১০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী খননের নামে চলছে চরভরাট

  • Update Time : ১২:৩৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী খননের নামে হচ্ছে চরভরাট। আলোচিত বাসিয়া নদী বাজার এলাকায় দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনে নদী খননের নামে চরভরাট করে তৈরী করা হচ্ছে বিল্ডিংয়ের ভিটা। দখল উচ্ছেদ করে নদীর চর উদ্ধার করাতো দুরের কথা উল্টো তাদেরকে সুবিধা করে দেয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ভবিষ্যতে চাইলে ওই ভরাট অংশে দখলদাররা তাদের বিল্ডিংয়ের পেছনে আরও স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবেন এমনটাই মনে করছেন লোকজন। নদী খননের নামে এমন চরভরাট কাজ দেখে উপজেলার জনসাধারনের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। দেশ-বিদেশে চলছে নানা সমালোচনা-সমালোচনা।

 

জানাগেছে, উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা ছিলো বাসিয়া নদীর চর দখলমুক্ত করে পুনঃখননের মাধ্যমে তার নাব্যতা ফিরয়ে আনা। অবশেষে টেন্ডার হয়ে ১৬সালের শেষের দিকে নদী খনন কাজ শুরু করা হয়। তবে সেই খনন কাজটি উপজেলাবাসীর প্রত্যাশানুযায়ি করা হচ্ছেনা। বাজার এলাকার বাহিরে শুধু নদী চরের ঘাস পরিস্কার করে লোক দেখানো খনন কাজ করা হয়েছে। বর্তমানে সেই খননকৃত অংশটুকু কোনো উপকারে আসছেনা। শনিবার বিকেলে নদীর বাজার এলাকায় দখলকৃত অংশে একটি ভাসমান খনন মেশিন পানিতে নামানো হয়। দখলকৃত এই অংশে রোববার সকাল থেকে নদীর উপরের ঢব নির্ধারণ না করে দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনে মনগড়া খনন কাজ শুরু করে ওই ভাসমান মেশিনটি। এতে দেখা যায় দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনে প্রায় ২০থেকে ২৫ফুট চর অবশিষ্ট রেখে নদীর নিচ থেকে নামমাত্র মাটি উত্তোলন করে দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনের অংশটুকু ভরাট করে দিচ্ছে।

 

এব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেননি।
‘বাঁচাও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের’ আহবায়ক ফজল খান বলেন, মনে হচ্ছে রক্ষকরাই বক্ষক হয়ে গেছেন। অবৈধ দখল উচ্ছেদতো দুরের কথা উল্টো তাদের বিল্ডিংয়ের পেছন ভরাট করে দেয়া হচ্ছে। এতে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে খনন কাজের ঠিকাদার অবৈধ দখলদারদের সুবিধা করে দিচ্ছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী খননের নামে চলছে চরভরাট

Update Time : ১২:৩৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী খননের নামে হচ্ছে চরভরাট। আলোচিত বাসিয়া নদী বাজার এলাকায় দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনে নদী খননের নামে চরভরাট করে তৈরী করা হচ্ছে বিল্ডিংয়ের ভিটা। দখল উচ্ছেদ করে নদীর চর উদ্ধার করাতো দুরের কথা উল্টো তাদেরকে সুবিধা করে দেয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ভবিষ্যতে চাইলে ওই ভরাট অংশে দখলদাররা তাদের বিল্ডিংয়ের পেছনে আরও স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবেন এমনটাই মনে করছেন লোকজন। নদী খননের নামে এমন চরভরাট কাজ দেখে উপজেলার জনসাধারনের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। দেশ-বিদেশে চলছে নানা সমালোচনা-সমালোচনা।

 

জানাগেছে, উপজেলাবাসীর প্রত্যাশা ছিলো বাসিয়া নদীর চর দখলমুক্ত করে পুনঃখননের মাধ্যমে তার নাব্যতা ফিরয়ে আনা। অবশেষে টেন্ডার হয়ে ১৬সালের শেষের দিকে নদী খনন কাজ শুরু করা হয়। তবে সেই খনন কাজটি উপজেলাবাসীর প্রত্যাশানুযায়ি করা হচ্ছেনা। বাজার এলাকার বাহিরে শুধু নদী চরের ঘাস পরিস্কার করে লোক দেখানো খনন কাজ করা হয়েছে। বর্তমানে সেই খননকৃত অংশটুকু কোনো উপকারে আসছেনা। শনিবার বিকেলে নদীর বাজার এলাকায় দখলকৃত অংশে একটি ভাসমান খনন মেশিন পানিতে নামানো হয়। দখলকৃত এই অংশে রোববার সকাল থেকে নদীর উপরের ঢব নির্ধারণ না করে দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনে মনগড়া খনন কাজ শুরু করে ওই ভাসমান মেশিনটি। এতে দেখা যায় দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনে প্রায় ২০থেকে ২৫ফুট চর অবশিষ্ট রেখে নদীর নিচ থেকে নামমাত্র মাটি উত্তোলন করে দখলদারদের বিল্ডিংয়ের পেছনের অংশটুকু ভরাট করে দিচ্ছে।

 

এব্যাপারে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেননি।
‘বাঁচাও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের’ আহবায়ক ফজল খান বলেন, মনে হচ্ছে রক্ষকরাই বক্ষক হয়ে গেছেন। অবৈধ দখল উচ্ছেদতো দুরের কথা উল্টো তাদের বিল্ডিংয়ের পেছন ভরাট করে দেয়া হচ্ছে। এতে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে খনন কাজের ঠিকাদার অবৈধ দখলদারদের সুবিধা করে দিচ্ছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ