বিধিনিষেধ বাড়ল ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- Update Time : ০৩:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধ আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এসময় বন্ধ থাকবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি জনসমাবেশ করা যাবে না। তাদের থাকতে হবে টিকা কার্ড। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কোকিত-১৯)-এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও বাংলাদেশে এ রোগের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের জারি করা সব বিধিনিষেধ ও নির্দেশনার সঙ্গে নিম্নবর্ণিত শর্ত সংশোধন করে সার্বিক কার্যাবলী চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই বিধিনিষেধ আগামী ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নতুন বিধিনিষেধ:
১. উন্মুক্ত স্থানে ও ভবনের ভেতরে সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ১০০-র বেশি জনসমাবেশ করা যাবে না। এসব ক্ষেত্রে যারা যোগ দেবেন তাদের অবশ্যই কোভিভ টিকা সনদ অথবা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর সার্টিফিকেট আনতে হবে।
২. সব স্কুল, কলেজ এবং সমপর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি কক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকবে।
এর আগে গত ১০ জানুয়ারি ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করে সরকার, যা ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়। সেসময় প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকবে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেওয়া বিধিনিষেধগুলো হলো-
১. দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, নইলে তাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে;
২. অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে;
৩. রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া ও আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনা টিকা সনদ দেখাতে হবে;
৪. ১২ বছর ঊর্ধ্বের ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত তারিখের পর টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
৫. স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরে স্ক্রিনিংয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে। পোর্টে ক্রুদের জাহাজের বাইরে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দিতে হবে। স্থলবন্দরগুলোতেও আগত ট্রাকের সঙ্গে শুধু ড্রাইভার থাকতে পারবে। বিদেশগামীদের সঙ্গে আসা দর্শনার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।
৮. স্বাস্থ্যবিধি পালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সব মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।
৯. সবার করোনার টিকা ও বুস্টার ডোজ গ্রহণ ত্বরান্বিত করতে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচার এবং উদ্যোগ নেবে। এক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহায়তা নেবেন।
১০. উন্মুক্ত স্থানে সবরকম সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ বন্ধ রাখতে হবে।
১১. কোনো এলাকার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে।


























