০৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা!

  • Update Time : ০৪:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট ২০২১
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে কলেজছাত্রী প্রিয়াংকা রানী নাথ ওরফে সঙ্গী (২২) নামে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের রামাইচক রহিমপুর গ্রামের নরউত্তম দেবনাথের মেয়ে ও সিলেট মদন মোহন কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। বুধবার (১৮ আগষ্ট) রাতে নিজ শয়ন কক্ষের ছাদে ব্যবহৃত বাঁশের সাথে ওড়না ও দরজার পর্দা দিয়ে ফাঁস নেন। একপর্যায়ে তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে নিষ্প্রাণ হয়ে যায় প্রিয়াংকার দেহ। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে রাতেই সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় তার ভাই সুজন দেবনাথ ওইদিন রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দেন। তবে কেন, কী কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন প্রিয়াংকা? এর সঠিক জবাব জানাতে পারেনি কেউ। স্থানীয় সূত্র জানায়, পড়ালেখার পাশাপাশি চাকরির মাধ্যমে সংসার পরিচালনা করতেন প্রিয়াংকা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিতা। আত্মহত্যার বিষয়ে জানতে প্রিয়াংকার ভাই সুজন দেবনাথের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ গাজী আতাউর রহমান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও আমাদের নিজস্ব তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে কলেজছাত্রীর আত্মহত্যা!

Update Time : ০৪:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট ২০২১

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে কলেজছাত্রী প্রিয়াংকা রানী নাথ ওরফে সঙ্গী (২২) নামে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের রামাইচক রহিমপুর গ্রামের নরউত্তম দেবনাথের মেয়ে ও সিলেট মদন মোহন কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। বুধবার (১৮ আগষ্ট) রাতে নিজ শয়ন কক্ষের ছাদে ব্যবহৃত বাঁশের সাথে ওড়না ও দরজার পর্দা দিয়ে ফাঁস নেন। একপর্যায়ে তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে নিষ্প্রাণ হয়ে যায় প্রিয়াংকার দেহ। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে রাতেই সিলেট ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় তার ভাই সুজন দেবনাথ ওইদিন রাতেই থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দেন। তবে কেন, কী কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন প্রিয়াংকা? এর সঠিক জবাব জানাতে পারেনি কেউ। স্থানীয় সূত্র জানায়, পড়ালেখার পাশাপাশি চাকরির মাধ্যমে সংসার পরিচালনা করতেন প্রিয়াংকা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিতা। আত্মহত্যার বিষয়ে জানতে প্রিয়াংকার ভাই সুজন দেবনাথের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ গাজী আতাউর রহমান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও আমাদের নিজস্ব তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ