০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদেশে আলু ভর্তা-ডাল খেয়ে টাকা পাঠান মাকে

  • Update Time : ০৩:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: ১৭ বছর বয়সে লেখাপড়া, দুরন্তপনা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় ব্যস্ত সময় কাটায় কিশোরেরা। এসব সুখ-আনন্দ ত্যাগ করে আর্থিক দুর্দশায় নিমজ্জিত পরিবারের হাল ধরেছেন কিশোর রাশেদ। নিজের আহ্লাদ ত্যাগ করে পাড়ি জমিয়েছেন সৌদি আরবে। সেখানে আয়ের পাশাপাশি আলুর ভর্তা আর ডাল খেয়ে জমানো টাকাও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছেন এ কিশোর। এরইমধ্যে রাশেদের ত্যাগের খবরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

 

ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর রাশেদের ত্যাগের প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা। গত ২৬ আগস্টে ‘প্রবাসী বাংলাদেশি’ নামক ফেসবুক পেজে রাশেদের সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি প্রকাশ হয়। এরইমধ্যে ওই ভিডিওতে ২২ হাজার লাইক পড়েছে। কমেন্ট করেছেন এক হাজার ৩০০ জন। আর ভিডিওটি দেখেছেন ২১ হাজার মানুষ। পরিবারের জন্য বিদেশে আসা রাশেদ চার মিনিটের বেশি সময় ভিডিওতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তবে রাশেদের গ্রামের বাড়ির সন্ধান মেলেনি।

 

ভাইরাল ভিডিওতে রাশেদ জানান, প্রতি মাসে এক হাজার ৫০০ থেকে ৬০০ রিয়াল আয় করেন তিনি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ৩৬ হাজার টাকার অধিক। আয়ের সিংহভাগ টাকা দেশে পাঠান তিনি। প্রতি মাসে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ হাজার বা ২৮ হাজার পরিবারের কাছে পাঠান রাশেদ। সদা হাস্যেজ্জ্বল এ ছেলে কখনই দেশে ২৪ হাজার টাকার নিচে পাঠান না।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিদেশে আলু ভর্তা-ডাল খেয়ে টাকা পাঠান মাকে

Update Time : ০৩:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২০

ডেস্ক রিপোর্ট :: ১৭ বছর বয়সে লেখাপড়া, দুরন্তপনা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় ব্যস্ত সময় কাটায় কিশোরেরা। এসব সুখ-আনন্দ ত্যাগ করে আর্থিক দুর্দশায় নিমজ্জিত পরিবারের হাল ধরেছেন কিশোর রাশেদ। নিজের আহ্লাদ ত্যাগ করে পাড়ি জমিয়েছেন সৌদি আরবে। সেখানে আয়ের পাশাপাশি আলুর ভর্তা আর ডাল খেয়ে জমানো টাকাও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছেন এ কিশোর। এরইমধ্যে রাশেদের ত্যাগের খবরের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

 

ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর রাশেদের ত্যাগের প্রশংসা করছেন নেটিজেনরা। গত ২৬ আগস্টে ‘প্রবাসী বাংলাদেশি’ নামক ফেসবুক পেজে রাশেদের সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি প্রকাশ হয়। এরইমধ্যে ওই ভিডিওতে ২২ হাজার লাইক পড়েছে। কমেন্ট করেছেন এক হাজার ৩০০ জন। আর ভিডিওটি দেখেছেন ২১ হাজার মানুষ। পরিবারের জন্য বিদেশে আসা রাশেদ চার মিনিটের বেশি সময় ভিডিওতে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তবে রাশেদের গ্রামের বাড়ির সন্ধান মেলেনি।

 

ভাইরাল ভিডিওতে রাশেদ জানান, প্রতি মাসে এক হাজার ৫০০ থেকে ৬০০ রিয়াল আয় করেন তিনি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় হয় ৩৬ হাজার টাকার অধিক। আয়ের সিংহভাগ টাকা দেশে পাঠান তিনি। প্রতি মাসে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ হাজার বা ২৮ হাজার পরিবারের কাছে পাঠান রাশেদ। সদা হাস্যেজ্জ্বল এ ছেলে কখনই দেশে ২৪ হাজার টাকার নিচে পাঠান না।
এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ