শান্তিগঞ্জে পুলিশ কন্সটেবল কর্তৃক ভিডিও ধারণ করে বৃদ্ধের মানহানি: শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন
- Update Time : ০৬:৩২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
- / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ আকিকুর রহমান ও শিমুলবাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুর রহমান শাহীনের বাবা নব্বইয়োর্ধ্ব প্রবীণ মুরব্বি হাজী মোহাম্মদ আজহার আলীকে উস্কে দিয়ে পুলিশ কন্সটেবল জুনায়েদ আহমদ আল আমিন কর্তৃক ভিডিও ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে মানহানি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী পুলিশ কন্সটেবলের শান্তির দাবিতে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
বুধবার (২১ মে) দুপুর ১২টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার দিরাই-মদনপুর সড়কের গনিগঞ্জ বাজার এলাকায় গনিগঞ্জ গ্রামের পুলিশ কন্সটেবল জুনায়েদ আহমদ আল আমিন’র শাস্তির দাবিতে শিমুলবাঁক গ্রাম ও এলাকাবাসীর আয়োজনে প্রায় ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ আকিকুর রহমান, শিমুলবাক গ্রামের সালিশ ব্যক্তিত্ব জসীম উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য তালিম উদ্দিন, ফারুক মিয়া, কামরুল ইসলাম, নুরুল হক, সের আলী, মোহাম্মদ আলী, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সার্জেন্ট (অব) আব্দুল মজিদ, আকবর আলী, ফরিদ আহমদ, সাবেক উপজেলা বিএনপির পাঠাগার সম্পাদক জিতু মিয়া সহ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, বৃদ্ধ আজহার আলী বার্ধক্য জনিত কারণে প্রায়ই মেজাজ হারান। নিয়মিত রাগ করেন ছেলেদের উপরও। তাঁর এই বার্ধক্যজনিত সমস্যার সুযোগ নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে মানহানির ঘটনা ঘটিয়েছে রাজশাহী ডিভিশনে কর্মরত পুলিশ কন্সটেবল গণিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ফখরুল ইসলামের পুত্র জোনায়েদ আহমদ আল আমীন। একজন পুলিশ সদস্য ছুটিতে এসে এমন জঘন্য কাজ করবেন সেটা এলাকাবাসী কল্পনাও করেননি। আমরা এলাকাবাসী পুলিশ কন্সটেবল আল আমিনের শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। তাকে শাস্তির আওতায় আনতে সরকার ব্যার্থ হলে আমরা এলাকাবাসী আরো কঠোর কর্মসূচি পালন কবরো। আমরা চাই একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষকে যে হয়রানী ও মানহানি করেছে তার বিচার যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়। বক্তরা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে নিয়োগকৃত এই পুলিশ সদস্যের আমল নামা আপনারা দেখুন, সে ফ্যাসিস্টের কোটায় চাকরী নিয়েছে।
উল্লেখ্য, পারিবারিক বিরোধের জেরে গত বুধবার (১৪ মে) বিকালে গণিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের রাজশাহী ডিভিশনে কর্মরত কন্সটেবল জোনায়েদ আহমদ আল আমীন ছুটিতে নানার বাড়ি বেড়াতে এসে নিজ মামা যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষ নিয়ে হাজী মোহাম্মদ আজহার আলীর সাথে বাদানুবাদ করেন। বাদানুবাদের এক পর্যায়ে গালমন্দ করে কৌশলে হাজী মোহাম্মদ আজহার আলীকে উষ্কে দেন। এসময় বার্ধ্যজনিত কারণে মেজাজ হারান হাজী মোহাম্মদ আজহার আলী। মেজাজ হারিয়ে তিনি যখন গালাগালি শুরু করেন তখন ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন পুলিশ কন্সটেবল জোনায়েদ আহমদ আল আমীন এবং ধান লুটপাটের কথা বলে সংবাদ প্রচার করান।




























