০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. স্মরণে খেলাফত মজলিসের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

  • Update Time : ০৮:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্র মুকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। ঐক্যের শক্তি দিয়ে সকল অপশক্তির মোকাবেলা করতে হবে। আল্লামা শাহ আহমদ শফির আহ্বানে ২০১৩ সালে দেশের তাওহিদবাদী জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সে সময়ে শাহবাগের নাস্তিক-মুরতাদের আস্ফালনের বিরুদ্ধে আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.- এর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বলিষ্ঠ আন্দোলনের কারণে শাহবাগ থেকে নাস্তিক-মুরতাদ ব্লগাররা লেজগুটাতে বাধ্য হয়েছিলো। আল্লামা শফির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ২০১৩ সালের হেফাজতের আন্দোলন ইতিহাস হয়ে থাকবে। হেফাজতের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কারণে ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি কার্যত পরাভূত হয়েছিলো। আমরা মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফির জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম কামনা করছি। খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে খেলাফত মজলিসের নায়বে আমীর শায়েখ মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আলোচনা পেশ করেন ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর ড. মাওলানা মুহাম্মদ ইসা শাহেদী, খেলাফত মজলিসের যুগ্মমহাসচিব- মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মজিবুর রহমান হামিদী, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, দেওভোগ মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, শায়খুল হাদিস মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস-চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমিন, খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, ডাঃ রিফাত হোসেন মালিক, ইসলামী ছাত্র মজলিসের সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ মনির হোসাইন, শ্রমিক মজলিসের সভাপতি হাজী নূর হোসেন, হাফেজ মাওলানা জিন্নাত আলী, মুফতি সাইয়্যেদুর রহমান, মাওলানা শরিফুর ইসলাম, অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মাওলানা কাওসার আহমদ সোহাইল প্রমুখ।

 

 

খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় বায়তুলমাল সম্পাদক এডভাকেট মোঃ মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুল ইসলাম, খন্দকার সাহাব উদ্দিন আহমদ, এডভাকেট তাওহিদুল ইসলাম তুহিন, মোঃ আবুল হোসাইন, প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, এইচ এম হুমায়ুন কবীর আযাদ, ছাত্র নেতা বিলাল আহমদ চৌধুরী, শ্রমিক নেতা মো: আবুল কালাম প্রমুখ।

 

 

সভাপতির বক্তব্যে শায়খ মাওলানা সাখাওয়াত হেসাইন বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী শুধু নাস্তিক-মুরতাদদের আতঙ্কই ছিলেন না তিনি জাতির একজন আধ্যাত্মিক রহবর ছিলেন। ইলমে নব্ববী তথা ইসলামী শিক্ষার বিস্তারে তার অবদান অক্ষয় হয়ে থাকবে।

 

 

ড. মাওলানা ইসা শাহেদী বলেন, আলীয়া, কাওমী, জেনারেল ইত্যাদি বলে উম্মাহর মাঝে অনৈক্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বহু পূর্ব থেকেই। ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার স্বকীয়তা রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যারা ওলামায়েকেরামের মাঝে অনৈক্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকতে হবে।

 

 

মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে শাহবাগী নাস্তিদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। সেদিন তাওহিদী জনতার আন্দোলনে নাস্তিক-মুরতাদরা চুপসে গেলেও তাদের ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা বন্ধ হয়নি। তারা প্রশাসনসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘাপটি মেরে বসে আছে। সুযোগ পেলেই আঘাত করবে। তাই ইসলামী জনতাকে ঐক্যকদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্য বিনষ্টকারী কথা ও কাজ থেকে সাবাইকে দূরে থাকতে হবে।

 

 

আলোচনা শেষে আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র রহ. রুহের মাগফিরাত কামানা করে দোয়া- মুনাজাত পরিচালনা করেন খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর শায়খ মাওলানা সাখাওয়াত হেসাইন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. স্মরণে খেলাফত মজলিসের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৮:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্র মুকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। ঐক্যের শক্তি দিয়ে সকল অপশক্তির মোকাবেলা করতে হবে। আল্লামা শাহ আহমদ শফির আহ্বানে ২০১৩ সালে দেশের তাওহিদবাদী জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সে সময়ে শাহবাগের নাস্তিক-মুরতাদের আস্ফালনের বিরুদ্ধে আল্লামা শাহ আহমদ শফী রহ.- এর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বলিষ্ঠ আন্দোলনের কারণে শাহবাগ থেকে নাস্তিক-মুরতাদ ব্লগাররা লেজগুটাতে বাধ্য হয়েছিলো। আল্লামা শফির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ২০১৩ সালের হেফাজতের আন্দোলন ইতিহাস হয়ে থাকবে। হেফাজতের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কারণে ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি কার্যত পরাভূত হয়েছিলো। আমরা মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফির জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম কামনা করছি। খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে খেলাফত মজলিসের নায়বে আমীর শায়েখ মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আলোচনা পেশ করেন ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর ড. মাওলানা মুহাম্মদ ইসা শাহেদী, খেলাফত মজলিসের যুগ্মমহাসচিব- মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মজিবুর রহমান হামিদী, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, দেওভোগ মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, শায়খুল হাদিস মাওলানা মহিউদ্দিন রব্বানী, ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস-চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমিন, খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, ডাঃ রিফাত হোসেন মালিক, ইসলামী ছাত্র মজলিসের সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ মনির হোসাইন, শ্রমিক মজলিসের সভাপতি হাজী নূর হোসেন, হাফেজ মাওলানা জিন্নাত আলী, মুফতি সাইয়্যেদুর রহমান, মাওলানা শরিফুর ইসলাম, অধ্যাপক মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মাওলানা ফখরুল ইসলাম, মাওলানা কাওসার আহমদ সোহাইল প্রমুখ।

 

 

খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওলানা আজীজুল হকের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় বায়তুলমাল সম্পাদক এডভাকেট মোঃ মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা ফয়জুল ইসলাম, খন্দকার সাহাব উদ্দিন আহমদ, এডভাকেট তাওহিদুল ইসলাম তুহিন, মোঃ আবুল হোসাইন, প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, এইচ এম হুমায়ুন কবীর আযাদ, ছাত্র নেতা বিলাল আহমদ চৌধুরী, শ্রমিক নেতা মো: আবুল কালাম প্রমুখ।

 

 

সভাপতির বক্তব্যে শায়খ মাওলানা সাখাওয়াত হেসাইন বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফী শুধু নাস্তিক-মুরতাদদের আতঙ্কই ছিলেন না তিনি জাতির একজন আধ্যাত্মিক রহবর ছিলেন। ইলমে নব্ববী তথা ইসলামী শিক্ষার বিস্তারে তার অবদান অক্ষয় হয়ে থাকবে।

 

 

ড. মাওলানা ইসা শাহেদী বলেন, আলীয়া, কাওমী, জেনারেল ইত্যাদি বলে উম্মাহর মাঝে অনৈক্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে বহু পূর্ব থেকেই। ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার স্বকীয়তা রক্ষায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যারা ওলামায়েকেরামের মাঝে অনৈক্য সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকতে হবে।

 

 

মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন বলেন, আল্লামা শাহ আহমদ শফি রহ. জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে শাহবাগী নাস্তিদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। সেদিন তাওহিদী জনতার আন্দোলনে নাস্তিক-মুরতাদরা চুপসে গেলেও তাদের ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতা বন্ধ হয়নি। তারা প্রশাসনসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘাপটি মেরে বসে আছে। সুযোগ পেলেই আঘাত করবে। তাই ইসলামী জনতাকে ঐক্যকদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্য বিনষ্টকারী কথা ও কাজ থেকে সাবাইকে দূরে থাকতে হবে।

 

 

আলোচনা শেষে আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র রহ. রুহের মাগফিরাত কামানা করে দোয়া- মুনাজাত পরিচালনা করেন খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর শায়খ মাওলানা সাখাওয়াত হেসাইন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ