লাল-সবুজের জন্য তিন উল্লাস
- Update Time : ০২:৩৮:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
স্পোর্টস ডেস্ক :: উইকেট ব্যাটিং সহায়ক হলেও টি ২০তে ১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জেতা মুখের কথা নয়। সম্মিলিত ব্যাটিং পারফরম্যান্সে কঠিন সেই চ্যালেঞ্জ জিতে জিম্বাবুয়ে সফরের শেষটাও রাঙাল বাংলাদেশ। রোববার হারারেতে সফরের শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি ২০ সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নিল বাংলাদেশ। এর আগে একমাত্র টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৩-০তে জিতেছিল সফরকারীরা।
জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ১৯৩ রানের জবাবে মোহাম্মদ নাঈম শুরুতে বিদায় নিলেও কখনোই কক্ষচ্যুত হয়নি বাংলাদেশ। ম্যাচ ও সিরিজসেরা সৌম্য সরকারের দুরন্ত ফিফটি গড়ে দিয়েছিল জয়ের ভিত। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে শেষ সময়ের দাবি মেটান তরুণ শামীম হোসেন। ১৫ বলে অপরাজিত ৩১ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে চার বল বাকি থাকতেই দলকে জয়ের ঠিকানায় পৌঁছে দেন শামীম। মাঝে ঝড় তোলেন সাকিব আল হাসান (১৩ বলে ২৫) ও আফিফ হোসেন (পাঁচ বলে ১৪)। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ২৮ বলে ৩৪ রানের ইনিংসটিও অমূল্য। তবে বোলিংয়ে দুই উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতেও দলের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন সৌম্য। তার ৪৯ বলে ৬৮ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসেই নিজেদের টি ২০ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতা সম্ভব হয়েছে।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে পাঁচ উইকেটে ১৯৩ রান তোলে ২০ ওভারে। ১০ ওভারের (৯.৩ ওভার) মধ্যে তারা মাত্র এক উইকেট হারিয়ে ১০০ রান তুলেছিল। সৌম্য সরকার এক ওভারে দুই উইকেট না নিলে স্বাগতিকদের সংগ্রহ হয়তো ২০০ ছাড়িয়ে যেত। সৌম্য ৬.৩৩ ইকোনমি রেটে তিন ওভারে ১৯ রান দিয়ে ওই দুটি উইকেট নেন। কিন্তু অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ আশ্চর্যজনকভাবে সৌম্যকে দিয়ে চতুর্থ ওভার বল করাননি।
জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ভিত গড়ে দেন ওপেনার ওয়েসলি মাধেভেরে ও ওয়ানডাউন ব্যাটসম্যান রেজিস চাকাভা। মাধেভেরে ইনিংসের একমাত্র হাফ সেঞ্চুরি করেন। ৫৪ রান করতে তিনি খেলেন ৩৬ বল। তার ইনিংসের শোভা বাড়ায় ছয়টি চার। চাকাভা ছয়টি ছয়ের সহায়তায় ৪৮ রান করেন ২২ বলে। আরেক ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানি ২০ বলে ২৭ এবং ডিওন মায়ার্স ২৩ রান করেন ২১ বল খেলে। রায়ান বার্ল যথারীতি এই ম্যাচেও বিধ্বংসী ব্যাটিং (১৫ বলে হার না-মানা ৩১) করেন। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা সব মিলিয়ে ১০টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। টি ২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে এই নজির গড়লেন তারা চতুর্থবার।
একমাত্র সৌম্য নিয়েছেন দুই উইকেট। একটি করে উইকেট পান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শরিফুল ইসলাম ও সাকিব আল হাসান। এর মধ্যে চার ওভারে সবচেয়ে বেশি ৫০ রান দিয়েছেন ডান-হাতি পেসার সাইফউদ্দিন। সবচেয়ে কম ২৪ রান দিয়েছেন সাকিব। মেহেদী হাসান মিরাজের বদলে সুযোগ পাওয়া বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ নিজের তৃতীয় টি ২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে তিন ওভারে ৩৭ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থেকেছেন। এর মধ্যে এক ওভারে ২১ রান। ওই ওভারে চাকভা তাকে টানা তিনটি ছয় মারেন। (স্কোর কার্ড খেলার পাতায়)




























