১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে মসজিদের জায়গায় দোকান নির্মাণের অভিযোগে মামলা, ১৪৪ ধারা জারি

  • Update Time : ০৪:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথের মুন্সীর বাজারে মসজিদের জায়গায় অবৈধ দোকানকোটা নির্মাণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত রবিবার সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিশ্বনাথের মুন্সীরগাঁও গ্রামের আবদুল ওয়াহাব চৌধুরীর ছেলে মুজিবুর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাগাঁও গ্রামের সিকন্দর আলীর ছেলে তমিজ আলী (৫০), মৃত জমশেদ আলীর ছেলে মিসবাহ (৩৫), টিলাপাড়া গ্রামের মৃত বরাই’র ছেলে ইদ্রিছ আলী (৬০) ও ছমিপুর গ্রামের জবান আলীর ছেলে জমির আলী’র বিরুদ্ধে এ মামলা (বিশ্বনাথ বিবিধ মামলা নং- ২১) দায়ের করেন। মামলার পর মঙ্গলবার ওই স্থানে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, মুন্সীরগাঁও গ্রামের মুন্সী আবদুর রহিম চৌধুরী ও আবদুল জব্বার চৌধুরী ১৯৫৮ ইং সনে ফরহাদপুর মৌজায় এস এ দাগ নং- ১০২৭/বিএস দাগ নং- ৯৭২, ৯৭৩, ৯৯৪, ৯৭৬ এ ৫৭ শতক জায়গা ৪৪৯৮/৫৮ দলিল মূলে মুন্সীর বাজার মসজিদের নামে দান করেন। যার কিছু অংশে মসজিদ ও বাকী জায়গায় বাজার স্থাপন করা হয়। যা পরবর্তীতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইসি নং-১৯৪৭২ এ মুন্সীর বাজার জামে মসজিদের নামে ওয়াকফ সম্পত্তি মূলে তালিকাভুক্ত হয়। অভিযুক্ত তমিজ, মিছবাহ ও ইদ্রিছ জোরপূর্বক মসজিদের নামে ওয়াকফ সম্পত্তি মূলে থাকা জায়গা ভরাট করে (স্থানীয় বাসিয়া নদীর পশ্চিমপারে) কাচা টিনশেড ঘর নির্মাণ করেছেন এবং জমির আলী একই জায়গায় (পাকা ব্রীজ সংলগ্ন) কাচা ঘরকে পাকা করার চেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে কথা হলে অভিযুক্ত তমিজ আলী বলেন, দশবছর পূর্বে আমরা সাতজন সংশ্লিষ্ট ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সাতটি দোকানের লীজ এনেছি। এখানে পূর্ব থেকেই আমাদের দোকানঘর ছিল। কিছু অংশ ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে সম্প্রতি এগুলো আমরা সংস্কার করছি। জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ সত্য নয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে মসজিদের জায়গায় দোকান নির্মাণের অভিযোগে মামলা, ১৪৪ ধারা জারি

Update Time : ০৪:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০১৯

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথের মুন্সীর বাজারে মসজিদের জায়গায় অবৈধ দোকানকোটা নির্মাণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত রবিবার সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিশ্বনাথের মুন্সীরগাঁও গ্রামের আবদুল ওয়াহাব চৌধুরীর ছেলে মুজিবুর রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাগাঁও গ্রামের সিকন্দর আলীর ছেলে তমিজ আলী (৫০), মৃত জমশেদ আলীর ছেলে মিসবাহ (৩৫), টিলাপাড়া গ্রামের মৃত বরাই’র ছেলে ইদ্রিছ আলী (৬০) ও ছমিপুর গ্রামের জবান আলীর ছেলে জমির আলী’র বিরুদ্ধে এ মামলা (বিশ্বনাথ বিবিধ মামলা নং- ২১) দায়ের করেন। মামলার পর মঙ্গলবার ওই স্থানে শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখার জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, মুন্সীরগাঁও গ্রামের মুন্সী আবদুর রহিম চৌধুরী ও আবদুল জব্বার চৌধুরী ১৯৫৮ ইং সনে ফরহাদপুর মৌজায় এস এ দাগ নং- ১০২৭/বিএস দাগ নং- ৯৭২, ৯৭৩, ৯৯৪, ৯৭৬ এ ৫৭ শতক জায়গা ৪৪৯৮/৫৮ দলিল মূলে মুন্সীর বাজার মসজিদের নামে দান করেন। যার কিছু অংশে মসজিদ ও বাকী জায়গায় বাজার স্থাপন করা হয়। যা পরবর্তীতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইসি নং-১৯৪৭২ এ মুন্সীর বাজার জামে মসজিদের নামে ওয়াকফ সম্পত্তি মূলে তালিকাভুক্ত হয়। অভিযুক্ত তমিজ, মিছবাহ ও ইদ্রিছ জোরপূর্বক মসজিদের নামে ওয়াকফ সম্পত্তি মূলে থাকা জায়গা ভরাট করে (স্থানীয় বাসিয়া নদীর পশ্চিমপারে) কাচা টিনশেড ঘর নির্মাণ করেছেন এবং জমির আলী একই জায়গায় (পাকা ব্রীজ সংলগ্ন) কাচা ঘরকে পাকা করার চেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে কথা হলে অভিযুক্ত তমিজ আলী বলেন, দশবছর পূর্বে আমরা সাতজন সংশ্লিষ্ট ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সাতটি দোকানের লীজ এনেছি। এখানে পূর্ব থেকেই আমাদের দোকানঘর ছিল। কিছু অংশ ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে সম্প্রতি এগুলো আমরা সংস্কার করছি। জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ সত্য নয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ