০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে ধর্ষণ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চুড়ান্ত রিপোর্ট প্রদান

  • Update Time : ০৫:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার চুড়ান্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। চুড়ান্ত রিপোর্টে মামলার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত যুবক আব্দুল কাহারকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের আবেদন করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আব্দুল কাহার বিশ্বনাথ উপজেলার চৌধুরীগাঁও গ্রামের মৃত মরম আলীর পুত্র।
২০১৯ সালের ২৬ জুন উপজেলার মুফতিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রী ঘরের পার্শবতী স্থানে ধর্ষিত হয়। ঘটনার পর তার মা বাদি হয়ে বিশ্বনাথ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আব্দুল কাহারকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন (জিআর মামলা নং-১২৯)। ঘটনার ৫দিন পর র‌্যাব অভিযুক্ত আবুল কাহারকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। কাহার প্রায় সাড়ে ৭ মাস হাজত বাসের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি আদালত থেকে জামিনে মুক্তিলাভ করে।
গত ২৯ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা বিশ্বনাথ থানার এসআই রত্না বেগম আদালতে মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভিকটিম মেয়েটি ধর্ষণের স্বীকার হওয়ার সত্যতা তদন্তে পাওয়া গিয়েছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্ত আব্দুল কাহার সাথে মিল পাওয়া যায়নি এবং তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে আব্দুল কাহার জড়িত প্রমাণীত হয়নি। এতে নিশ্চিত হওয়া যায় ভিকটিম ধর্ষণের সাথে অভিযুক্ত কাহার জড়িত নয়।

 

এদিকে, আব্দুল কাহারের পরিবার জানান, ধর্ষণের ঘটনাটি সাজানো। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় কাহারকে আসামী করা হয় এবং সে নিরপরাধ হয়েও প্রায় সাড়ে ৭ মাস কারাবরণ করে। এতে কাহার ও তার পরিবার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে ধর্ষণ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতে চুড়ান্ত রিপোর্ট প্রদান

Update Time : ০৫:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২০

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার চুড়ান্ত রিপোর্ট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। চুড়ান্ত রিপোর্টে মামলার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত যুবক আব্দুল কাহারকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদানের আবেদন করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আব্দুল কাহার বিশ্বনাথ উপজেলার চৌধুরীগাঁও গ্রামের মৃত মরম আলীর পুত্র।
২০১৯ সালের ২৬ জুন উপজেলার মুফতিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রী ঘরের পার্শবতী স্থানে ধর্ষিত হয়। ঘটনার পর তার মা বাদি হয়ে বিশ্বনাথ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আব্দুল কাহারকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন (জিআর মামলা নং-১২৯)। ঘটনার ৫দিন পর র‌্যাব অভিযুক্ত আবুল কাহারকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। কাহার প্রায় সাড়ে ৭ মাস হাজত বাসের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি আদালত থেকে জামিনে মুক্তিলাভ করে।
গত ২৯ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা বিশ্বনাথ থানার এসআই রত্না বেগম আদালতে মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভিকটিম মেয়েটি ধর্ষণের স্বীকার হওয়ার সত্যতা তদন্তে পাওয়া গিয়েছে। তবে ডিএনএ পরীক্ষায় অভিযুক্ত আব্দুল কাহার সাথে মিল পাওয়া যায়নি এবং তদন্তকালে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণে আব্দুল কাহার জড়িত প্রমাণীত হয়নি। এতে নিশ্চিত হওয়া যায় ভিকটিম ধর্ষণের সাথে অভিযুক্ত কাহার জড়িত নয়।

 

এদিকে, আব্দুল কাহারের পরিবার জানান, ধর্ষণের ঘটনাটি সাজানো। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় কাহারকে আসামী করা হয় এবং সে নিরপরাধ হয়েও প্রায় সাড়ে ৭ মাস কারাবরণ করে। এতে কাহার ও তার পরিবার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ