০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে মারধর, মামলা দায়ের
- Update Time : ১২:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
- / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেট নগরের দক্ষিণ কাজলশাহ নবাবরোড রেনু মঞ্জিলে তানিয়া আক্তার (২৬) নামে এক গৃহবধূকে যৌতুকের জন্য কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। স্বামী জাহিদুল ইসলাম তার ওপর এই নির্যাতন চালান। দাবি করা যৌতুকের টাকা বাবার বাড়ি থেকে এনে না দেওয়ায় গত মঙ্গলবার (২৭ মে) রাতে তানিয়াকে এই মারধর করা হয়। এ ঘটনায় তানিয়া বাদী হয়ে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাসূত্রে জানা যায়- ২০১৭ সালে দক্ষিণ কাজলশাহ নবাব রোডের রেনু মঞ্জিলের ভাড়াটিয়া লিয়াকত আলীর ছেলে জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে ঘাসিটুলা সবুজসেনা পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেনের মেয়ে তানিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের একটি মেয়ে জন্মগ্রহণ করে, বর্তমানে তার বয়স তিন বছর। সম্প্রতি তানিয়ার স্বামী বিদেশ যাওয়ার কথা বলে তানিয়াকে তার বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিয়ের পর তানিয়ার বাবা তার মেয়ের জামাইকে বিভিন্ন সময়ে নগদ ১ লাখ টাকা, দুবাই যাওয়ার জন্য আড়াই লাখ টাকা, মোটরসাইকেল কেনার জন্য আরও টাকা দেন। সম্প্রতি তানিয়ার স্বামী আরও ৬ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এই টাকা না পেয়ে গত মঙ্গলবার রাত ১১টায় তানিয়া আক্তারকে ছুরি দিয়ে মারধর করে প্রাণে মারা চেষ্টা করে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে তানিয়ার বাবা এসে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় তানিয়াকে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তানিয়া বাদী হয়ে কতোয়ালী মডেল থানায় নারী নির্যাতন ও যৌতুকের আইনে মামলা দায়ের করেন (যার নং-২৩১/২০২৫ইং)। মামলায় তানিয়ার স্বামী জাহিদুল ইসলাম, শ্বশুর লিয়াকত আলী, শাশুড়ি জাহানারা বেগম, ননদ সাবিনা আক্তারকে আসামি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নির্যাতনের শিকার তানিয়া আক্তার বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার জন্য ৬ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করে আমার ওপর স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন হামলা চালায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আমাকে স্থানীয় ও আমার পরিবারের লোকজন এসে ওসমানী হাসপাতালে ওসিসিতে ভর্তি করেন।’ ওসমানী হাসপাতালে ওসিসি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক বলেন, ‘তানিয়াকে গলায় চাপ দিয়ে প্রাণে মারা চেষ্টা করা হয়েছে। তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।’




























