০২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন!

  • Update Time : ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ নভেম্বর ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

হুসাইন আহমদ মিসবাহ:

 

 

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরকে ২০℅ বৈশাখী ভাতা ও ৫℅ ইনক্রিমেন্ট প্রদানের ঘোষণা দেওয়ায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রায় ৫ লক্ষ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পক্ষ্য থেকে অভিনন্দন!
বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগে যাদের অবদান অতুলনীয়, সেই এমপিওভুক্ত শিক্ষরা শুরু থেকেই সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত, বৈষম্যের শিকার। এমপিওভুক্ত শিক্ষরা যে বেতন-ভাতা পান- তার অনেক নিচের পদের, নিচের স্কেলের প্রাইমারি শিক্ষকরা তার চেয়ে অনেক বেশি বেতন ভাতা পান। এমনকি সরকারি বেতন-ভাতা পাওয়ার পরও তাদেরকে বলা হয় “বেসরকারি শিক্ষক”।
এমপিওভুক্ত শিক্ষরা বেতন স্কেলের শতভাগ টাকা সরকার থেকে পান, সাথে আছে নামে মাত্র বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা, দুই ঈদে দুটি বোনাস। তাও এক সময় ছিলনা। প্রধানমন্ত্রী নতুন ভাবে ঘোষণা দিয়েছেন বৈশাখী ভাতা ও ইনক্রিমেন্টের।
শিক্ষানুরাগী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা অনেক বাড়িয়েছেন, তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষরা কৃতজ্ঞ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি জানেন, যে দেয়, তার কাছেই দাবী করা হয়। আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন যে, আপনার দেওয়া সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরও আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষরা, পূর্ণ সরকারি শিক্ষক থেকে অনেক অনেক সুবিধা বঞ্চিত। আপনি অবশ্যই বুঝেন যে, অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কেন উচ্চ মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক স্তর থেকে স্বেচ্ছায় ডিমোশন নিয়ে প্রাইমারি স্কুলে যায়।
তাই আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরকে জাতীয় করণের অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি সাহসিকতার সাথে আমাদেরকে জাতীয় করণের দিয়ে আমাদের ৫ লক্ষ শিক্ষকের ১০ লক্ষ হাত শক্তিশালী করুন, আল্লাহ আপনার দুটি হাতকে আরো শক্তিশালী করবেন।
পরিশেষে সে দিনের অপেক্ষায় রইলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যে দিন আমি অনলাইন-অফলাইনে একটি লেখা দিবো, যার শিরোনাম হবে “এমপিওভুক্ত শিক্ষদেরকে জাতীয় করণের ঘোষণা দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন।”

 

লেখক,  বালাগঞ্জ, সিলেট, মোবাঃ 01712100057

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন!

Update Time : ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ নভেম্বর ২০১৮

হুসাইন আহমদ মিসবাহ:

 

 

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরকে ২০℅ বৈশাখী ভাতা ও ৫℅ ইনক্রিমেন্ট প্রদানের ঘোষণা দেওয়ায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রায় ৫ লক্ষ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পক্ষ্য থেকে অভিনন্দন!
বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগে যাদের অবদান অতুলনীয়, সেই এমপিওভুক্ত শিক্ষরা শুরু থেকেই সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত, বৈষম্যের শিকার। এমপিওভুক্ত শিক্ষরা যে বেতন-ভাতা পান- তার অনেক নিচের পদের, নিচের স্কেলের প্রাইমারি শিক্ষকরা তার চেয়ে অনেক বেশি বেতন ভাতা পান। এমনকি সরকারি বেতন-ভাতা পাওয়ার পরও তাদেরকে বলা হয় “বেসরকারি শিক্ষক”।
এমপিওভুক্ত শিক্ষরা বেতন স্কেলের শতভাগ টাকা সরকার থেকে পান, সাথে আছে নামে মাত্র বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা, দুই ঈদে দুটি বোনাস। তাও এক সময় ছিলনা। প্রধানমন্ত্রী নতুন ভাবে ঘোষণা দিয়েছেন বৈশাখী ভাতা ও ইনক্রিমেন্টের।
শিক্ষানুরাগী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা অনেক বাড়িয়েছেন, তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষরা কৃতজ্ঞ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি জানেন, যে দেয়, তার কাছেই দাবী করা হয়। আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন যে, আপনার দেওয়া সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরও আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষরা, পূর্ণ সরকারি শিক্ষক থেকে অনেক অনেক সুবিধা বঞ্চিত। আপনি অবশ্যই বুঝেন যে, অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কেন উচ্চ মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক স্তর থেকে স্বেচ্ছায় ডিমোশন নিয়ে প্রাইমারি স্কুলে যায়।
তাই আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরকে জাতীয় করণের অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনি সাহসিকতার সাথে আমাদেরকে জাতীয় করণের দিয়ে আমাদের ৫ লক্ষ শিক্ষকের ১০ লক্ষ হাত শক্তিশালী করুন, আল্লাহ আপনার দুটি হাতকে আরো শক্তিশালী করবেন।
পরিশেষে সে দিনের অপেক্ষায় রইলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যে দিন আমি অনলাইন-অফলাইনে একটি লেখা দিবো, যার শিরোনাম হবে “এমপিওভুক্ত শিক্ষদেরকে জাতীয় করণের ঘোষণা দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন।”

 

লেখক,  বালাগঞ্জ, সিলেট, মোবাঃ 01712100057

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ