১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শান্তিগঞ্জে কাঁঠাল নিয়ে সংঘর্ষের মামলায় আসামি ১৬৩

  • Update Time : ০৩:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০২৩
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় মসজিদে একটি কাঁঠাল নিলামকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনার এক সপ্তাহ পর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। রোববার (১৬ জুলাই) রাতে একটি এবং আজ সোমবার (১৭ জুলাই) সকালে আরেকটি মামলা হয়। দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৬৩ জনকে। জানা গেছে, আজ সোমবার সকালে দায়ের করা মামলার বাদী হলেন হাসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ফারুক আহমদ। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৯৪ জনকে। গতকাল রাতে একই গ্রামের মো. তফজ্জুল হক বাদী হয়ে করা মামলায় ৬৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর গ্রেপ্তারের ভয়ে দুই পক্ষের পুরুষ মানুষ গ্রামছাড়া ছিলেন। মূলত ‘বাদী’ না পাওয়ার কারণেই মামলা দায়েরে দেরি হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

১০ জুলাই সকালে শান্তিগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ গ্রামের মসজিদে দান করা একটি কাঁঠালের নিলামের জেরে মালদর আলী ও দ্বীন ইসলাম পক্ষের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৪ জন নিহত হন। আহত হন ২০ জন। নিহত ৪ জন হলেন হাসনাবাদ গ্রামের নজরুল ইসলাম, বাবুল মিয়া, শাহজাহান মিয়া ও মোখলেছুর রহমান। দ্বীন ইসলাম পক্ষের নজরুল ও বাবুল এবং শাহজাহান ও মোখলেছ হলেন মালদর আলী পক্ষের।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সংঘর্ষের আগে ৭ জুলাই শুক্রবার জুমার নামাজের পর হাসনাবাদ গ্রামের মসজিদে একজনের দান করা একটি কাঁঠাল নিলামে বিক্রি হয়। ২৫০ টাকা সর্বোচ্চ দরে এটি কেনেন মালদর আলী পক্ষের খসরু মিয়া। পর মুহূর্তে দ্বীন ইসলাম পক্ষের আবদুল বাহার সবাইকে থামিয়ে দেন। তাঁর দাবি, নিলাম ডাক নিচু স্বরে বলায় তিনি শুনতে পাননি।

তিনি কাঁঠালটি আরও বেশি দাম দিয়ে কিনতে আগ্রহী। তাই আবার নিলাম ডাকের দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে খসরু ও বাহারের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরে মুরব্বিরা তাঁদের শান্ত করে বিদায় করে দেন। পরে দ্বীন ইসলাম ও মালদর আলীর পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

শান্তিগঞ্জে কাঁঠাল নিয়ে সংঘর্ষের মামলায় আসামি ১৬৩

Update Time : ০৩:১৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুলাই ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় মসজিদে একটি কাঁঠাল নিলামকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনার এক সপ্তাহ পর থানায় দুটি মামলা হয়েছে। রোববার (১৬ জুলাই) রাতে একটি এবং আজ সোমবার (১৭ জুলাই) সকালে আরেকটি মামলা হয়। দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৬৩ জনকে। জানা গেছে, আজ সোমবার সকালে দায়ের করা মামলার বাদী হলেন হাসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ফারুক আহমদ। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে ৯৪ জনকে। গতকাল রাতে একই গ্রামের মো. তফজ্জুল হক বাদী হয়ে করা মামলায় ৬৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর গ্রেপ্তারের ভয়ে দুই পক্ষের পুরুষ মানুষ গ্রামছাড়া ছিলেন। মূলত ‘বাদী’ না পাওয়ার কারণেই মামলা দায়েরে দেরি হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

১০ জুলাই সকালে শান্তিগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ গ্রামের মসজিদে দান করা একটি কাঁঠালের নিলামের জেরে মালদর আলী ও দ্বীন ইসলাম পক্ষের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৪ জন নিহত হন। আহত হন ২০ জন। নিহত ৪ জন হলেন হাসনাবাদ গ্রামের নজরুল ইসলাম, বাবুল মিয়া, শাহজাহান মিয়া ও মোখলেছুর রহমান। দ্বীন ইসলাম পক্ষের নজরুল ও বাবুল এবং শাহজাহান ও মোখলেছ হলেন মালদর আলী পক্ষের।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সংঘর্ষের আগে ৭ জুলাই শুক্রবার জুমার নামাজের পর হাসনাবাদ গ্রামের মসজিদে একজনের দান করা একটি কাঁঠাল নিলামে বিক্রি হয়। ২৫০ টাকা সর্বোচ্চ দরে এটি কেনেন মালদর আলী পক্ষের খসরু মিয়া। পর মুহূর্তে দ্বীন ইসলাম পক্ষের আবদুল বাহার সবাইকে থামিয়ে দেন। তাঁর দাবি, নিলাম ডাক নিচু স্বরে বলায় তিনি শুনতে পাননি।

তিনি কাঁঠালটি আরও বেশি দাম দিয়ে কিনতে আগ্রহী। তাই আবার নিলাম ডাকের দাবি করেন তিনি। এ নিয়ে খসরু ও বাহারের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরে মুরব্বিরা তাঁদের শান্ত করে বিদায় করে দেন। পরে দ্বীন ইসলাম ও মালদর আলীর পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ