০১:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুবলীগ ক্যাডার মাসুক ও বাহিনীর সদস্যের গ্রেফতারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন

  • Update Time : ১০:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের গোসাইনপুর গ্রামের কৃষক মো. তেরা মিয়াসহ অন্যান্যদের উপর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ নেতা মাসুক আহমদ হামলা করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫ টায় স্থানীয় ফতেপুর বাজারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালমান হোসাইনের সভাপতিত্বে ও খেলাফত মজলিস নেতা হাসান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন খেলাফত মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ জহির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রহিম, আশরাফুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ৬নং ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, ইসলামী যুব মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার সদস্য সচিবকে এম মনসুর আহমদ, খেলাফত মজলিস ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার নির্বাহী সদস্য মাওলানা আলী হোসাইন প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা আখলাক হুসাইন একজন নীতিবান আলেম। যিনি নিয়মিত কুরআন-হাদিস ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওয়াজ মাহফিলে বয়ান করে থাকেন। এছাড়া খেলাফত মজলিসের যুব সংগঠন ইসলামী যুব মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি লেখালেখির সাথেও জড়িত রয়েছেন। এই কারণে বিগত ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করায় অনেক নির্যাতন ও জেল খেটেছেন। স্বৈরাচাবিরোধী জুলাই আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। যার কারণে স্বৈরশাসকের দোরদের টার্গেট ছিলেন তিনি। বক্তরা আরো বলেন, ৫ ফেব্রুয়ারি আখলাকের বাড়ির দক্ষিণ পাশের সবজি বাগানে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে যুবলীগ নেতা মাসুক আহমদ ও তার বাহিনী। এসময় তারা প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার টাকার ক্ষতি সাধন করে। সাইদুর রহমান বাধা দিতে আসলে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এসময় সাইদুর রহমানকে রক্ষা করতে আখলাক হুসাইন এগিয়ে এলে যুবলীগ নেতা মাসুক বাহিনী তার উপর চড়াও হয়। এনিয়ে ৫ তারিখ বিকালে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন সাইদুর রহমান। ২৫ তারিখ পর্যন্ত কোন তদন্ত করা হয়নি। তাই ২৬ তারিখ মানববন্ধনের আয়োজন করেন তিনি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন মাওলানা আখলাক হুসাইন তার পিতা মো. তেরা মিয়াসহ প্রতিবেশী অনেক সাধারণ জনতা। মানববন্ধন চলাকালে আওয়ামী যুবলীগ নেতা মাসুক আহমদ ও তার পালিত গুন্ডা বাহিনী আক্রমণ করে। এতে গুরুতর আহত হন মাওলানা আখলাক হুসাইনের পিতা কৃষক মো. তেরা মিয়া। এছাড়া আরো প্রায় ৬ তেকে ৭ জন আহত হন। বক্তারা অভিলম্বে মানববন্ধনে হামলাকারী যুবলীগ ক্যাডার মাসুক ও বাহিনীর সদস্যের সনাক্ত করে আইনের আওয়াত এনে শাস্তির দাবি জানান। মাওলানা আব্দুর রহমানের তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া মানববন্ধন মাওলানা উবায়দুল্লাহ জহিরের মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

যুবলীগ ক্যাডার মাসুক ও বাহিনীর সদস্যের গ্রেফতারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন

Update Time : ১০:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের গোসাইনপুর গ্রামের কৃষক মো. তেরা মিয়াসহ অন্যান্যদের উপর ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ নেতা মাসুক আহমদ হামলা করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫ টায় স্থানীয় ফতেপুর বাজারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালমান হোসাইনের সভাপতিত্বে ও খেলাফত মজলিস নেতা হাসান আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন খেলাফত মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ জহির। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রহিম, আশরাফুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ৬নং ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, ইসলামী যুব মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার সদস্য সচিবকে এম মনসুর আহমদ, খেলাফত মজলিস ফতেপুর ইউনিয়ন শাখার নির্বাহী সদস্য মাওলানা আলী হোসাইন প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা আখলাক হুসাইন একজন নীতিবান আলেম। যিনি নিয়মিত কুরআন-হাদিস ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওয়াজ মাহফিলে বয়ান করে থাকেন। এছাড়া খেলাফত মজলিসের যুব সংগঠন ইসলামী যুব মজলিস গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি লেখালেখির সাথেও জড়িত রয়েছেন। এই কারণে বিগত ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করায় অনেক নির্যাতন ও জেল খেটেছেন। স্বৈরাচাবিরোধী জুলাই আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। যার কারণে স্বৈরশাসকের দোরদের টার্গেট ছিলেন তিনি। বক্তরা আরো বলেন, ৫ ফেব্রুয়ারি আখলাকের বাড়ির দক্ষিণ পাশের সবজি বাগানে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে যুবলীগ নেতা মাসুক আহমদ ও তার বাহিনী। এসময় তারা প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার টাকার ক্ষতি সাধন করে। সাইদুর রহমান বাধা দিতে আসলে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এসময় সাইদুর রহমানকে রক্ষা করতে আখলাক হুসাইন এগিয়ে এলে যুবলীগ নেতা মাসুক বাহিনী তার উপর চড়াও হয়। এনিয়ে ৫ তারিখ বিকালে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন সাইদুর রহমান। ২৫ তারিখ পর্যন্ত কোন তদন্ত করা হয়নি। তাই ২৬ তারিখ মানববন্ধনের আয়োজন করেন তিনি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন মাওলানা আখলাক হুসাইন তার পিতা মো. তেরা মিয়াসহ প্রতিবেশী অনেক সাধারণ জনতা। মানববন্ধন চলাকালে আওয়ামী যুবলীগ নেতা মাসুক আহমদ ও তার পালিত গুন্ডা বাহিনী আক্রমণ করে। এতে গুরুতর আহত হন মাওলানা আখলাক হুসাইনের পিতা কৃষক মো. তেরা মিয়া। এছাড়া আরো প্রায় ৬ তেকে ৭ জন আহত হন। বক্তারা অভিলম্বে মানববন্ধনে হামলাকারী যুবলীগ ক্যাডার মাসুক ও বাহিনীর সদস্যের সনাক্ত করে আইনের আওয়াত এনে শাস্তির দাবি জানান। মাওলানা আব্দুর রহমানের তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া মানববন্ধন মাওলানা উবায়দুল্লাহ জহিরের মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ