০২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মা দিবসের ইতিহাস এবং আজকের সমাজ

  • Update Time : ০৮:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সাইফুর রহমান

 

 

বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাস শতবর্ষের পুরনো। যুক্তরাষ্ট্রে আনা জারভিস নামের এক নারী মায়েদের অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। এ কাজের মধ্য দিয়ে তিনি মায়েদের কর্মদিবসের সূচনা করেন। ১৯০৫ সালে আনা জারভিস মারা গেলে তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন। ওই বছর তিনি তার সান ডে স্কুলে প্রথম এ দিনটি মাতৃদিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯০৭ সালের এক রোববার আনা মারিয়া স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। এরই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার পাশাপাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী সমাজে বিশেষ করে ইউরোপ-আমেরিকায় এটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে আসছে। উদযাপনের জনপ্রিয়তায় বড়দিন এবং ভালোবাসা দিবসের পর মা দিবসের অবস্থান। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশে এ দিবসটি ঘটা করে পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। যদিও মাকে সম্মান, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দেখাতে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঠিক করে নেয়ার যুক্তি অনেকের কাছেই সেভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অনেকেই মনে করেন মাকে সম্মান দেখাতে, তাকে গভীরভাবে স্মরণ করতে আন্তর্জাতিকভাবে পালিত আন্তর্জাতিক মা দিবসের গুরুত্ব রয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রদ্ধা এবং অকৃত্রিম ভালোবাসার সম্পদ এ মাকে সম্মান জানাতেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস।
আমাদের দেশে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হলেও বিভিন্ন দেশে বছরের বিভিন্ন সময়ে পালন করা হয় মা দিবস।
সাধারণত সাদা কারনেশন ফুলকে মা দিবসের প্রতীক বিবেচনা করা হয়। এই দিনে সন্তানরা ফুল এবং নানা প্রছন্দের সামগ্রী মাকে উপহার দিয়ে থাকে। অনেকেই ছুটি নিয়ে মায়ের একান্ত সান্নিধ্যে দিনটি কাটিয়ে দেয়। কিন্ত এই একটি দিনও প্রিয় সন্তানের সান্নিধ্য মিলে না অনেক হতভাগ্য মায়েদের।।

 

গিয়ে দেখুন বাংলাদেশের বৃদ্ধাশ্রম নামক অমানবিক বানিজ্য কেন্দ্র গুলোতে।।ছেলে মস্ত বড় অফিসার,,বিশাল প্রসাদ,,বাড়ি ফাঁকা বলে শাশুড়ি কে এনে রাখে বাড়িতে।।

 

কিন্ত জন্ম দাত্রী মা,,তাকে রেখেছে বৃদ্ধাশ্রমে।। কোন অপরাদে তার এই একাকিত্ব।। এই ছেলেকে জন্ম দেয়াই কি মায়ের অপরাধ।।
এই মাতৃ দিবসে সব অসহায় মা-বাবাদের পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি মা-বাবা কে লালন পালনের জন্য সন্তানদের সরকারি আইন করা হোক। এবং বৃদ্ধাশ্রম নামক অবৈধ ব্যবসা গুলো বন্ধ করা হোক।।

 

লেখক: ওসমানীনগর, সিলেট।

মোবাঃ 01775-100810

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মা দিবসের ইতিহাস এবং আজকের সমাজ

Update Time : ০৮:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০১৭

সাইফুর রহমান

 

 

বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাস শতবর্ষের পুরনো। যুক্তরাষ্ট্রে আনা জারভিস নামের এক নারী মায়েদের অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। এ কাজের মধ্য দিয়ে তিনি মায়েদের কর্মদিবসের সূচনা করেন। ১৯০৫ সালে আনা জারভিস মারা গেলে তার মেয়ে আনা মারিয়া রিভস জারভিস মায়ের কাজকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য সচেষ্ট হন। ওই বছর তিনি তার সান ডে স্কুলে প্রথম এ দিনটি মাতৃদিবস হিসেবে পালন করেন। ১৯০৭ সালের এক রোববার আনা মারিয়া স্কুলের বক্তব্যে মায়ের জন্য একটি দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। ১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেস মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। এরই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার পাশাপাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশসহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মানসহ শতাধিক দেশে মর্যাদার সঙ্গে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী সমাজে বিশেষ করে ইউরোপ-আমেরিকায় এটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে আসছে। উদযাপনের জনপ্রিয়তায় বড়দিন এবং ভালোবাসা দিবসের পর মা দিবসের অবস্থান। সেই বিবেচনায় বাংলাদেশে এ দিবসটি ঘটা করে পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। যদিও মাকে সম্মান, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দেখাতে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঠিক করে নেয়ার যুক্তি অনেকের কাছেই সেভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অনেকেই মনে করেন মাকে সম্মান দেখাতে, তাকে গভীরভাবে স্মরণ করতে আন্তর্জাতিকভাবে পালিত আন্তর্জাতিক মা দিবসের গুরুত্ব রয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রদ্ধা এবং অকৃত্রিম ভালোবাসার সম্পদ এ মাকে সম্মান জানাতেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস।
আমাদের দেশে প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হলেও বিভিন্ন দেশে বছরের বিভিন্ন সময়ে পালন করা হয় মা দিবস।
সাধারণত সাদা কারনেশন ফুলকে মা দিবসের প্রতীক বিবেচনা করা হয়। এই দিনে সন্তানরা ফুল এবং নানা প্রছন্দের সামগ্রী মাকে উপহার দিয়ে থাকে। অনেকেই ছুটি নিয়ে মায়ের একান্ত সান্নিধ্যে দিনটি কাটিয়ে দেয়। কিন্ত এই একটি দিনও প্রিয় সন্তানের সান্নিধ্য মিলে না অনেক হতভাগ্য মায়েদের।।

 

গিয়ে দেখুন বাংলাদেশের বৃদ্ধাশ্রম নামক অমানবিক বানিজ্য কেন্দ্র গুলোতে।।ছেলে মস্ত বড় অফিসার,,বিশাল প্রসাদ,,বাড়ি ফাঁকা বলে শাশুড়ি কে এনে রাখে বাড়িতে।।

 

কিন্ত জন্ম দাত্রী মা,,তাকে রেখেছে বৃদ্ধাশ্রমে।। কোন অপরাদে তার এই একাকিত্ব।। এই ছেলেকে জন্ম দেয়াই কি মায়ের অপরাধ।।
এই মাতৃ দিবসে সব অসহায় মা-বাবাদের পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি মা-বাবা কে লালন পালনের জন্য সন্তানদের সরকারি আইন করা হোক। এবং বৃদ্ধাশ্রম নামক অবৈধ ব্যবসা গুলো বন্ধ করা হোক।।

 

লেখক: ওসমানীনগর, সিলেট।

মোবাঃ 01775-100810

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ