০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মডেল মেডিসিন শপ প্রশিক্ষণের ষষ্ঠ ব্যাচের সমাপ্তি

  • Update Time : ০৬:০৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জানুয়ারি ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ :: ফার্মাসী কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ (পিসিবি), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) এবং ম্যানেজমেন্ট সাইন্সেস ফর হেলথ (এমএসএইচ) এর সার্বিক সহযোগীতায় সুনামগঞ্জ এবং মৌলভিবাজার জেলায় মডেল মেডিসিনশপ স্থাপন ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে অনলাইন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। রবিবার (২ জানুয়ারী) এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচী ব্রিটিশ সরকারের ফরেন কমনওয়েলথ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এর অর্থায়নে ষষ্ঠ ব্যাচের ১২ দিনের প্রশিক্ষণ সফল ভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সুনামগঞ্জ এবং মৌলভিবাজার জেলার ৩৫ জন গ্রেড সি-ফার্মেসী টেকনিশিয়ানের উপস্থিতিতে (বিএইচবি প্রকল্প) এর এম.এস.এইচ এর মোঃ রূহুল্লাহ সিদ্দিকীর পরিচালনায় সকল ফার্মাসিস্টরা মুগ্ধ। রবিবার ট্রেনিং এর ১২তম দিন শেষে সকল ফার্মাসিস্টদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দিপনা দেখা গিয়েছে, কারন ট্রেনিং এর বিষয়বস্তু, ডিজাইন এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যাবহার নতুনত্ত্ব এনেছে। মোঃ রূহুল্লাহ সিদ্দিকীর স্বপ্ন এই ট্রেনিং প্রোগ্রামটি একটি মডেল ট্রেনিং হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করা। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছেন। এই ট্রেনিংএ সমাপনি বক্তব্য উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ জেলার বিসিডিএস এর সভাপতি মোঃ আলতাফুর রহমান। এই ট্রেনিং প্রোগ্রামে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট টিম লিডার মোঃ নূরুজ্জামান (এমএসএইচ), রিসোর্স পার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সুনামগঞ্জের ড্রাগ সুপার মোঃ সিরাজ উদ্দিন। ১২ দিন প্রশিক্ষনে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, মডেল মেডিসিন শপ স্থাপন ও পরিচালনার জন্য কিছু আদর্শমান তৈরি হয়েছে। ওষুধ ডিসপেন্সারের ডিসপেন্সিং দক্ষতা, প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা, সেবা প্রদান পদ্ধতি, বিক্রয়কৃত ওষুধের ধরন এবং মডেল মেডিসিন শপের অবকাঠামো প্রতিটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ১১ টি আদর্শমান। গুড ডিসপেন্সিং প্র্যাকটিস নিশ্চিতিকরণের মাধ্যমে করোনা মহামারি কালীন সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ফার্মাসিষ্ট, ডিপ্লোমা-ফার্মাসিষ্ট, ফার্মেসি টেকনিশিয়ানদের ভূমিকা। ওষুধ সঠিকভাবে ডিসপেন্সিং অর্থ শুধুমাত্র রোগী বা গ্রাহককে ওষুধ দেয়া নয়। ওষুধ ডিসপেন্সিং মূলত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের সর্বশেষ ধাপ যেখানে রোগী, গ্রাহক সেবাদানকারী ডিসপেন্সারের সাথে মূখোমুখি হন। এখান থেকে একজন ডিসপেনসার সঠিক রোগীদের, সঠিক ওষুধ, সঠিক মাত্রায়, সঠিক পরিমাণে, সঠিক মোড়কে প্রদান করে। ডিসপেন্সিং এর উপর অনেকসময় রোগীর বা গ্রাহকের চিকিৎসার ফলাফল নির্ভর করে। একজন ভাল ডিসপেন্সারের কিছু গুণাবলি থাকা প্রয়োজন যেমন সাধারণ রোগ এবং ওষুধপত্র সর্ম্পকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকা, সদালাপি বা ভাল যোগাযোগ করতে পারা, রোগী, গ্রাহক, ক্রেতাদের ভাল সেবা দিতে পারা, সুন্দর করে লেখায় বা নির্দেশনায় পারদর্শি হওয়া, সকল কাজ গুছিয়ে করতে পারা, সততা ও পেশাদার আচরণ করতে সক্ষম হওয়া এবং সঠিকভাবে কাজ করার মনোভাব থাকা। সুনামগঞ্জ এবং মৌলভিবাজার জেলায় যে সকল ফার্মাসিষ্টরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে তাদের মধ্যে ফার্মেসি ম্যানেজমেন্ট সফ্টওয়ার ফ্রি প্রদান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার এমএসএইচ এর উপদেষ্টা সৈয়দ রাজিব রহমান পরিদর্শন করেন এবং সফ্টওয়ার সর্ম্পকে ফার্মাসিষ্টদেরকে স্পষ্ট ধারনা প্রদান করেন। ট্রেনিং কার্যক্রমের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে সপ্তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ ৩৫ জন প্রশিক্ষনার্থীর উপস্থিতিতে ১০ জানুয়ারী ২০২২ থেকে শুরু হয়ে ২৩ জানুয়ারী ২০২২ পর্যন্ত একটানা ১২ দিন (শুক্রবার ব্যাতিত) চলবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রতিদিন দুপুর সোয়া ২ থেকে শুরু হয়ে বিকেল পোনে ৪ টা পর্যন্ত চলবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মডেল মেডিসিন শপ প্রশিক্ষণের ষষ্ঠ ব্যাচের সমাপ্তি

Update Time : ০৬:০৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জানুয়ারি ২০২২

কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ :: ফার্মাসী কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ (পিসিবি), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) এবং ম্যানেজমেন্ট সাইন্সেস ফর হেলথ (এমএসএইচ) এর সার্বিক সহযোগীতায় সুনামগঞ্জ এবং মৌলভিবাজার জেলায় মডেল মেডিসিনশপ স্থাপন ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে অনলাইন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। রবিবার (২ জানুয়ারী) এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচী ব্রিটিশ সরকারের ফরেন কমনওয়েলথ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) এর অর্থায়নে ষষ্ঠ ব্যাচের ১২ দিনের প্রশিক্ষণ সফল ভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সুনামগঞ্জ এবং মৌলভিবাজার জেলার ৩৫ জন গ্রেড সি-ফার্মেসী টেকনিশিয়ানের উপস্থিতিতে (বিএইচবি প্রকল্প) এর এম.এস.এইচ এর মোঃ রূহুল্লাহ সিদ্দিকীর পরিচালনায় সকল ফার্মাসিস্টরা মুগ্ধ। রবিবার ট্রেনিং এর ১২তম দিন শেষে সকল ফার্মাসিস্টদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দিপনা দেখা গিয়েছে, কারন ট্রেনিং এর বিষয়বস্তু, ডিজাইন এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যাবহার নতুনত্ত্ব এনেছে। মোঃ রূহুল্লাহ সিদ্দিকীর স্বপ্ন এই ট্রেনিং প্রোগ্রামটি একটি মডেল ট্রেনিং হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করা। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছেন। এই ট্রেনিংএ সমাপনি বক্তব্য উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ জেলার বিসিডিএস এর সভাপতি মোঃ আলতাফুর রহমান। এই ট্রেনিং প্রোগ্রামে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট টিম লিডার মোঃ নূরুজ্জামান (এমএসএইচ), রিসোর্স পার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন সুনামগঞ্জের ড্রাগ সুপার মোঃ সিরাজ উদ্দিন। ১২ দিন প্রশিক্ষনে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, মডেল মেডিসিন শপ স্থাপন ও পরিচালনার জন্য কিছু আদর্শমান তৈরি হয়েছে। ওষুধ ডিসপেন্সারের ডিসপেন্সিং দক্ষতা, প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা, সেবা প্রদান পদ্ধতি, বিক্রয়কৃত ওষুধের ধরন এবং মডেল মেডিসিন শপের অবকাঠামো প্রতিটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ১১ টি আদর্শমান। গুড ডিসপেন্সিং প্র্যাকটিস নিশ্চিতিকরণের মাধ্যমে করোনা মহামারি কালীন সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ফার্মাসিষ্ট, ডিপ্লোমা-ফার্মাসিষ্ট, ফার্মেসি টেকনিশিয়ানদের ভূমিকা। ওষুধ সঠিকভাবে ডিসপেন্সিং অর্থ শুধুমাত্র রোগী বা গ্রাহককে ওষুধ দেয়া নয়। ওষুধ ডিসপেন্সিং মূলত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের সর্বশেষ ধাপ যেখানে রোগী, গ্রাহক সেবাদানকারী ডিসপেন্সারের সাথে মূখোমুখি হন। এখান থেকে একজন ডিসপেনসার সঠিক রোগীদের, সঠিক ওষুধ, সঠিক মাত্রায়, সঠিক পরিমাণে, সঠিক মোড়কে প্রদান করে। ডিসপেন্সিং এর উপর অনেকসময় রোগীর বা গ্রাহকের চিকিৎসার ফলাফল নির্ভর করে। একজন ভাল ডিসপেন্সারের কিছু গুণাবলি থাকা প্রয়োজন যেমন সাধারণ রোগ এবং ওষুধপত্র সর্ম্পকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকা, সদালাপি বা ভাল যোগাযোগ করতে পারা, রোগী, গ্রাহক, ক্রেতাদের ভাল সেবা দিতে পারা, সুন্দর করে লেখায় বা নির্দেশনায় পারদর্শি হওয়া, সকল কাজ গুছিয়ে করতে পারা, সততা ও পেশাদার আচরণ করতে সক্ষম হওয়া এবং সঠিকভাবে কাজ করার মনোভাব থাকা। সুনামগঞ্জ এবং মৌলভিবাজার জেলায় যে সকল ফার্মাসিষ্টরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে তাদের মধ্যে ফার্মেসি ম্যানেজমেন্ট সফ্টওয়ার ফ্রি প্রদান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার এমএসএইচ এর উপদেষ্টা সৈয়দ রাজিব রহমান পরিদর্শন করেন এবং সফ্টওয়ার সর্ম্পকে ফার্মাসিষ্টদেরকে স্পষ্ট ধারনা প্রদান করেন। ট্রেনিং কার্যক্রমের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে সপ্তম ব্যাচের প্রশিক্ষণ ৩৫ জন প্রশিক্ষনার্থীর উপস্থিতিতে ১০ জানুয়ারী ২০২২ থেকে শুরু হয়ে ২৩ জানুয়ারী ২০২২ পর্যন্ত একটানা ১২ দিন (শুক্রবার ব্যাতিত) চলবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রতিদিন দুপুর সোয়া ২ থেকে শুরু হয়ে বিকেল পোনে ৪ টা পর্যন্ত চলবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ