০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শান্তিগঞ্জে হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ

  • Update Time : ০৮:০১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৭৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন শান্তিগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল বিকাল ১১টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজারে এ গণ-সমাবেশ হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইমদাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদস্য সচিব আহমদ উসমান। গণ- সমাবেশ কর্মসূচীতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন দেখার হাওরের কৃষক আসাব আলী, মোঃ গৌছ উদ্দিন, আসলম উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, আজির উদ্দিন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রেদুয়ান আহমেদ, উপজেলা কমিটির সদস্য ইমরানুল হাসান, লায়েক আহমদ, জয়কলস ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক রুয়েল আহমদ, পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সচিব খসরু মিয়া, সমাজকর্মী কিবরিয়া, আজাদ আহমদ, মনসুর উদ্দিন, আজির উদ্দিন, রুহুল মিয়া,আতিকুর রহমান রাহিম প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, দেখার হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় বহু কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে, সাথে তাদের স্বপ্ন ও তলিয়ে গেছে। এই হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা বেশি, তাদের ক্ষতিপূরণ নিরুপন করে ক্ষতিপূণ দিতে হবে, এই উপজেলায় খাল নদী খনন দ্রুত শুরু করতে হবে। হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন থেকে শুরু করে কাজের প্রাথমিক পর্যায়েই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিয়মান ছিলো। অতিরিক্ত বরাদ্দ, নিম্নমানের কাজ এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে তারা বলেন, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন নিয়মিতভাবে কাজ করছে। তারা আরও জানান, বিভিন্ন পিআইসি পরিদর্শন করে অনিয়মের তথ্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে কিন্তু দৃশ্যমান কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিতে দেখিনি। পাশাপাশি বক্তারা আরো বলেন অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মানের ফলে সুনামগঞ্জে হাজার হাজার হেক্টর বোরো ফসলি জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষকরা সেই ধান আর রক্ষা করতে পারবেন কিনা শঙ্কায় আছেন। এই অপরিকল্পিত বাঁধ ও অপ্রয়োজনীয় পিআইসির কারণে কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে, যারা এই অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করতে হবে, এবং সুনামগঞ্জ থেকে তাদের অপসারণ করতে হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

শান্তিগঞ্জে হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ

Update Time : ০৮:০১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :: কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন শান্তিগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল বিকাল ১১টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজারে এ গণ-সমাবেশ হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইমদাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদস্য সচিব আহমদ উসমান। গণ- সমাবেশ কর্মসূচীতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন দেখার হাওরের কৃষক আসাব আলী, মোঃ গৌছ উদ্দিন, আসলম উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, আজির উদ্দিন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রেদুয়ান আহমেদ, উপজেলা কমিটির সদস্য ইমরানুল হাসান, লায়েক আহমদ, জয়কলস ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক রুয়েল আহমদ, পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সচিব খসরু মিয়া, সমাজকর্মী কিবরিয়া, আজাদ আহমদ, মনসুর উদ্দিন, আজির উদ্দিন, রুহুল মিয়া,আতিকুর রহমান রাহিম প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, দেখার হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় বহু কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে, সাথে তাদের স্বপ্ন ও তলিয়ে গেছে। এই হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা বেশি, তাদের ক্ষতিপূরণ নিরুপন করে ক্ষতিপূণ দিতে হবে, এই উপজেলায় খাল নদী খনন দ্রুত শুরু করতে হবে। হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন থেকে শুরু করে কাজের প্রাথমিক পর্যায়েই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিয়মান ছিলো। অতিরিক্ত বরাদ্দ, নিম্নমানের কাজ এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে তারা বলেন, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন নিয়মিতভাবে কাজ করছে। তারা আরও জানান, বিভিন্ন পিআইসি পরিদর্শন করে অনিয়মের তথ্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে কিন্তু দৃশ্যমান কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিতে দেখিনি। পাশাপাশি বক্তারা আরো বলেন অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মানের ফলে সুনামগঞ্জে হাজার হাজার হেক্টর বোরো ফসলি জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষকরা সেই ধান আর রক্ষা করতে পারবেন কিনা শঙ্কায় আছেন। এই অপরিকল্পিত বাঁধ ও অপ্রয়োজনীয় পিআইসির কারণে কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে, যারা এই অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করতে হবে, এবং সুনামগঞ্জ থেকে তাদের অপসারণ করতে হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ