১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন তাপসী চক্রবর্তী

  • Update Time : ০৩:১২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারি ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন তাপসী চক্রবর্তী লিপি। কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত এ অধ্যাপককে ২৯ ডিসেম্বর কলেজের দায়িত্ব সমজে দেন অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল হক। অধ্যক্ষের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সিরাজুল হকের স্থলাভিষিক্ত হন তাপসী চক্রবর্তী। ১৯৮৫ সালের পহেলা অক্টোবর বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কলেজে যোগদান করেন তিনি।

১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৫ নভেম্বর সিলেট শহরে জন্মগ্রহন করেন তাপসী চক্রবর্তী লিপি। অনিলকুমার চক্রবর্তী ও ষোড়শী চক্রবর্তীর তিন সন্তানের মধ্যে তিনি কনিষ্ঠ। শিক্ষাসচেতন ও প্রগতিশীল পারিবারিক পরিমণ্ডলে তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা। সিলেট নগরীর কিশোরীমোহন উচ্চবিদ্যালয় (এসএসসি ১৯৭৬), সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ (এইচএসসি ১৯৭৮), সিলেট সরকারি কলেজ (মুরারিচাঁদ কলেজ, বিএ অনার্স, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ১৯৮১) এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (এমএ ১৯৮২)-এ শিক্ষা লাভ করেন।

অধ্যাপনার পাশাপাশি নানা সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। লেখালেখিতেও নিজ প্রতিভার সাক্ষর রেখে চলেছেন তাপসী। তাঁর প্রথম লেখা ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সাপ্তাহিক সচিত্র সন্ধানী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

এ পর্যন্ত তার ৩টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গ্রন্থ ‘অন্যরকম যুদ্ধ’ ও জুলাই মাসে গল্পগ্রন্থ ‘তবুও’ প্রকাশিত হয়। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয় গল্পগ্রন্থ ‘সময়ের ফেরিওয়ালা’।

গ্রন্থ তিনটি পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে এবং একজন প্রতিশ্রুতিশীল গল্পকার হিসেবে তিনি পাঠকমহলে সমাদৃত হন।

একজন সংগঠক ও সংগীত শিল্পী হিসেবে তিনি সুধীমহলে পরিচিত। জীবনসঙ্গী শ্যামল দে এবং একমাত্র সন্তান সৃজন দে ধ্রুপদকে নিয়ে তাঁর ব্যক্তিজীবন আবর্তিত।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন তাপসী চক্রবর্তী

Update Time : ০৩:১২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারি ২০১৯

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথ ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন তাপসী চক্রবর্তী লিপি। কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত এ অধ্যাপককে ২৯ ডিসেম্বর কলেজের দায়িত্ব সমজে দেন অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল হক। অধ্যক্ষের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সিরাজুল হকের স্থলাভিষিক্ত হন তাপসী চক্রবর্তী। ১৯৮৫ সালের পহেলা অক্টোবর বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কলেজে যোগদান করেন তিনি।

১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৫ নভেম্বর সিলেট শহরে জন্মগ্রহন করেন তাপসী চক্রবর্তী লিপি। অনিলকুমার চক্রবর্তী ও ষোড়শী চক্রবর্তীর তিন সন্তানের মধ্যে তিনি কনিষ্ঠ। শিক্ষাসচেতন ও প্রগতিশীল পারিবারিক পরিমণ্ডলে তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা। সিলেট নগরীর কিশোরীমোহন উচ্চবিদ্যালয় (এসএসসি ১৯৭৬), সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ (এইচএসসি ১৯৭৮), সিলেট সরকারি কলেজ (মুরারিচাঁদ কলেজ, বিএ অনার্স, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ১৯৮১) এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (এমএ ১৯৮২)-এ শিক্ষা লাভ করেন।

অধ্যাপনার পাশাপাশি নানা সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। লেখালেখিতেও নিজ প্রতিভার সাক্ষর রেখে চলেছেন তাপসী। তাঁর প্রথম লেখা ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সাপ্তাহিক সচিত্র সন্ধানী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

এ পর্যন্ত তার ৩টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গ্রন্থ ‘অন্যরকম যুদ্ধ’ ও জুলাই মাসে গল্পগ্রন্থ ‘তবুও’ প্রকাশিত হয়। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকাশিত হয় গল্পগ্রন্থ ‘সময়ের ফেরিওয়ালা’।

গ্রন্থ তিনটি পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে এবং একজন প্রতিশ্রুতিশীল গল্পকার হিসেবে তিনি পাঠকমহলে সমাদৃত হন।

একজন সংগঠক ও সংগীত শিল্পী হিসেবে তিনি সুধীমহলে পরিচিত। জীবনসঙ্গী শ্যামল দে এবং একমাত্র সন্তান সৃজন দে ধ্রুপদকে নিয়ে তাঁর ব্যক্তিজীবন আবর্তিত।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ