০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৃহস্পতিবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা জমায়াতের হরতাল

  • Update Time : ০১:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০১৭
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: অস্ত্র ও বিস্ফোরক এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের পৃথক দুই মামলায় জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির মকবুল আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমানসহ আট নেতার পৃথক দুই মামলায় পাঁচ দিন ও ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

এদিকে আট নেতাকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া দলটি বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও শুক্রবার নেতাদের মুক্তির দাবিতে দোয়া মাহফিল করবে। দলটির ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবী শুনানি শেষে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলা দুইটির তদন্তকারী কর্মকর্তা কদমতলী থানার ইন্সপেক্টর মো. সাজু মিয়া প্রত্যেক মামলায় আসামিদের ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ডকৃত অপর ছয় আসামি হলেন, কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার, চট্টগ্রাম মহানগর আমির মোহাম্মদ শাজাহান, সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলার আমির জাফর সাদেক, সেক্রেটারি জেনারেলের ব্যক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলাম ও মো. সাইফুল ইসলাম। এর আগে গত সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কদমতলী থানাধীন বিক্রমপুর গার্ডেন সিটির ৪৪২/২ পূর্ব ধোলাইপাড়ের বাসার সাত তলায় আসামিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হন। খবর পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হলে অপর ১০ জন আসামি গ্রেপ্তার হলেও ওই আসামিরা পালিয়ে যান। আসামিরা গোপনে মিলিত হয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি সাধনসহ দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, অন্তর্ঘাতমূলক কার্যসম্পাদন ও জ্বালাও পোড়াও পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনার জন্য একত্রিত হয়েছিলেন বলে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাই আসামিদের সঙ্গে আর কে কে উপস্থিত ছিল তা জানার জন্য এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম, সানাউল্লাহ মিয়াসহ প্রমুখ রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদনের শুনানি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউপর আব্দুল্লাহ আবু, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আমিন উদ্দিন মানিক ও সালমা হাই টুনি জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন।
শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় পাঁচ দিন এবং অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে একই মামলায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলসহ ১০ জনের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ড শেষে পরবর্তী সময়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই আসামিদের গ্রেপ্তারের সময় ককটেল, প্রচুর ‘জিহাদি’ বই, দুটি বড় ছুরি ও তিনটি চাপাতি উদ্ধার করে পুলিশ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বৃহস্পতিবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা জমায়াতের হরতাল

Update Time : ০১:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: অস্ত্র ও বিস্ফোরক এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের পৃথক দুই মামলায় জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান আমির মকবুল আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমানসহ আট নেতার পৃথক দুই মামলায় পাঁচ দিন ও ১০ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

এদিকে আট নেতাকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া দলটি বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও শুক্রবার নেতাদের মুক্তির দাবিতে দোয়া মাহফিল করবে। দলটির ভারপ্রাপ্ত আমির মুজিবুর রহমান দলীয় নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবী শুনানি শেষে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলা দুইটির তদন্তকারী কর্মকর্তা কদমতলী থানার ইন্সপেক্টর মো. সাজু মিয়া প্রত্যেক মামলায় আসামিদের ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রিমান্ডকৃত অপর ছয় আসামি হলেন, কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার, চট্টগ্রাম মহানগর আমির মোহাম্মদ শাজাহান, সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলার আমির জাফর সাদেক, সেক্রেটারি জেনারেলের ব্যক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলাম ও মো. সাইফুল ইসলাম। এর আগে গত সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কদমতলী থানাধীন বিক্রমপুর গার্ডেন সিটির ৪৪২/২ পূর্ব ধোলাইপাড়ের বাসার সাত তলায় আসামিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হন। খবর পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হলে অপর ১০ জন আসামি গ্রেপ্তার হলেও ওই আসামিরা পালিয়ে যান। আসামিরা গোপনে মিলিত হয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি সাধনসহ দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, অন্তর্ঘাতমূলক কার্যসম্পাদন ও জ্বালাও পোড়াও পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনার জন্য একত্রিত হয়েছিলেন বলে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তাই আসামিদের সঙ্গে আর কে কে উপস্থিত ছিল তা জানার জন্য এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম, সানাউল্লাহ মিয়াসহ প্রমুখ রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদনের শুনানি করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউপর আব্দুল্লাহ আবু, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আমিন উদ্দিন মানিক ও সালমা হাই টুনি জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন।
শুনানি শেষে বিচারক আসামিদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় পাঁচ দিন এবং অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনের অপর মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে একই মামলায় গত ৩০ সেপ্টেম্বর জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলসহ ১০ জনের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। রিমান্ড শেষে পরবর্তী সময়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওই আসামিদের গ্রেপ্তারের সময় ককটেল, প্রচুর ‘জিহাদি’ বই, দুটি বড় ছুরি ও তিনটি চাপাতি উদ্ধার করে পুলিশ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ