০৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদ্যালয়ের ২ মাসে বিদ্যুৎ বিল ৬০০ কোটি টাকা!

  • Update Time : ০২:০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  • / ২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: একটি বিদ্যালয়ের দুই মাসে বিদ্যুৎ বিল এলো ৬০০ কোটি টাকারও বেশি! এমন বিল পেয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চোখ যখন ছানাবড়া অবস্থা, তখন আবার নতুন উদ্বেগে ভুগছেন তারা।

আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ বিল পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ দফতর। অন্যথায় বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়া হবে।

সম্প্রতি এমন আজব ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারানসি জেলার একটি বিদ্যালয়ে।

ইতিমধ্যে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এসেছে খবরটি। এ খবরে রীতিমতো চমকে গেছেন ভারতীয়রা।

জানা গেছে, বারানসির ওই বিদ্যালয়ে মাত্র দুই মাসের জন্য বিল এসেছে ৬১৮.৫ কোটি টাকা। এমন ভুতুড়ে বিলের বিষয়ে জানতে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে হাজির হয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ অফিসের পক্ষ থেকে কোনো জবাব আসেনি।

তারা এর কোনো সমাধান তো দেইনি, উল্টো আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিদ্যালয়কে ওই বকেয়া পরিশোধ করার নির্দেশ দেন।

অবশ্য পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ভাবছে বলে জানা গেছে। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিদ্যালয়ের ২ মাসে বিদ্যুৎ বিল ৬০০ কোটি টাকা!

Update Time : ০২:০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ডেস্ক রিপোর্ট :: একটি বিদ্যালয়ের দুই মাসে বিদ্যুৎ বিল এলো ৬০০ কোটি টাকারও বেশি! এমন বিল পেয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চোখ যখন ছানাবড়া অবস্থা, তখন আবার নতুন উদ্বেগে ভুগছেন তারা।

আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ বিল পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ দফতর। অন্যথায় বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেয়া হবে।

সম্প্রতি এমন আজব ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারানসি জেলার একটি বিদ্যালয়ে।

ইতিমধ্যে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এসেছে খবরটি। এ খবরে রীতিমতো চমকে গেছেন ভারতীয়রা।

জানা গেছে, বারানসির ওই বিদ্যালয়ে মাত্র দুই মাসের জন্য বিল এসেছে ৬১৮.৫ কোটি টাকা। এমন ভুতুড়ে বিলের বিষয়ে জানতে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিসে হাজির হয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ অফিসের পক্ষ থেকে কোনো জবাব আসেনি।

তারা এর কোনো সমাধান তো দেইনি, উল্টো আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিদ্যালয়কে ওই বকেয়া পরিশোধ করার নির্দেশ দেন।

অবশ্য পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ভাবছে বলে জানা গেছে। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ