাবনপুর জগন্নাথ জিওর আখড়া পূজামণ্ডপের ফটক, বৈরাগির চক সার্বজনীন পুজামন্ডপের ফটক এবং মুন্সীবাজার রামপুর সার্বজনীন পূজামণ্ডপের ফটক ভাঙচুর করা হয়। এসব ঘটনায় দুটি মামলায় ১৮ জনের নামোল্লেখ ও ২০০ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা হয়। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের গুমগুমিয়া গ্রামে পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নবীগঞ্জ থানার এসআই অমিতাভ বাদী হয়ে ১২০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।





























