০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাহীনুর পাশা চৌধুরীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির টুনু খানের চ্যালেঞ্জ

  • Update Time : ১২:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :: জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন নিয়ে জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম বাংলাদের কেন্দ্রিয় যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীর ট্যাটাসের জবাবে
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজি সোহেল খাঁন টুনু পাল্টা ট্যাটাস ও চ্যালেঞ্জ অনলাইনে জগন্নাথপুরে আলোরন সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

১ম পোষ্ট শাহীনুর পাশা চৌধুরী।।
জগন্নাথপুর পত্রিকার পাঠকদের জন্য উভয়ের পোষ্ট হুবহু তুলে দরা হলো।

 

নির্বাচন জগন্নাথপুর নিয়ে কিছু কথা।
জমিয়ত প্রার্থীর পরাজিত হবার নেপথ্যে।

 

৫৪৯৩ ভোট বেশী পেলেই আমরা বিজয়ী হতে পারতাম। আর তা অসম্ভব কিছু ছিলোনা। ৮৭ টি সেন্টারে আনুমানিক ৬৩ টি করে ভোট বেশী পড়লে বিরোধীদের মুখে চুনকালী দেয়া সম্ভব ছিলো।

 

 

মাত্র ১৭/১৮ দিনের নির্বাচনী কেম্পেইনে নেতা কর্মীদের Understanding কম ছিলো।
২. হঠাত করে নির্বাচনী শিডিউল ঘোষণায় আর্থিক প্রস্তুতি ছিলোনা। যে কারণে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪ শত ৯৯ জন ভোটার অধ্যুষিত একটি এলাকায় অর্থ সংকট আমাদেরে চাপে রেখেছিল।
৩. হিন্দু প্রার্থী ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ায় এখানেও প্রভাব পড়েছে— কারণ ২১ হাজারের মতো হিন্দু ভোট রয়েছে জগন্নাথপুরে।
৪. কওমী মাদরাসাগুলোর ষান্মাসিক পরীক্ষা পরবর্তি ছুটি থাকায়।
৫. অতি সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী ছাতক পৌরশহরে কওমী ও ফুলতলী পন্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন নিহত ও পরস্পর কাদা ছুড়াছুড়ির কারণে এর Side effect হয়েছে। কারণ জগন্নাথপুরে ফুলতলী রহ. এর অনুসারী বেশী।
৬. ভোট কাস্ট কম হয়েছে। মাত্র ৪৩%.
৭. জাতীয় নেতা মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ পরবর্তি এই আসনে শাহীনূর পাশা র জনপ্রিয়তা এক শ্রেণীর হিংসুটে রাজনীতিবিদদের জন্য অন্তর্জ্বালার কারণ হয়েছে। তারা নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে যতটুকু সময় দিয়েছে — তার চেয়ে বেশী সময় ব্যয় করেছে খেজুর গাছের বিরোধিতায়।
অপরিণামদর্শী সেই শ্রেণী নিজেদের অস্থিত্ব বিসর্জন দিয়ে হিন্দু প্রার্থীকে ভোট দিতে কুন্ঠাবোধ করেনি।
৮. খেজুর গাছ প্রতীক একেবারে নীচে থাকায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রায় ৬ হাজার ভোট বাতিল হয়েছে।
৯. চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে খেজুর গাছের প্রার্থী না থাকায় অন্যান্য দুটি প্রতীকে ৩ টিই প্রতীক থাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার বিব্রতবোধ করেছে।
১০. ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুরের ছালিম কাসিমীর আদর্শ এই পরিবারটি আরো এডবান্স হোক। এটা অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। তাও ছোট্ট একটি কারণ।

 

 

আপনাদের কাছে অন্য কারণও থাকতে পারে। আমাদের পর্যালোচনা মিটিং এর পর সঠিক বিষয় নির্ধারণ করা যাবে।

 
বি. দ্র.
বেশী কষ্ট পেয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
কাউকে কষ্ট দেয়া উদ্দেশ্য নয়। এরপরেও কষ্টের কোন কারণ হলে অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিলাম।
২.আমার ধারণা শতভাগ সত্য। এটা বলছিনা।
আপনাদের মতামতও মেনে নেয়ার মন মানসিকতা পোষণ করি।।

ওয়াস্সালাম।”

 

 

২য় পোষ্ট হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু।।

 

অাসসালামু আলাইকুম।

প্রিয় জগন্নাথপুর উপজেলার জাতীয়তাবাদি দলের নেতা কর্মীগন ও সম্মানীত উপজেলাবাসী, উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আমি ধান নিয়ে নির্বাচন করে ২য় স্হান অর্জন করেছি।
অালহামদুল্লিল্লাহ

 

 

সকল সফলতা কৃতিত্ব বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল ও উপজেলার সর্বস্হরের জনগনের

 

জাতিয় রাজনীতিতে ২০দলিয় জোট থাকায় আমরা অনেকটা ছাড় দিয়েছি শরিক দল জমিয়তের খেজুরগাছকে।
জাতিয় সার্থে আমাদের এ ছাড়।

 

 

কিন্তু ধানের কল্যাণে এমপি হওয়া শাহীনুর পাশা চৌধুরী সাহেবের ফেবু ট্যাটাসের অনেক কারনের মধ্যে ৭নং কারন আমাকে মর্মাহত করেছে।

 

৭নং কারন হুবহু তুলে দরলাম।

#৭. জাতীয় নেতা মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ পরবর্তি এই আসনে শাহীনূর পাশা’র জনপ্রিয়তা এক শ্রেণীর হিংসুটে রাজনীতিবিদদের জন্য অন্তর্জ্বালার কারণ হয়েছে। তারা নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে যতটুকু সময় দিয়েছে — তার চেয়ে বেশী সময় ব্যয় করেছে খেজুর গাছের বিরোধিতায়।

অপরিণামদর্শী সেই শ্রেণী নিজেদের অস্থিত্ব বিসর্জন দিয়ে হিন্দু প্রার্থীকে ভোট দিতে কুন্ঠাবোধ করেনি।#

২০দলের মধ্যে ইসলামী কোন দলের প্রার্থী ছিলনা।
আমী সে দিকে যাবনা
যাষ্ট বলবো ধানের কাল্যাণে আর বাহিরের কাওকে এমপি হতে দেবনা।

 

 

শাহীনুর পাশা চৌধুরী সাহেবকে আজ একটা চ্যালেঞ্জ করবো আগামী জাতিয় নির্বাচনে অাপনি অাপনার দলের খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচন করে দেখুন আপনার জনপ্রিয়তা এবং

আমার দলের ধানের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে লড়বো ইনশাআল্লাহ।

আশা করি খেজুরগাছের ভোটের হিসেব মিলবে।

 

অামার প্রিয়
সম্মানীত
জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীকে

অান্তরিক অভিনন্দন।

 

 

জগন্নাথপুর উপজেলাবাসী চায় উন্নয়ন।
প্রথমে শাহীনুর পাশা চৌধুী সাহেব নির্বাচন পরবর্তী অনলাইনে অপ্রত্যাশিত পোষ্ট না করলে এ অনাকাংখিত পরিবেশ সৃষ্টি হতোনা।

 
অনেকে মনে করছেন আগামী জাতীয় নির্বাচনে পাশা সাহেব খেজুরগাছ বা ধান নিয়ে আসলেও বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা পাশার সাহেবের জন্য কাজ করবেনা।

 
যা হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু সাহেব ও শাহীনুর পাশা চৌধুর সাহেবের পোষ্টের কমেন্ট সমুহ দেখলেই বুঝা যায়।

 

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

শাহীনুর পাশা চৌধুরীকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির টুনু খানের চ্যালেঞ্জ

Update Time : ১২:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মার্চ ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার :: জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন নিয়ে জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম বাংলাদের কেন্দ্রিয় যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরীর ট্যাটাসের জবাবে
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজি সোহেল খাঁন টুনু পাল্টা ট্যাটাস ও চ্যালেঞ্জ অনলাইনে জগন্নাথপুরে আলোরন সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

১ম পোষ্ট শাহীনুর পাশা চৌধুরী।।
জগন্নাথপুর পত্রিকার পাঠকদের জন্য উভয়ের পোষ্ট হুবহু তুলে দরা হলো।

 

নির্বাচন জগন্নাথপুর নিয়ে কিছু কথা।
জমিয়ত প্রার্থীর পরাজিত হবার নেপথ্যে।

 

৫৪৯৩ ভোট বেশী পেলেই আমরা বিজয়ী হতে পারতাম। আর তা অসম্ভব কিছু ছিলোনা। ৮৭ টি সেন্টারে আনুমানিক ৬৩ টি করে ভোট বেশী পড়লে বিরোধীদের মুখে চুনকালী দেয়া সম্ভব ছিলো।

 

 

মাত্র ১৭/১৮ দিনের নির্বাচনী কেম্পেইনে নেতা কর্মীদের Understanding কম ছিলো।
২. হঠাত করে নির্বাচনী শিডিউল ঘোষণায় আর্থিক প্রস্তুতি ছিলোনা। যে কারণে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪ শত ৯৯ জন ভোটার অধ্যুষিত একটি এলাকায় অর্থ সংকট আমাদেরে চাপে রেখেছিল।
৩. হিন্দু প্রার্থী ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ায় এখানেও প্রভাব পড়েছে— কারণ ২১ হাজারের মতো হিন্দু ভোট রয়েছে জগন্নাথপুরে।
৪. কওমী মাদরাসাগুলোর ষান্মাসিক পরীক্ষা পরবর্তি ছুটি থাকায়।
৫. অতি সম্প্রতি পার্শ্ববর্তী ছাতক পৌরশহরে কওমী ও ফুলতলী পন্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে দু’জন নিহত ও পরস্পর কাদা ছুড়াছুড়ির কারণে এর Side effect হয়েছে। কারণ জগন্নাথপুরে ফুলতলী রহ. এর অনুসারী বেশী।
৬. ভোট কাস্ট কম হয়েছে। মাত্র ৪৩%.
৭. জাতীয় নেতা মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ পরবর্তি এই আসনে শাহীনূর পাশা র জনপ্রিয়তা এক শ্রেণীর হিংসুটে রাজনীতিবিদদের জন্য অন্তর্জ্বালার কারণ হয়েছে। তারা নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে যতটুকু সময় দিয়েছে — তার চেয়ে বেশী সময় ব্যয় করেছে খেজুর গাছের বিরোধিতায়।
অপরিণামদর্শী সেই শ্রেণী নিজেদের অস্থিত্ব বিসর্জন দিয়ে হিন্দু প্রার্থীকে ভোট দিতে কুন্ঠাবোধ করেনি।
৮. খেজুর গাছ প্রতীক একেবারে নীচে থাকায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রায় ৬ হাজার ভোট বাতিল হয়েছে।
৯. চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানে খেজুর গাছের প্রার্থী না থাকায় অন্যান্য দুটি প্রতীকে ৩ টিই প্রতীক থাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার বিব্রতবোধ করেছে।
১০. ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুরের ছালিম কাসিমীর আদর্শ এই পরিবারটি আরো এডবান্স হোক। এটা অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। তাও ছোট্ট একটি কারণ।

 

 

আপনাদের কাছে অন্য কারণও থাকতে পারে। আমাদের পর্যালোচনা মিটিং এর পর সঠিক বিষয় নির্ধারণ করা যাবে।

 
বি. দ্র.
বেশী কষ্ট পেয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
কাউকে কষ্ট দেয়া উদ্দেশ্য নয়। এরপরেও কষ্টের কোন কারণ হলে অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিলাম।
২.আমার ধারণা শতভাগ সত্য। এটা বলছিনা।
আপনাদের মতামতও মেনে নেয়ার মন মানসিকতা পোষণ করি।।

ওয়াস্সালাম।”

 

 

২য় পোষ্ট হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু।।

 

অাসসালামু আলাইকুম।

প্রিয় জগন্নাথপুর উপজেলার জাতীয়তাবাদি দলের নেতা কর্মীগন ও সম্মানীত উপজেলাবাসী, উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আমি ধান নিয়ে নির্বাচন করে ২য় স্হান অর্জন করেছি।
অালহামদুল্লিল্লাহ

 

 

সকল সফলতা কৃতিত্ব বিএনপি যুবদল, ছাত্রদল ও উপজেলার সর্বস্হরের জনগনের

 

জাতিয় রাজনীতিতে ২০দলিয় জোট থাকায় আমরা অনেকটা ছাড় দিয়েছি শরিক দল জমিয়তের খেজুরগাছকে।
জাতিয় সার্থে আমাদের এ ছাড়।

 

 

কিন্তু ধানের কল্যাণে এমপি হওয়া শাহীনুর পাশা চৌধুরী সাহেবের ফেবু ট্যাটাসের অনেক কারনের মধ্যে ৭নং কারন আমাকে মর্মাহত করেছে।

 

৭নং কারন হুবহু তুলে দরলাম।

#৭. জাতীয় নেতা মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদ পরবর্তি এই আসনে শাহীনূর পাশা’র জনপ্রিয়তা এক শ্রেণীর হিংসুটে রাজনীতিবিদদের জন্য অন্তর্জ্বালার কারণ হয়েছে। তারা নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে যতটুকু সময় দিয়েছে — তার চেয়ে বেশী সময় ব্যয় করেছে খেজুর গাছের বিরোধিতায়।

অপরিণামদর্শী সেই শ্রেণী নিজেদের অস্থিত্ব বিসর্জন দিয়ে হিন্দু প্রার্থীকে ভোট দিতে কুন্ঠাবোধ করেনি।#

২০দলের মধ্যে ইসলামী কোন দলের প্রার্থী ছিলনা।
আমী সে দিকে যাবনা
যাষ্ট বলবো ধানের কাল্যাণে আর বাহিরের কাওকে এমপি হতে দেবনা।

 

 

শাহীনুর পাশা চৌধুরী সাহেবকে আজ একটা চ্যালেঞ্জ করবো আগামী জাতিয় নির্বাচনে অাপনি অাপনার দলের খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচন করে দেখুন আপনার জনপ্রিয়তা এবং

আমার দলের ধানের জনপ্রিয়তা যাচাই করতে লড়বো ইনশাআল্লাহ।

আশা করি খেজুরগাছের ভোটের হিসেব মিলবে।

 

অামার প্রিয়
সম্মানীত
জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীকে

অান্তরিক অভিনন্দন।

 

 

জগন্নাথপুর উপজেলাবাসী চায় উন্নয়ন।
প্রথমে শাহীনুর পাশা চৌধুী সাহেব নির্বাচন পরবর্তী অনলাইনে অপ্রত্যাশিত পোষ্ট না করলে এ অনাকাংখিত পরিবেশ সৃষ্টি হতোনা।

 
অনেকে মনে করছেন আগামী জাতীয় নির্বাচনে পাশা সাহেব খেজুরগাছ বা ধান নিয়ে আসলেও বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীরা পাশার সাহেবের জন্য কাজ করবেনা।

 
যা হাজি সোহেল অাহমদ খান টুনু সাহেব ও শাহীনুর পাশা চৌধুর সাহেবের পোষ্টের কমেন্ট সমুহ দেখলেই বুঝা যায়।

 

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ