০১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজি বন্ধে স্মরকলিপি

  • Update Time : ০৮:০৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিকস’র অঙ্গ সংগঠন সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার (সিপ্রকস) যৌথ উদ্যোগে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেট মহানগরীর ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকরে মাধ্যমে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ মুখতার আহমেদ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, প্রচার সম্পাদক মো. ফুজায়েল আহমদ, জেলা কমিটির সভাপতি হাজী মো. আশরাফ উদ্দিন, সহসভাপতি তোফায়েল আহমদ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক সুহেল আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম শিতাব, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রাসেল, সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে সাবেক মেয়র পদপ্রার্থী শাহজাহান মাস্টার, আব্দুস সোবহান আজাদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার যুবনেতা মোহাম্মদ সাজ্জাদুজ্জামান বাবলু, হাফিজ মো. আবদুল সত্তর, মিল্লাত আহমদ, মির্জা রেজওয়ান বেগ, সুনামগঞ্জের যুবনেতা শাহীন আহমদ, মো. সাব্বির হোসেন, সাহিদুল ইসলাম ও মো. হুসেন মিয়া।

 

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজিতে সিলেট মহানগরবাসী অতিষ্ঠ। সিলেট নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টে ভিক্ষুক ও হিজড়াদের উৎপাত মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়েই চলছে। সিলেট নগরীর বন্দরবাজার, বৃহত্তর জিন্দাবাজার, জল্লারপার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, সুবিদবাজার, রিকাবীবাজার, লামাবাজার, কাজলশাহ, শিবগঞ্জ, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণ, হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণ, মেজরটিলা, বৃহত্তর উপশহর, ভার্থখলা, কদমতলী বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষুকদের দৌরাত্ম্য সিলেটে আসা পর্যটক, সিলেটের প্রবাসী ও নগরীতে বসবাসরত নাগরিকদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। অনেক সময় ভিক্ষুকরা পথচারীদের শরীরে হাত দিয়ে জোর করে টাকা দিতে বাধ্য করে। পাশাপাশি হিজড়ারা নগরীর প্রায় পয়েন্টে দলবেঁধে বরযাত্রার গাড়ি, বিদেশ যাত্রীদের গাড়িসহ যেকোনো অনুষ্ঠানের সাজানো গাড়ি আটকিয়ে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে চাঁদা না দেওয়া পর্যন্ত জোরজবরদস্তী করে। চাঁদার নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না পেলে বা গাড়ির যাত্রীদের মধ্য থেকে কেউ কোনরূপ কথা বলতে গেলেই তারা বিবস্ত্র হয়ে যায়। যা গাড়িতে থাকা পুরুষ ও নারীদের অসম্ভব লজ্জায় ফেলে দেয়। বাধ্য হয়ে তাদের চাহিদার টাকা দিতে হয়। ভিক্ষুক ও হিজড়াদের বাসাবাড়িতে উৎপাততো বেড়ে গেছে। এরমধ্যে হিজড়াদের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও উশৃঙ্খলতার মাত্রা সীমানার বাহিরে পৌছে গেছে। যেকোন অনুষ্ঠানের খবর পেলেই দলবেঁধে হিজড়ারা পৌঁছে যায় সেই বাসায়। সেখানে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি হইচই শুরু করে বড় অংকের চাঁদার টাকা দাবি করে। চাঁদার টাকার পাশাপাশি মারাত্বক উশৃঙ্খলতা সৃষ্টি করে। মানসম্মান বাঁচাতে বাধ্য হয়ে অনেকেই তাদের হাতে তুলে দেন চাঁদার টাকা। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ভিক্ষুক ও হিজড়াদের শণাক্ত করে পূর্ণবাসনসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে আমরা সিলেটবাসী আশা করি।

স্মরকলিপিতে সিলেট মহানগরীর ভিক্ষুক ও হিজড়াদের জোরপূর্বক চাঁদা আদায় বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রীর নিকট অনুরোধ জানানো হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজি বন্ধে স্মরকলিপি

Update Time : ০৮:০৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ডেস্ক রিপোর্ট :: অরাজনৈতিক কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিকস’র অঙ্গ সংগঠন সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার (সিপ্রকস) যৌথ উদ্যোগে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সিলেট মহানগরীর ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে জেলা প্রশাসকরে মাধ্যমে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ মুখতার আহমেদ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, প্রচার সম্পাদক মো. ফুজায়েল আহমদ, জেলা কমিটির সভাপতি হাজী মো. আশরাফ উদ্দিন, সহসভাপতি তোফায়েল আহমদ, সহসাংগঠনিক সম্পাদক সুহেল আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম শিতাব, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ রাসেল, সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে সাবেক মেয়র পদপ্রার্থী শাহজাহান মাস্টার, আব্দুস সোবহান আজাদ, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার যুবনেতা মোহাম্মদ সাজ্জাদুজ্জামান বাবলু, হাফিজ মো. আবদুল সত্তর, মিল্লাত আহমদ, মির্জা রেজওয়ান বেগ, সুনামগঞ্জের যুবনেতা শাহীন আহমদ, মো. সাব্বির হোসেন, সাহিদুল ইসলাম ও মো. হুসেন মিয়া।

 

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ভিক্ষুক ও হিজড়াদের চাঁদাবাজিতে সিলেট মহানগরবাসী অতিষ্ঠ। সিলেট নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সব পয়েন্টে ভিক্ষুক ও হিজড়াদের উৎপাত মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়েই চলছে। সিলেট নগরীর বন্দরবাজার, বৃহত্তর জিন্দাবাজার, জল্লারপার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, সুবিদবাজার, রিকাবীবাজার, লামাবাজার, কাজলশাহ, শিবগঞ্জ, হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণ, হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণ, মেজরটিলা, বৃহত্তর উপশহর, ভার্থখলা, কদমতলী বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষুকদের দৌরাত্ম্য সিলেটে আসা পর্যটক, সিলেটের প্রবাসী ও নগরীতে বসবাসরত নাগরিকদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। অনেক সময় ভিক্ষুকরা পথচারীদের শরীরে হাত দিয়ে জোর করে টাকা দিতে বাধ্য করে। পাশাপাশি হিজড়ারা নগরীর প্রায় পয়েন্টে দলবেঁধে বরযাত্রার গাড়ি, বিদেশ যাত্রীদের গাড়িসহ যেকোনো অনুষ্ঠানের সাজানো গাড়ি আটকিয়ে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে চাঁদা না দেওয়া পর্যন্ত জোরজবরদস্তী করে। চাঁদার নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না পেলে বা গাড়ির যাত্রীদের মধ্য থেকে কেউ কোনরূপ কথা বলতে গেলেই তারা বিবস্ত্র হয়ে যায়। যা গাড়িতে থাকা পুরুষ ও নারীদের অসম্ভব লজ্জায় ফেলে দেয়। বাধ্য হয়ে তাদের চাহিদার টাকা দিতে হয়। ভিক্ষুক ও হিজড়াদের বাসাবাড়িতে উৎপাততো বেড়ে গেছে। এরমধ্যে হিজড়াদের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও উশৃঙ্খলতার মাত্রা সীমানার বাহিরে পৌছে গেছে। যেকোন অনুষ্ঠানের খবর পেলেই দলবেঁধে হিজড়ারা পৌঁছে যায় সেই বাসায়। সেখানে গিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি হইচই শুরু করে বড় অংকের চাঁদার টাকা দাবি করে। চাঁদার টাকার পাশাপাশি মারাত্বক উশৃঙ্খলতা সৃষ্টি করে। মানসম্মান বাঁচাতে বাধ্য হয়ে অনেকেই তাদের হাতে তুলে দেন চাঁদার টাকা। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ভিক্ষুক ও হিজড়াদের শণাক্ত করে পূর্ণবাসনসহ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে আমরা সিলেটবাসী আশা করি।

স্মরকলিপিতে সিলেট মহানগরীর ভিক্ষুক ও হিজড়াদের জোরপূর্বক চাঁদা আদায় বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রীর নিকট অনুরোধ জানানো হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ