০৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে, সাজাপ্রাপ্ত জামাই ৯ বছর পর গ্রেফতার

  • Update Time : ০৩:২৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনায় শ্বশুরের করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত জামাই আয়াতুল ইসলামকে (৩৩) প্রায় ৯ বছর পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে। রোববার রাত সাড়ে দশটার দিকে জেলার আটপাড়া উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে মোহনগঞ্জ থানার পুলিশ।গ্রেফতার আয়াতুল মোহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের মেদিপাথরখাটা গ্রামের শাহ জামালের ছেলে। ২০১১ সালে করা এ মামলায় ২০১৩ সালে আয়াতুলকে এক বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।পাশাপাশি দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়।এই অর্থ অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের মতি মিয়ার মেয়ে মরিয়মকে বিয়ে করেন আয়াতুল।একপর্যায়ে শাশুড়ি নাসরিনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন তিনি। পরে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে সিলেটে গিয়ে বিয়ে করে কয়েক মাস তারা একত্রে বসবাস করেন। এ ঘটনায় শ্বশুর মতি মিয়া বাদী হয়ে আয়াতুলকে আসামি করে মোহনগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।তবে বছর দেড়েক আগে মামলার বাদী মতি মিয়া মারা গেছেন বলে জানান এলাকাবাসী। মোহনগঞ্জ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (২৫ জুলাই) আয়তুলকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে, সাজাপ্রাপ্ত জামাই ৯ বছর পর গ্রেফতার

Update Time : ০৩:২৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুলাই ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার ঘটনায় শ্বশুরের করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত জামাই আয়াতুল ইসলামকে (৩৩) প্রায় ৯ বছর পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে। রোববার রাত সাড়ে দশটার দিকে জেলার আটপাড়া উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে মোহনগঞ্জ থানার পুলিশ।গ্রেফতার আয়াতুল মোহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউনিয়নের মেদিপাথরখাটা গ্রামের শাহ জামালের ছেলে। ২০১১ সালে করা এ মামলায় ২০১৩ সালে আয়াতুলকে এক বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।পাশাপাশি দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়।এই অর্থ অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের মতি মিয়ার মেয়ে মরিয়মকে বিয়ে করেন আয়াতুল।একপর্যায়ে শাশুড়ি নাসরিনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন তিনি। পরে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে সিলেটে গিয়ে বিয়ে করে কয়েক মাস তারা একত্রে বসবাস করেন। এ ঘটনায় শ্বশুর মতি মিয়া বাদী হয়ে আয়াতুলকে আসামি করে মোহনগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।তবে বছর দেড়েক আগে মামলার বাদী মতি মিয়া মারা গেছেন বলে জানান এলাকাবাসী। মোহনগঞ্জ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার (২৫ জুলাই) আয়তুলকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ