০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোজা অবস্থায় রান্নার স্বাদ বা লবণ দেখা যাবে কি ?

  • Update Time : ০৫:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: রমজান এলেই রান্না নিয়ে প্রায় সব মুসলিম নারীর একটা বাড়তি দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। সেহরি, ইফতারসহ রাতের খাবার সুস্বাদু হচ্ছে কিনা?

রোজা রেখে রান্না করার কারণে রোজা ভেঙে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই তরকারির লবন দেখেন না৷ ফলে ইফতারিতে অথবা রাতের খাবারে লবন বেশি হলে পরিবারের অন্যদের কষ্ট পোহাতে হয়।

 

সত্যিই কি রোজা রেখে লবন চাখলে রোজা ভেঙে যায়? নাকি রোজা রেখে তরকারির লবন চাখা বৈধ আছে, আজকে আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করবো।

 

এর সঠিক ও গ্রহণযোগ্য উত্তর হচ্ছে— অন্যদের কষ্ট হওয়ার আশঙ্কা হলে রোজা অবস্থায় তরকারির লবণ দেখার অবকাশ আছে। এতে রোজা ভঙ্গ হবে না। তবে লবণ দেখে সঙ্গে সঙ্গে থুতু ফেলে দিতে হবে। প্রয়োজনে কুলিও করে নিতে হবে।

 

খেয়াল রাখতে হবে, খাবারের অংশ যেন গলাতে চলে না যায়। অন্যদের কষ্টের আশঙ্কা না হলে এমনিতেই রোজা অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া জিহ্বা দ্বারা স্বাদ না দেখা উচিত।

 

সূত্র: মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস ৯৩৮৫, ৯৩৮৬; আলমুহিতুল বুরহানি ৩/৩৫৬; তাবয়িনুল হাকাইক ২/১৮৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৯৯

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

রোজা অবস্থায় রান্নার স্বাদ বা লবণ দেখা যাবে কি ?

Update Time : ০৫:৫৫:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০২৪

ডেস্ক রিপোর্ট :: রমজান এলেই রান্না নিয়ে প্রায় সব মুসলিম নারীর একটা বাড়তি দুশ্চিন্তা তৈরি হয়। সেহরি, ইফতারসহ রাতের খাবার সুস্বাদু হচ্ছে কিনা?

রোজা রেখে রান্না করার কারণে রোজা ভেঙে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই তরকারির লবন দেখেন না৷ ফলে ইফতারিতে অথবা রাতের খাবারে লবন বেশি হলে পরিবারের অন্যদের কষ্ট পোহাতে হয়।

 

সত্যিই কি রোজা রেখে লবন চাখলে রোজা ভেঙে যায়? নাকি রোজা রেখে তরকারির লবন চাখা বৈধ আছে, আজকে আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করবো।

 

এর সঠিক ও গ্রহণযোগ্য উত্তর হচ্ছে— অন্যদের কষ্ট হওয়ার আশঙ্কা হলে রোজা অবস্থায় তরকারির লবণ দেখার অবকাশ আছে। এতে রোজা ভঙ্গ হবে না। তবে লবণ দেখে সঙ্গে সঙ্গে থুতু ফেলে দিতে হবে। প্রয়োজনে কুলিও করে নিতে হবে।

 

খেয়াল রাখতে হবে, খাবারের অংশ যেন গলাতে চলে না যায়। অন্যদের কষ্টের আশঙ্কা না হলে এমনিতেই রোজা অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া জিহ্বা দ্বারা স্বাদ না দেখা উচিত।

 

সূত্র: মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, হাদিস ৯৩৮৫, ৯৩৮৬; আলমুহিতুল বুরহানি ৩/৩৫৬; তাবয়িনুল হাকাইক ২/১৮৪; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৯৯

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ