০৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেরাজের ঘটনা থেকে প্রমাণিত হানাফি মাযহাবের দুটি মাসআলা

  • Update Time : ০১:০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

শাহ মমশাদ আহমদ

 

রাসুলুল্লাহ (সঃ) মেরাজের সফর কালে কয়েকটি স্থানে দুরাকাত করে নফল নামাজ আদায় করেন। ১. মদীনা, ২. সীনা পাহাড়, যেখানে মুসা আঃ এর আল্লাহর সাথে মুলাকাত হয়, ৩. বায়তুল লাহাম, যেখানে হযরত ঈসা আঃ জন্ম গ্রহণ করেন, বর্তমান নাম বেথেলহাম। ৪. বায়তুল মুকাদ্দাস। (তাবরানী, বায়হাকী, মাসনাদে বাযযার)। * অতি দ্রুত সফরের সময় ও প্রিয় নবী সঃ নফল নামাজ দুরাকাত পড়েছেন, এক রাকাত নামাজের সুযোগ থাকলে এক রাকাত আদায় করতেন।বুঝা গেল, এক রাকাত বিশিষ্ট কোন সালাত প্রমাণিত নয়। * মেরাজে গমনকালে মসজিদে আকসায় সমবেত সমস্ত নবীগণ রাসুলুল্লাহ সঃ এর ইমামতিতে দুরাকাত নামাজ আদায় করেন। (মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ)। প্রিয় নবী সঃ অবশ্যই কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেছেন, অন্যান্য নবীগন তো অপরাপর আসমানী কিতাবগুলো অনুসরণ করতেন, স্বাভাবিকতঃ নিজেদের কিতাব তেলাওয়াত করতেন, এগুলো আরবী ভাষায় ও ছিলনা। অবশ্যই তাঁরা রাসুলুল্লাহ এর তেলাওয়াত শুধু শুনেছেন, মুকতাদী হিসেবে তেলাওয়াত করার সুযোগ ও তাদের ছিলনা। এতে প্রমাণিত হয়, ইমামের পিছনে মুকতাদীর কেরাত পড়ার প্রয়োজন নেই। আল্লাহ আমাদের বুঝার তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মেরাজের ঘটনা থেকে প্রমাণিত হানাফি মাযহাবের দুটি মাসআলা

Update Time : ০১:০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১

শাহ মমশাদ আহমদ

 

রাসুলুল্লাহ (সঃ) মেরাজের সফর কালে কয়েকটি স্থানে দুরাকাত করে নফল নামাজ আদায় করেন। ১. মদীনা, ২. সীনা পাহাড়, যেখানে মুসা আঃ এর আল্লাহর সাথে মুলাকাত হয়, ৩. বায়তুল লাহাম, যেখানে হযরত ঈসা আঃ জন্ম গ্রহণ করেন, বর্তমান নাম বেথেলহাম। ৪. বায়তুল মুকাদ্দাস। (তাবরানী, বায়হাকী, মাসনাদে বাযযার)। * অতি দ্রুত সফরের সময় ও প্রিয় নবী সঃ নফল নামাজ দুরাকাত পড়েছেন, এক রাকাত নামাজের সুযোগ থাকলে এক রাকাত আদায় করতেন।বুঝা গেল, এক রাকাত বিশিষ্ট কোন সালাত প্রমাণিত নয়। * মেরাজে গমনকালে মসজিদে আকসায় সমবেত সমস্ত নবীগণ রাসুলুল্লাহ সঃ এর ইমামতিতে দুরাকাত নামাজ আদায় করেন। (মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ)। প্রিয় নবী সঃ অবশ্যই কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেছেন, অন্যান্য নবীগন তো অপরাপর আসমানী কিতাবগুলো অনুসরণ করতেন, স্বাভাবিকতঃ নিজেদের কিতাব তেলাওয়াত করতেন, এগুলো আরবী ভাষায় ও ছিলনা। অবশ্যই তাঁরা রাসুলুল্লাহ এর তেলাওয়াত শুধু শুনেছেন, মুকতাদী হিসেবে তেলাওয়াত করার সুযোগ ও তাদের ছিলনা। এতে প্রমাণিত হয়, ইমামের পিছনে মুকতাদীর কেরাত পড়ার প্রয়োজন নেই। আল্লাহ আমাদের বুঝার তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ