০৬:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে অবৈধভাবে নদীর তীরে ১৯টি দোকান কোটা নির্মাণের অভিযোগ

  • Update Time : ০১:০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথের মুফতিরবাজারে অবৈধভাবে নদীর তীরে ১৯টি দোকান কোটা নির্মাণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে (৫ ফেব্রুয়ারী) ভূমি অফিস সার্ভে করেছে। বাচাঁও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক মো. ফজল খানের অভিযোগ করলে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার শেফালী আক্তার ও খাজাঞ্চি ইউনিয়নের সহকারি ভূমি কর্মকর্তা খালেদ আহমদ নির্মাণাধীন দোকানগুলো সার্ভে করেন। রিপোর্ট দুই/তিন পর পাওয়া যাবে বলে ভূমি অফিস সূত্র জানায়।

মুফতিরবাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার গিয়াসউদ্দিন বলেন, সরকারি জায়গায় দোকানগুলো নির্মাণ হলে অবশ্য সবকটি দোকান উচ্ছেদ করা দরকার বলে আমি মনে করি।
বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ময়নুল ইসলাম বলেন, আমরা দায়িত্বে আসার পূর্বে দোকানগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। যদি সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ হয়ে থাকে তাহলে ওইসব দোকান উচ্ছেদ করা হউক। উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার শেফালী আক্তার বলেন, সার্ভে রিপোর্ট প্রস্তুত করতে কমপক্ষে ২/৩ দিন সময় লাগবে। এ ব্যাপারে বাচাঁও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক মো. ফজল খান বলেন, মুফতিরবাজারে নদীর তীরে ফেরীফেরীর কিছু অংশ বন্দুবস্তু দেওয়া হয়। কিন্তু বন্দুবস্তু জায়গাসহ বেশকিছু সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ৩ তলা ফাউন্ডেশনে স্থায়ী ১৯টি দোকান নিমার্ণ করে ভূমিখেকোরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে অবৈধভাবে নদীর তীরে ১৯টি দোকান কোটা নির্মাণের অভিযোগ

Update Time : ০১:০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিশ্বনাথের মুফতিরবাজারে অবৈধভাবে নদীর তীরে ১৯টি দোকান কোটা নির্মাণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে (৫ ফেব্রুয়ারী) ভূমি অফিস সার্ভে করেছে। বাচাঁও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক মো. ফজল খানের অভিযোগ করলে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার শেফালী আক্তার ও খাজাঞ্চি ইউনিয়নের সহকারি ভূমি কর্মকর্তা খালেদ আহমদ নির্মাণাধীন দোকানগুলো সার্ভে করেন। রিপোর্ট দুই/তিন পর পাওয়া যাবে বলে ভূমি অফিস সূত্র জানায়।

মুফতিরবাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তালুকদার গিয়াসউদ্দিন বলেন, সরকারি জায়গায় দোকানগুলো নির্মাণ হলে অবশ্য সবকটি দোকান উচ্ছেদ করা দরকার বলে আমি মনে করি।
বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ময়নুল ইসলাম বলেন, আমরা দায়িত্বে আসার পূর্বে দোকানগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। যদি সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ হয়ে থাকে তাহলে ওইসব দোকান উচ্ছেদ করা হউক। উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার শেফালী আক্তার বলেন, সার্ভে রিপোর্ট প্রস্তুত করতে কমপক্ষে ২/৩ দিন সময় লাগবে। এ ব্যাপারে বাচাঁও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক মো. ফজল খান বলেন, মুফতিরবাজারে নদীর তীরে ফেরীফেরীর কিছু অংশ বন্দুবস্তু দেওয়া হয়। কিন্তু বন্দুবস্তু জায়গাসহ বেশকিছু সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে ৩ তলা ফাউন্ডেশনে স্থায়ী ১৯টি দোকান নিমার্ণ করে ভূমিখেকোরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ