০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে গণধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

  • Update Time : ০৪:৪০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথে গণধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় আসামি ফয়জুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমার উপজেলার তেতলী ইউনিয়নের চেরাগী গ্রামের আবদুল মন্নানের ছেলে। সোমবার গভীর রাতে আসামির নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
জানা গেছে, দলবদ্ধ ধর্ষণের অপমান ভুলতে পপি বেগম (১৯) গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। দাফনের দুই দিন পর পপির ব্যবহৃত ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) থেকে এ তথ্য মিলেছে। পপি উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের লালটেক গ্রামের শুকুর আলীর মেয়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের বসত ঘর থেকে পপির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পপির বাবা সোমবার রাতে চারজনকে আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় গণধর্ষণ মামলা করেন।
গণধর্ষণ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করার সত্যতা স্বীকার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তি বলেন, আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে গণধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

Update Time : ০৪:৪০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথে গণধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় আসামি ফয়জুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমার উপজেলার তেতলী ইউনিয়নের চেরাগী গ্রামের আবদুল মন্নানের ছেলে। সোমবার গভীর রাতে আসামির নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
জানা গেছে, দলবদ্ধ ধর্ষণের অপমান ভুলতে পপি বেগম (১৯) গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। দাফনের দুই দিন পর পপির ব্যবহৃত ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটি চিরকুট (সুইসাইড নোট) থেকে এ তথ্য মিলেছে। পপি উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের লালটেক গ্রামের শুকুর আলীর মেয়ে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের বসত ঘর থেকে পপির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পপির বাবা সোমবার রাতে চারজনকে আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় গণধর্ষণ মামলা করেন।
গণধর্ষণ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করার সত্যতা স্বীকার করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিশ্বনাথ থানার ওসি (তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তি বলেন, আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ