০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লকডাউন শাহ মোঃ সফিনূর

  • Update Time : ০২:০৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ে লকডাউন বিশ্বের প্রতিটি দেশের সরকার যেভাবে নির্দেশনা দেয় জনগণ চলার চেষ্টা করে এবং সরকার পক্ষ থেকে সব ধরনের সার্বিক সহযোগিতা করা হয়। এবং সরকার সঠিকভাবে তদারকিও করে কোন ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় না নিয়ে বিশ্বের প্রায় করোনাকালীন সময়ে বাস্তবতার উদাহরণ হল প্রবাসে অথবা ইউরোপ আমেরিকাতে সরকারগুলো জনগণকে কিভাবে রক্ষা করবে জনগণকে কিভাবে খাদ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে জীবনযাত্রাকে সার্বিক পরিচালনা করার জন্য যত ধরনের সার্বিক সহযোগিতা দরকার সরকার দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ না করে জনগণকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
অথচ বর্তমান সরকার জনগণকে কিভাবে খাদ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে অথবা জনগণকে রক্ষণাবেক্ষণ করবে কোন ধরনের পরিকল্পনা না করে লকডাউন দেশ করে দেশকে দুর্ভিক্ষ দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এবং সরকারের লকডাউন আহ্বানের ডাকে কোন ধরনের সাড়া না দিয়ে জনগণ তাদের মত চলাফেরা করে। আরেকটি কারণ হলো সরকার কোন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ না করে লকডাউন ঘোষণা করা। যারা দরিদ্রসীমার নিচে দিনে কাজ করে খাবার সংগ্রহ করে তাদের জন্য সরকার কোন ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে ধাবিত করছে এবং অনাহারে অনেক মানুষ মারা যাবে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মত থেকে অনেকেই চিকিৎসার অভাবে মারা যাবে। বর্তমানে ঢাকার যে অবস্থা মানুষ চিকিৎসার অভাবে হাহাকার করে।বিভিন্ন দিক থেকে ঢাকা শহরের চিকিৎসার আশায় এসে আবার ফিরে যাচ্ছে খালি হাতে সরকারের ব্যর্থতার একটা উদাহরণ। এবং শুরু হবে মাহে রমাজান এইসময় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশচুম্বী হবে দরিদ্রসীমার নিচে মানুষগুলো ক্রয় করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। সরকারের লকডাউনের ঘোষণা শুধু ঘোষণা হয়ে থাকবে কারণ হলো জনগণ এতে কোন ধরনের সারা দিবে না ।দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের কোনো কর্মসূচি ঘোষণা না থাকার কারণে লকডাউন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হিসেবে পরিণত হবে এবং দেশে মহামারী আকার ধারণ করবে। মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সরকারের উচিত হবে মাহে রমজান মাসে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র মানুষকে সহযোগিতা করা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

লকডাউন শাহ মোঃ সফিনূর

Update Time : ০২:০৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১

বর্তমান সময়ে লকডাউন বিশ্বের প্রতিটি দেশের সরকার যেভাবে নির্দেশনা দেয় জনগণ চলার চেষ্টা করে এবং সরকার পক্ষ থেকে সব ধরনের সার্বিক সহযোগিতা করা হয়। এবং সরকার সঠিকভাবে তদারকিও করে কোন ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় না নিয়ে বিশ্বের প্রায় করোনাকালীন সময়ে বাস্তবতার উদাহরণ হল প্রবাসে অথবা ইউরোপ আমেরিকাতে সরকারগুলো জনগণকে কিভাবে রক্ষা করবে জনগণকে কিভাবে খাদ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে জীবনযাত্রাকে সার্বিক পরিচালনা করার জন্য যত ধরনের সার্বিক সহযোগিতা দরকার সরকার দুর্নীতির আশ্রয় গ্রহণ না করে জনগণকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
অথচ বর্তমান সরকার জনগণকে কিভাবে খাদ্য দিয়ে সহযোগিতা করবে অথবা জনগণকে রক্ষণাবেক্ষণ করবে কোন ধরনের পরিকল্পনা না করে লকডাউন দেশ করে দেশকে দুর্ভিক্ষ দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এবং সরকারের লকডাউন আহ্বানের ডাকে কোন ধরনের সাড়া না দিয়ে জনগণ তাদের মত চলাফেরা করে। আরেকটি কারণ হলো সরকার কোন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ না করে লকডাউন ঘোষণা করা। যারা দরিদ্রসীমার নিচে দিনে কাজ করে খাবার সংগ্রহ করে তাদের জন্য সরকার কোন ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে ধাবিত করছে এবং অনাহারে অনেক মানুষ মারা যাবে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মত থেকে অনেকেই চিকিৎসার অভাবে মারা যাবে। বর্তমানে ঢাকার যে অবস্থা মানুষ চিকিৎসার অভাবে হাহাকার করে।বিভিন্ন দিক থেকে ঢাকা শহরের চিকিৎসার আশায় এসে আবার ফিরে যাচ্ছে খালি হাতে সরকারের ব্যর্থতার একটা উদাহরণ। এবং শুরু হবে মাহে রমাজান এইসময় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশচুম্বী হবে দরিদ্রসীমার নিচে মানুষগুলো ক্রয় করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। সরকারের লকডাউনের ঘোষণা শুধু ঘোষণা হয়ে থাকবে কারণ হলো জনগণ এতে কোন ধরনের সারা দিবে না ।দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারের কোনো কর্মসূচি ঘোষণা না থাকার কারণে লকডাউন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হিসেবে পরিণত হবে এবং দেশে মহামারী আকার ধারণ করবে। মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সরকারের উচিত হবে মাহে রমজান মাসে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র মানুষকে সহযোগিতা করা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ