০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি পাল্টাতে চায় তৃণমূলের মনোভাব

  • Update Time : ০৫:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ মে ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: খালেদা জিয়া জেলে থাকছেনÑ এটা ধরে নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রশ্নে তৃণমূলের নেতাকর্মীর মনোভাব পরিবর্তনে উদ্যোগের চিন্তা করছে বিএনপির হাইকমান্ড।

 

এই চিন্তার মধ্যেও খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকার দাবির আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে থেকে নেতাকর্মীকে সক্রিয় রাখতে চান দলটির নেতারা।

 

কোনো কোনো সিনিয়র নেতা কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছতে ৩০০ আসনের মধ্যে এখনই কমপক্ষে ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করে তাদের নাম ঘোষণার পক্ষে। এসব নেতাই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় মাঠ গোছানোর কাজ করবে। আন্দোলনের ফল যা-ই হোক কোনো অবস্থায় নির্বাচন বর্জন না করার পক্ষে দলটির সিনিয়র নেতারা।

 

আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক বৈঠকেও এই নিয়ে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

 

একাধিক সিনিয়র নেতা মনে করেন, বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই খালেদা জিয়াকে ভিত্তিহীন মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন সেজন্য মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে। বিদ্যমান এই অবস্থায়ও নির্বাচনমুখী দল হিসেবে বিএনপিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হবে, এর বিকল্প নেই। নির্বাচন বর্জনের মতো চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। সেটা না হলে দল হিসেবে বিএনপি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। বিদেশেও বিএনপিকে নিয়ে নেতিবাচক ধারণা হবে।

 

প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক কথা উঠলেই প্রশ্ন করেন তোমরা কি নির্বাচনে অংশ নেবে? তারাও চায় বিএনপি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিক।

 

কিন্তু তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত, খালেদা জিয়া ও নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো অবস্থায়ই যাওয়া যাবে না। বরং খালেদা জিয়াকে ছাড়া যারা নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন তাদেরও প্রতিহত করবে তৃণমূল। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন তৃলমূল নেতারা।

 

কারাবন্দি হওয়ার আগে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠকেও তৃণমূলের সঙ্গে একমত পোষণ করে মতামত দিয়েছেন নির্বাহী কমিটির নেতারা। সর্বশেষ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যৌথসভায়ও একই ধরনের মতামত দিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।

 

নির্বাচনে যাওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলকেই মূল বাধা হিসেবে মনে করছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

 

সর্বশেষ খুলনা সিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জালভোটসহ নানা অনিয়মের ঘটনায় তৃণমূলের মনোভাব আরও কঠোর হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চাওয়া হয়Ñ খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের পর জাতীয় নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব পড়বে কিনা? জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের প্রভাব কখনো জাতীয় নির্বাচনে পড়ে না। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে হবে আমাদের গণতন্ত্রের নেত্রী খালেদা জিয়ার কাছ থেকে। এটা ছাড়া খালেদা জিয়াবিহীন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চিন্তা করাও বড় কঠিন।

 

সিনিয়র নেতারা জানান, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সুর নির্বাচনের পক্ষে না এনে নির্বাচনে অংশ নিলে তাতে উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে। বিগত ওয়ান-ইলেভেনই হচ্ছে তার বড় প্রমাণ। এই বিষয়টি মাথায়ও আছে সিনিয়র নেতাদের। এসব সিনিয়র নেতা মনে করেন, এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। নেতাদের ভাষ্য, এই সরকার থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন না। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হলেও পুলিশ প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান নির্যাতনের কারণে নেতাকর্মীরা রাজপথে নামতে পারছে না। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে তার আগ মুহূর্তে আন্দোলনের পরিকল্পনা আছে দলটির। গতকাল এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আইনি লড়াই এককভাবে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে সুবিধাজনক হবে না। আইনি লড়াইয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজপথের আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের এখন ধীরে ধীরে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করতে হবে। ঈদের পর এ বিষয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে।

 

বিএনপি নেতারা মনে করেন, এ আন্দোলন চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে পারলে বিদেশিরাও সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। যদি তা নাও হয়, সরকার পরিবর্তনের নির্বাচনে দেশের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে। তখন কর্মীরাও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঝুঁকি নেবে। এই বিষয়গুলোই নেতাকর্মীদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে।

 

জানা গেছে, খুলনায় দলের সাংগঠনিক অবস্থা খুব শক্ত। কিন্তু মামলা-হামলা এড়াতে নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেনি। এখন মামলা ও হয়রানির শিকার হলে আন্দোলন ও জাতীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীরা মাঠে থাকতে পারবে না। বিএনপির বরিশাল উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান আমাদের সময়কে বলেন, আমাদের তৃণমূলের বক্তব্য স্পষ্ট, খালেদা জিয়া ছাড়া এবং শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে আমরা অংশ নেব না। আমাদের নেত্রী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্যই আজ কারাবন্দি, এটা দেশের মানুষও জানে। কারো সিদ্ধান্তে নয়, বিএনপি নির্বাচনে যাবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সিদ্ধান্তে।

সুত্র: অামাদের সময়

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিএনপি পাল্টাতে চায় তৃণমূলের মনোভাব

Update Time : ০৫:৪১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ মে ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: খালেদা জিয়া জেলে থাকছেনÑ এটা ধরে নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রশ্নে তৃণমূলের নেতাকর্মীর মনোভাব পরিবর্তনে উদ্যোগের চিন্তা করছে বিএনপির হাইকমান্ড।

 

এই চিন্তার মধ্যেও খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকার দাবির আন্দোলনের পাশাপাশি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে থেকে নেতাকর্মীকে সক্রিয় রাখতে চান দলটির নেতারা।

 

কোনো কোনো সিনিয়র নেতা কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছতে ৩০০ আসনের মধ্যে এখনই কমপক্ষে ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করে তাদের নাম ঘোষণার পক্ষে। এসব নেতাই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় মাঠ গোছানোর কাজ করবে। আন্দোলনের ফল যা-ই হোক কোনো অবস্থায় নির্বাচন বর্জন না করার পক্ষে দলটির সিনিয়র নেতারা।

 

আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক বৈঠকেও এই নিয়ে সিনিয়র নেতাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

 

একাধিক সিনিয়র নেতা মনে করেন, বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই খালেদা জিয়াকে ভিত্তিহীন মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন সেজন্য মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হচ্ছে। বিদ্যমান এই অবস্থায়ও নির্বাচনমুখী দল হিসেবে বিএনপিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে হবে, এর বিকল্প নেই। নির্বাচন বর্জনের মতো চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। সেটা না হলে দল হিসেবে বিএনপি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। বিদেশেও বিএনপিকে নিয়ে নেতিবাচক ধারণা হবে।

 

প্রভাবশালী দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক কথা উঠলেই প্রশ্ন করেন তোমরা কি নির্বাচনে অংশ নেবে? তারাও চায় বিএনপি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিক।

 

কিন্তু তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতামত, খালেদা জিয়া ও নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো অবস্থায়ই যাওয়া যাবে না। বরং খালেদা জিয়াকে ছাড়া যারা নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন তাদেরও প্রতিহত করবে তৃণমূল। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন তৃলমূল নেতারা।

 

কারাবন্দি হওয়ার আগে খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাহী কমিটির বৈঠকেও তৃণমূলের সঙ্গে একমত পোষণ করে মতামত দিয়েছেন নির্বাহী কমিটির নেতারা। সর্বশেষ গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যৌথসভায়ও একই ধরনের মতামত দিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।

 

নির্বাচনে যাওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলকেই মূল বাধা হিসেবে মনে করছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

 

সর্বশেষ খুলনা সিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের জালভোটসহ নানা অনিয়মের ঘটনায় তৃণমূলের মনোভাব আরও কঠোর হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চাওয়া হয়Ñ খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের পর জাতীয় নির্বাচনে যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব পড়বে কিনা? জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনের প্রভাব কখনো জাতীয় নির্বাচনে পড়ে না। জাতীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে হবে আমাদের গণতন্ত্রের নেত্রী খালেদা জিয়ার কাছ থেকে। এটা ছাড়া খালেদা জিয়াবিহীন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চিন্তা করাও বড় কঠিন।

 

সিনিয়র নেতারা জানান, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সুর নির্বাচনের পক্ষে না এনে নির্বাচনে অংশ নিলে তাতে উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে। বিগত ওয়ান-ইলেভেনই হচ্ছে তার বড় প্রমাণ। এই বিষয়টি মাথায়ও আছে সিনিয়র নেতাদের। এসব সিনিয়র নেতা মনে করেন, এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। নেতাদের ভাষ্য, এই সরকার থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া মুক্ত হবেন না। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হলেও পুলিশ প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান নির্যাতনের কারণে নেতাকর্মীরা রাজপথে নামতে পারছে না। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে তার আগ মুহূর্তে আন্দোলনের পরিকল্পনা আছে দলটির। গতকাল এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আইনি লড়াই এককভাবে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে সুবিধাজনক হবে না। আইনি লড়াইয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজপথের আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের এখন ধীরে ধীরে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করতে হবে। ঈদের পর এ বিষয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে।

 

বিএনপি নেতারা মনে করেন, এ আন্দোলন চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে পারলে বিদেশিরাও সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ কাক্সিক্ষত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে। যদি তা নাও হয়, সরকার পরিবর্তনের নির্বাচনে দেশের মানুষ ঝুঁকি নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে। তখন কর্মীরাও দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঝুঁকি নেবে। এই বিষয়গুলোই নেতাকর্মীদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে।

 

জানা গেছে, খুলনায় দলের সাংগঠনিক অবস্থা খুব শক্ত। কিন্তু মামলা-হামলা এড়াতে নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেনি। এখন মামলা ও হয়রানির শিকার হলে আন্দোলন ও জাতীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীরা মাঠে থাকতে পারবে না। বিএনপির বরিশাল উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান আমাদের সময়কে বলেন, আমাদের তৃণমূলের বক্তব্য স্পষ্ট, খালেদা জিয়া ছাড়া এবং শেখ হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচনে আমরা অংশ নেব না। আমাদের নেত্রী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্যই আজ কারাবন্দি, এটা দেশের মানুষও জানে। কারো সিদ্ধান্তে নয়, বিএনপি নির্বাচনে যাবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সিদ্ধান্তে।

সুত্র: অামাদের সময়

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ